• ই-পেপার

দেশে বছরে গড়ে ২০০ দিন বিপজ্জনক আর্দ্র তাপমাত্রা থাকছে

অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় এনেছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় এনেছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

ডিজিটাল বেটিং ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধ দমনে সরকার ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর মাধ্যমে অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় এনেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল জারি করা ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনের আওতায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি বা পরিচালনা করা, অনলাইন জুয়ায় অংশগ্রহণ করা, এ ধরনের কার্যক্রমে সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান, জুয়ার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়া-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচার বা বিপণন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে বলে তিনি জানান।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন স্থগিত বা জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

তিনি জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বিএফআইইউ অনলাইন জুয়া বিষয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ২০২৬ সালের মে মাসে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে জমা দেয়।

এরই মধ্যে সিআইডি এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের ওপর বিএফআইইউ নজরদারি অব্যাহত রেখেছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরো গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে।

তিনি আরো জানান, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ২৮ মে দেশের সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

সেই নির্দেশনায় এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো মার্চেন্ট বা গ্রাহক এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে অবহিত করার কথাও বলা হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ অনলাইন জুয়া ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।

বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা

বাসস
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
ছবি : পিএমও

চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের (জিএসিসি) মন্ত্রী ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।

এ সময় শিশু-কিশোরেরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রাসহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্টহাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীসহ সফরসঙ্গীরা এই গেস্টহাউসেই থাকবেন।

এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত; প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির; বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন; প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।

বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে ‘দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সফর শেষ করে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীনে এটি তাঁর প্রথম সফর।

ডা. জাহেদ প্রসঙ্গে ভারতের ব্যাখ্যা অসন্তোষজনক : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
ডা. জাহেদ প্রসঙ্গে ভারতের ব্যাখ্যা অসন্তোষজনক : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা প্রসঙ্গে ভারতের ব্যাখ্যাকে অসন্তোষজনক আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে ঢাকা।

আজ বুধবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম এ মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা নিয়ে ভারতীয় পক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক নয়।’

মুখপাত্র বলেন, ‘ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) একটি বৈঠকে ডা. জাহেদ উর রহমান যে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন, সে বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই যথাযথভাবে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে (ডা. জাহেদ) নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক।’

চলতি মাসের শুরুতে আইওআরএর একটি বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে প্রবেশকালে দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদ উর রহমানকে বাধা দেওয়া হয়। ওই বৈঠকে তার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মন্তব্য সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে প্রতিটি রাষ্ট্রেরই তার ভূখণ্ডে বসবাসকারী সংখ্যালঘুসহ সব নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমান দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যসহ সব নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তামাকপণ্য সহজলভ্যই থাকছে, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
তামাকপণ্য সহজলভ্যই থাকছে, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি করা হলেও তামাকপণ্য এখনো সহজলভ্যই থেকে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির তুলনায় সিগারেটের দাম খুব কম বাড়ানো হয়েছে, ফলে তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত হওয়ার বদলে তামাক কম্পানিগুলো অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ পাবে।

আজ বুধবার রাজধানীর বিএমএ ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডব়্প)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা : প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট প্রণয়নের এই সময়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেবা আফরোজা। তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা বাজারে বিদ্যমান চার স্তরের সিগারেটকে তিন স্তরে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা নির্ধারণ এবং প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছিল। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে তরুণদের কাছে তামাকপণ্য কম সহজলভ্য হতো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. শাফিউন নাহিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের দাম মাত্র ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অথচ দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় ৭৫ শতাংশ সিগারেটই এই স্তরের। মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি হওয়ায় এ ধরনের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার কমাতে কার্যকর হবে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নিম্নস্তরের সিগারেট প্রতি শলাকা ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নতুন মূল্য কাঠামোর কারণে তামাক কোম্পানিগুলো প্রতি শলাকায় প্রায় ৮০ পয়সা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নিম্নস্তরের সিগারেট বিক্রি হয়েছিল ৬৮.৮৯ বিলিয়ন শলাকা। এই হিসাবে কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত আয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সরকার বিপুল সম্ভাব্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে এসব নতুন নিকোটিনজাত পণ্য কার্যত বৈধতা পাচ্ছে। এতে বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে এবং তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সভাপতির বক্তব্যে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব অনুযায়ী নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে সরকার অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে। একই সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ী ধূমপান ত্যাগে উৎসাহিত হবে, ৩ লাখ ৭২ হাজার তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় চার লাখ অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

সেমিনারে বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আগামী প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় আরও কার্যকর করনীতি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তাদের মতে, তামাকপণ্য সহজলভ্য থাকলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। তাই বাজেটের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার এখনই উপযুক্ত সময়।