• ই-পেপার

দায়িত্বশীল সমালোচনা বাজেটকে আরো সমৃদ্ধ-সুদৃঢ় করবে : অর্থমন্ত্রী

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছেন : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছেন : মির্জা ফখরুল

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার জন্য প্রায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার ( ২৯ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ কথা জানান ৷ এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এসময় সভাপতিত্ব করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিরোধী দলের সদস্যদের আসনগুলোতে, সিটি করপোরেশন বাদ দিয়ে, প্রায় ২০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন।

তিনি বলেন, মসজিদ, গোরস্তান, ঈদগাহের জন্য জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুলের বিবৃতির পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি নিজে দীর্ঘদিন সংসদে কাটিয়েছেন। বিরোধী দলের সদস্যও ছিলেন কিন্তু এ ধরনের কোনো বরাদ্দ কখনও পাননি।

স্পিকার বলেন, ৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পাইনি। পাঁচবার গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছি। এটুকুই পেয়েছি। প্রাপ্তিযোগ অন্য কিছু হয়নি।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

অনলাইন ডেস্ক
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
সংগৃহীত ছবি

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ সোমবার (২৯ জুন) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের চিত্রকলা, পাপেট শিল্প, নাটক ও শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণের অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি বলেন, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ, শিশুদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও সৃজনশীলতা চর্চায় তার অনন্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রতি বর্ষা মৌসুমে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে যে শিশু আসবে সেই নবাগতকে স্বাগত জানিয়েও গাছ লাগাতে হবে।’

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে নিমগাছ লাগিয়ে দেশব্যাপী ২৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জীবদ্দশায় প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগাতে হবে সবাইকে। বর্তমানে জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে, আগে বর্ষাকাল লম্বা সময় ধরে থাকলেও সেটা এখন থাকছে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরাফাতের ময়দানে অনেকগুলো নিমগাছ লাগানো রয়েছে। ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না। সম্ভবত ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরা পালন করতে গিয়ে তৎকালীন সৌদি বাদশাকে হাজিদের ছায়ার জন্য নিমগাছ রোপণের পরামর্শ দেন। সে সময় দেশ থেকে প্রায় ১ লাখের মতো নিমগাছের চারা পাঠিয়েছিলেন তিনি। এখন গাছগুলোকে সৌদি আরবের মানুষজন নিমগাছ হিসেবে ডাকে না, ‘জিয়া ট্রি’ নামে ডাকে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) গাছ রোপণের কথা বলে গিয়েছেন। সবুজ রংটা নবীর খুব পছন্দ ছিল এবং তিনি অনেক গাছ রোপণও করেছেন। গাছ পরিবেশ থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে আমাদের জীবনে উপকার করে থাকে। তাই তোমরা যত দিন বাঁচবে, প্রত্যেক বছর একটা করে গাছ রোপণ করবে। গাছটা যখন একটু বড় হবে তখন তোমার বন্ধুর মতো মনে হবে এবং গাছটা যত বড় হতে থাকবে তুমিও বড় হতে থাকবে। তোমার পাশাপাশি যখন গাছটা বড় হবে দেখবে যে একটা অদ্ভুত একটা ভালোলাগা কাজ করবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু আজকের দিন নয়, প্রতি বর্ষা মৌসুমে অন্তত একটা করে গাছ রোপণ করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ রোপণে উৎসাহ দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবে দেশে গাছ যত বাড়বে, আমাদের পরিবেশ তত ঠাণ্ডা হবে। পরিবেশ ঠাণ্ডা হলে আমাদের থাকতেও তত আরাম হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু যে অনুপাতে বৃষ্টি হওয়া উচিত ছিল, তা হচ্ছে না। আমরা যখন ছোট ছিলাম এই বর্ষাকালে টানা বৃষ্টি হতো। এখন সেই বৃষ্টিটা হচ্ছে না। প্রয়োজন কিংবা অপ্রয়োজনেও গাছ কাটা পড়ছে। ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ দেশেই আমাদের থাকতে হবে। আমার ঘর যদি আমি সুন্দর করে গুছিয়ে না রাখি তাহলে আমিও একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকব। এতে করে আমার মানসিক এবং শারীরিক ক্ষতি হবে।’

এর আগে বিএনসিসি সদস্যদের গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিরক্ষা ধারণার সঙ্গে বিএনসিসির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণেই সংগঠনটিকে দেশের দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দেশের সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনসিসির কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারণ এবং অধিক সংখ্যক তরুণ-তরুণীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করতে যথাযথ বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে বিএনসিসি দেশের তরুণ সমাজের নৈতিক বিকাশ নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রমুখ।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ

চলতি জুন মাসে অন্যান্য মাসের তুলনায় গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ পাওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেশের সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থা অথবা নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, অন্যান্য মাসের তুলনায় জুন ২০২৬ মাসে গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিলক্ষিত হচ্ছে। গ্রাহকদের হয়রানি কমাতে বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কম্পানিগুলোকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বা কম্পানির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের নির্ধারিত হটলাইনগুলোতে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবার হটলাইন নম্বর ১৬৯৯৯। এ ছাড়া বিপিডিবির ১৬২০০, পবিবোর ১৬৮৯৯, ডিপিডিসির ১৬১১৬, ডেসকোর ১৬১২০, নেসকোর ১৬৬০৩ এবং ওজোপাডিকোর ১৬১১৭ নম্বরে যোগাযোগ করে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন।