জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় এ সিদ্ধন্ত হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় পে-কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।
তবে কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে, কয় ধাপে বাড়বে এ বিষয়গুলো গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি সভায় উপস্থিত কোনো সদস্য। এদিকে এলপিআর ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম পে-স্কেলের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন একটি সূত্র।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। জুলাই থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। সভায় তবে বেসিকের কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বুধবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির সভায় পে-কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। তবে এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর প্রস্তাবনাও চূড়ান্ত করা হবে। এজন্য আরও একটি সভা হতে পারে।
নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিকের কত শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে বৃদ্ধি পাবে সেটি জানা না গেলেও তিনটি বিকল্প ধরে কাজ করছে সরকার বলে জানা গেছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হতে পারে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনাও রয়েছে।




