• ই-পেপার

রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব

দেশের প্রথম বাজেটের আকার যত ছিল

অনলাইন ডেস্ক
দেশের প্রথম বাজেটের আকার যত ছিল

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এ বাজেট পেশ করেন। একই অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বাজেটের আকার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

 

সবচেয়ে বেশি বাজেট পেশ করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং এম সাইফুর রহমান। দুই জনই সর্বোচ্চ ১২বার করে জাতীয় বাজেট পেশ করেছেন।

আরো পড়ুন
দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

 

এবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। এটি দেশের ৫৫তম, বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। যা দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। আর বাজেটে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে।

আরো পড়ুন
ব্যবসা শুরু-পরিচালনায় আসছে সংস্কার, ৭ দিনে মিলবে লাইসেন্স

ব্যবসা শুরু-পরিচালনায় আসছে সংস্কার, ৭ দিনে মিলবে লাইসেন্স

 

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। এছাড়া মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৭ শতাংশ।

এদিকে, বাজেটে আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছরের জন্য প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে সরকার। এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। আর ঋণ সহায়তা বা বিদেশি অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

বাজেট

ব্যবসা শুরু-পরিচালনায় আসছে সংস্কার, ৭ দিনে মিলবে লাইসেন্স

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবসা শুরু-পরিচালনায় আসছে সংস্কার, ৭ দিনে মিলবে লাইসেন্স

বাজেটে ব্যবসা শুরু ও পরিচালনায় সময়, ব্যয় ও অনিশ্চয়তা কমাতে অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা থাকছে। ফলে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আবেদন জমা থেকে লাইসেন্স প্রদান পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার ঘোষণা থাকছে।

এছাড়া প্রতিটি অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থা মতামত, ছাড়পত্র, অনাপত্তি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দিলে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ডিমড অ্যাপ্রুভাল বা সম্মতি রয়েছে ধরে নিয়ে আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা থাকতে পারে।

কোম্পানি নিবন্ধন সেবার ক্ষেত্রেও গতি আনার উদ্যোগ রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোম্পানি নিবন্ধন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার ঘোষণা থাকতে পারে বাজেট প্রস্তাবে। 

বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ জনবলের জন্য ওয়ার্ক পারমিট সাত দিনের মধ্যে এবং বিনিয়োগকারী ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিসা ১০ দিনের মধ্যে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হতে পারে। বিনিয়োগকারীদের আইনি সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়াতে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি সম্প্রসারণ, পাশাপাশি দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি হালনাগাদ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে

এ ছাড়া আগামী অর্থবছর নির্ধারিত শিল্পাঞ্চল ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লাগ অ্যান্ড প্লে বা প্রস্তুত শিল্প-সুবিধা প্যাকেজ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দ্রুত কারখানা স্থাপন ও উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়

৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব
সংগৃহীত ছবি

উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ বাড়িয়ে দেশের ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বার্ষিক ৩ কোটি টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত আয়করের হার বর্তমান ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করা হতে পারে। এর ফলে উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা পড়বে। আগামী ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি তথা পাঁচ বছরের করহার কাঠামো ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এই রূপরেখায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই বছর এবং পরবর্তী বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের তিন বছরের সম্ভাব্য কর ব্যবস্থার একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে ২০৩০-৩১ করবর্ষ পর্যন্ত ৩ কোটি টাকার বেশি আয়ের ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই বর্ধিত করহার সাধারণ বা মধ্যবিত্ত করদাতাদের স্পর্শ করবে না; এটি কেবল সীমিতসংখ্যক উচ্চবিত্ত ও অতি-ধনী করদাতাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৮-২৯ করবর্ষে এই করহার কার্যকর হওয়ার অর্থ হলো, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে অর্জিত আয়ের ওপর ভিত্তি করে এই কর পরিশোধ করতে হবে।

প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এবারের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বর্তমানের চেয়ে ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এরপর পরবর্তী ৩ লাখ টাকার আয়ের ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার ওপর ২০ শতাংশ, পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ এবং পরবর্তী ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকার ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।

এ হিসেবে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ থাকবে। তবে ৩ কোটি টাকার বেশি আয়ের অংশের ওপর ৩৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

অবশ্য ২০৩০-৩১ করবর্ষে সর্বোচ্চ করহার অপরিবর্তিত থাকলেও নিম্ন আয়ের স্তরগুলোতে কিছু পরিবর্তন আনা হবে। ওই বছর করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের আয়ের বিপরীতে আগামী ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

বাংলাদেশে এক সময় ব্যক্তিশ্রেণির সর্বোচ্চ আয়কর হার ছিল ৩০ শতাংশ। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তা কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হলেও মেয়াদের শেষ দিকে আবার ৩০ শতাংশে উন্নীত করা হয়।

অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে আয়বৈষম্য কমাতে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের ওপর তুলনামূলক বেশি হারে কর আরোপের পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তবে কিছু করবিশেষজ্ঞের মতে, যারা নিয়মিত কর পরিশোধ করেন এবং কর-অনুগত, তাদের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়।

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

অনলাইন ডেস্ক
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

স্বাধীনতার পর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট ৫৪টি জাতীয় বাজেট অতিক্রম করেছে। ১৯৭২ সালে প্রথম বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। পরিক্রমায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রেকর্ড ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয়েছে।

সেই পথ ধরে বাংলাদেশের ৫৫তম বাজেট নিয়ে আসছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যার আকার হবে রেকর্ড ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ৫৫তম, বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।

১৯৭২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যারা বাজেট পেশ করেছেন ও বাজেটের আকার এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) পরিমাণ উপস্থাপন করা হলো—

অর্থবছর            বাজেট উত্থাপক                   বাজেটের আকার                           এডিপি

১৯৭২-৭৩    তাজউদ্দিন আহমেদ           ৭৮৬ কোটি টাকা                                 ৫০১ কোটি টাকা
১৯৭৩-৭৪     তাজউদ্দিন আহমেদ         ৯৯৫ কোটি টাকা                                 ৫২৫ কোটি টাকা
১৯৭৪-৭৫     তাজউদ্দিন আহমেদ          ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকা                      ৫২৫ কোটি টাকা
১৯৭৫-৭৬     ড. আজিজুর রহমান মল্লিক    ১ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা                 ৯৫০ কোটি টাকা
১৯৭৬-৭৭    মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান    ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা         ১হাজার ২২ কোটি টাকা
১৯৭৭-৭৮    লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান    ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা           ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা
১৯৭৮-৭৯    প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান     ২ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা                ১ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা
১৯৭৯-৮০    ড. এম এন হুদা                       ৩ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা                ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা
১৯৮০-৮১    এম সাইফুর রহমান               ৪ হাজার ১০৮ কোটি টাকা            ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
১৯৮১-৮২    এম সাইফুর রহমান               ৪ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা            ৩ হাজার ১৫ কোটি টাকা
১৯৮২-৮৩     এ এম এ মুহিত                  ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা            ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
১৯৮৩-৮৪    এ এম এ মুহিত                  ৫ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা            ৩ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা
১৯৮৪-৮৫    এম সায়েদুজ্জামান                 ৬ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা           ৩ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা
১৯৮৫-৮৬    এম সায়েদুজ্জামান                ৭ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা           ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা
১৯৮৬-৮৭    এম সায়েদুজ্জামান                   ৮ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা    ৪ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা
১৯৮৭-৮৮    এম সায়েদুজ্জামান                     ৮ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা    ৫ হাজার ৪৬ কোটি টাকা
১৯৮৮-৮৯    মেজর জেনারেল মুনিম               ১০ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা    ৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা
১৯৮৯-৯০    ড. ওয়াহিদুল হক                   ১২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা      ৮ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা
১৯৯০-৯১    মেজর জেনারেল মুনিম               ১২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা     ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা
১৯৯১-৯২    এম সাইফুর রহমান               ১৫ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা    ৭ হাজার ৫০ কোটি টাকা
১৯৯২-৯৩    এম সাইফুর রহমান               ১৭ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা    ৯ হাজার ৫৭ কোটি টাকা
১৯৯৩-৯৪    এম সাইফুর রহমান             ১৯ হাজার ৫০ কোটি টাকা    ৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা
১৯৯৪-৯৫    এম সাইফুর রহমান           ২০ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা    ১১ হাজার কোটি টাকা
১৯৯৫-৯৬    এম সাইফুর রহমান          ২৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা    ১২ হাজার ১০ কোটি টাকা
১৯৯৬-৯৭    এস এ এম এস কিবরিয়া        ২৪ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা    ১২ হাজার ৫০ কোটি টাকা
১৯৯৭-৯৮    এস এ এম এস কিবরিয়া           ২৭ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা-     ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা
১৯৯৮-৯৯    এস এ এম এস কিবরিয়া             ২৯ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা    ১৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা
১৯৯৯-২০০০    এস এ এম এস কিবরিয়া          ৩৪ হাজার ২৫২ কোটি টাকা    ১২ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা
২০০০-২০০১     এস এ এম এস কিবরিয়া     ৩৮ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা    ১৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা
২০০১-২০০২     এস এ এম এস কিবরিয়া    ৪২ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা    ১৯ হাজার কোটি টাকা
২০০২-২০০৩    এম সাইফুর রহমান        ৪৪ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা    ১৯ হাজার ২০ কোটি টাকা
২০০৩-২০০৪     এম সাইফুর রহমান        ৫১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা    ২০ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা
২০০৪-২০০৫     এম সাইফুর রহমান      ৫৭ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা    ২২ হাজার কোটি টাকা
২০০৫-২০০৬    এম সাইফুর রহমান         ৬১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা    ২৩ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা
২০০৬-২০০৭    এম সাইফুর রহমান           ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা    ২৬ হাজার কোটি টাকা
২০০৭-২০০৮    মির্জা আজিজুল ইসলাম     ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা    ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা
২০০৮-২০০৯    মির্জা আজিজুল ইসলাম     ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা    ২৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা
২০০৯-২০১০     এ এম এ মুহিত         ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা    ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা
২০১০-২০১১    এ এম এ মুহিত        ১ লাখ ৩২ হাজার১৭০ কোটি টাকা    ৩৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা
২০১১-২০১২    এ এম এ মুহিত        ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা    ৪১ হাজার ৮০ কোটি টাকা
২০১২-২০১৩    এ এম এ মুহিত           ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা    ৫২ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা
২০১৩-২০১৪    এ এম এ মুহিত         ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা    ৬০০০০ কোটি টাকা
২০১৪-২০১৫     এ এম এ মুহিত          ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা    ৭৫০০০ কোটি টাকা
২০১৫-২০১৬    এ এম এ মুহিত       ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা-    ৯৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা
২০১৬-২০১৭    এ এম এ মুহিত       ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা    ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
২০১৭-২০১৮    এ এম এ মুহিত          ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা    ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা
২০১৮-২০১৯    এ এম এ মুহিত           ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা    ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা
২০১৯-২০২০    আ হ ম মুস্তাফা কামাল     ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা     ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা
২০২০-২০২১    আ হ ম মুস্তাফা কামাল    ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা    ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা
২০২১-২০২২    আ হ ম মুস্তাফা কামাল    ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা    ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা
২০২২-২০২৩    আ হ ম মুস্তাফা কামাল    ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা    ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
২০২৩-২০২৪    আ হ ম মুস্তাফা কামাল        ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা    ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা
২০২৪-২০২৫    আবুল হাসান মাহমুদ আলী      ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা    ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা
২০২৫-২০২৬    ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ       ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা    ২ লাখ কোটি টাকা

এদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। যা দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। আর বাজেটে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৭ শতাংশ।

বাজেটে আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছরের জন্য প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে সরকার। এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। আর ঋণ সহায়তা বা বিদেশি অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।