• ই-পেপার

১৭ জেলার জন্য সকর্তবার্তা, কালবৈশাখীর শঙ্কা

দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ৩২ লাখের বেশি : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ৩২ লাখের বেশি : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে ব্যাংক হিসাব কতটি, জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে বাংলাদেশে সর্বমোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি। এর মধ্যে মোট সঞ্চয়ী হিসাবের সংখ্যা ১৭ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৫টি এবং মোট ঋণ হিসাবের সংখ্যা ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৬৭টি ।  

বুধবার (২৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বজেট অধিবেশনের ১৪তম দিন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। 

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদের প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, সারা দেশে কী পরিমাণ মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করানোর কোনো পরিকল্পনা আছে কি? থাকলে, তা কবে নাগাদ বাস্তবায়িত হবে?

এদিন লিখিত প্রশ্ন টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া জাতীয় সংসদের বৈঠকে এই পর্যায়ে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। 

মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে ১০০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল (এনএফআইএস)’ প্রণয়ন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ৬৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। সরকার অনুমোদিত আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যেমন—ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এমএফএস, বীমা, শেয়ারবাজার, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাসহ অন্যান্য আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হিসাব সংখ্যা।

মন্ত্রী জানান, এনএফআইএসের বাস্তবায়ন সময়সীমা জুন-২০২৬-এ শেষ হবে, বিধায় আর্থিক সেবা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনদের মতামত ও তাদের প্রয়োজন বিবেচনা করে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ১০০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যে এনএফআইএসের দ্বিতীয় পর্যায়, অর্থাৎ জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল ২ (এনএফআইএস ২) বা ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন স্ট্র্যাটেজি-২ (এনএফআইএস-২) জুন ২০২৬ থেকে জুলাই ২০৩১ সময়কালের জন্য প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার : সাইমুম পারভেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পানিসংকট মোকাবেলায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার : সাইমুম পারভেজ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফারাক্কা বাঁধের কারণে সৃষ্ট পানিসংকট মোকাবেলায় সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা একটি ব্যারাজ তৈরি করব, যেখানে পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে। যাতে শুষ্ক মৌসুমে খাল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়। পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার এ উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স (বিটিএস) এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ন্যাশনাল-লেভেল কমিউনিটি বেইজড অর্গানাইজেশন (সিবিও) সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। 

বিটিএসের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যার পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদী, খাল ও জলাশয়ে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকায়। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।’

ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচনে পরিবেশ ও জলবায়ু ইস্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজনকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রচারণায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর অঙ্গীকার করেছি। একই সঙ্গে ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।’

জলবায়ু অর্থায়নের প্রসঙ্গ তুলে ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে খুব সামান্য অবদান রাখলেও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম। তাই জলবায়ু অর্থায়ন ঋণভিত্তিক নয়, অনুদানভিত্তিক হওয়া উচিত। জলবায়ু সংকটের জন্য দায়ী দেশগুলোকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।’ তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকারের উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু সহনশীলতা, জেন্ডার ন্যায়বিচার এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী এই সামিট শুরু হয়েছে। সামিটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন অক্সফামের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাহমুদ সুলতানা।

তিনি জানান, জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করাই এ সামিটের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি সামিটে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জেন্ডার সমতা এবং প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুই দিনের এ সামিটে নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, তরুণ নেতা এবং সিবিও প্রতিনিধিদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মূল প্রতিপাদ্যের ওপর কীনোট উপস্থাপনা ও আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে সিবিওগুলোর ভূমিকা ও নারীদের অবদান নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই পরিবেশ গঠনে স্থানীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সাড়ে ৭ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
সাড়ে ৭ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

দেশব্যাপী সাড়ে ৭ লাখ যুবককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দেশজুড়ে ৩০ মাসের এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১০৬ কোটি ৫২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫২ টাকা। এসংক্রান্ত ১০টি ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। 

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রস্তাব ১০টিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সময় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, ‘ইকোনমিক অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড রিসাইলেন্স ফর এনইইটি’-এর অধীনে দেশের বিভিন্ন জেলার যুবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণে, বিশেষ করে যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে তোলার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এনজিও সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে যুবকদের প্রশিক্ষণ দেবে।

বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : পিএমও

চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ডালিয়ান থেকে হাই-স্পিড (বুলেট) ট্রেনে করে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এর বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন। চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নসের এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশ নেন। সম্মেলনটিতে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১৭০০ জনেরও অধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের সেরা অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতাকে আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মালয়েশিয়া থেকে সোমবার (২২ জুন) চীনের দালিয়ানে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১৭ জেলার জন্য সকর্তবার্তা, কালবৈশাখীর শঙ্কা | কালের কণ্ঠ