• ই-পেপার

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাককানইবিতে গবেষণা সপ্তাহ উদ্বোধন

ঢাবির বাজেট পেশ : অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায়, গবেষণায় ২.০৩ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বাজেট পেশ : অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায়, গবেষণায় ২.০৩ শতাংশ
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১ হাজার ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা (১০.৩৩ বিলিয়ন টাকা) আয়তনের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে। 

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪২২ কোটি টাকা। এর বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ৯৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা মোট চাহিদার ৬৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব উৎস থেকে ৮৫ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অর্থায়নের এই ঘাটতির কারণে নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তত ৮৩ কোটি ৮৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা বাজেট ঘাটতির মুখে পড়তে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের বছরের মতো এবারও বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ে। গবেষণা ও একাডেমিক উন্নয়নের তুলনায় নিয়মিত পরিচালন ব্যয়ই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে বেতন খাতে, যার পরিমাণ ৩২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এটি মোট বাজেটের ৩১ দশমিক ৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ভাতা খাতে, যার পরিমাণ ২২৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বা মোট বাজেটের ২১ দশমিক ৭২ শতাংশ। পণ্য ও সেবা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ২১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। 

পেনশন ও অবসর সুবিধা খাতে বরাদ্দ ১৫০ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অন্যদিকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ এখনো সীমিত। গবেষণা অনুদানের জন্য ২১ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের মাত্র ২ দশমিক ০৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ দশমিক ০৮ শতাংশ।

এ ছাড়া অন্যান্য অনুদান খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা (৩.৪৪ শতাংশ)। মূলধনী ব্যয়ের মধ্যে যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৩৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা (৩.৩৭ শতাংশ), যানবাহন ক্রয়ে ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা (০.৮৭ শতাংশ), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) সরঞ্জাম খাতে ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা (০.৬০ শতাংশ) এবং অন্যান্য মূলধনী অনুদানে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা (০.২৪ শতাংশ) বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনকালে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিকল্প নেই। গবেষণা খাতে অর্থায়নের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ইউজিসি গবেষণা খাতে কোনো বরাদ্দ দেয়নি। 

তিনি জানান, বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি) খাতে ব্যয় জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ, যা ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের তুলনায় অনেক কম।

অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো বলেন, এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের মোট বাজেটের ১০ থেকে ২৫ শতাংশ মৌলিক ও প্রয়োগধর্মী গবেষণায় ব্যয় করে। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারছে না। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে সরকারের ওপর নির্ভরশীলতা এখনো অনেক বেশি। কারণ বাজেটের অধিকাংশ অর্থই ইউজিসির মাধ্যমে সরকারের বরাদ্দ থেকে আসে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এটি কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এটিকে একটি টেমপ্লেট ও অনুপ্রেরণামূলক কাঠামো হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। ফলে এর প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা অতিক্রম করে জাতীয় উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী, তিন দশকেরও বেশি সময়ের একজন শিক্ষক, এবং বর্তমান উপাচার্য হিসেবে আমার বিশ্বাস- আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ, প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও চীনের কিলু ইউনিভার্সিটির বৈঠক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও চীনের কিলু ইউনিভার্সিটির বৈঠক
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের কিলু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) ঢাবি উপাচার্যের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, কিলু ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির পক্ষে নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ওয়াং শিয়াও এবং অধ্যাপক ওয়েই লিউসহ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা।

বৈঠকে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান যৌথ একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল এবং জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়নে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা সংস্কারে সরকার ৫ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত জিও-এনজিও কোলাবরেশন ডায়ালগ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা সংস্কারে সরকারের মূল লক্ষ্য লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে— কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি। এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতের শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার কার্যকর অংশীদারির ভিত্তিতে এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়। সরকারের একার নয়, সরকারব্যবস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে আরো আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চায়। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে হলে বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য এবং টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেল সরকার কাজে লাগাতে চায়।

ববি হাজ্জাজ আরো বলেন, প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ব্র‍্যাকসহ বিভিন্ন এনজিওর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চায় সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চায় সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার কার্যকর অংশীদারির ভিত্তিতে এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়। সরকারের একার নয়, বরং সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই ক্ষেত্রগুলোকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতের শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষাকে আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা সম্প্রসারণ।’

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে হলে বাস্তবসম্মত ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেল কাজে লাগাতে চায় সরকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।