• ই-পেপার

রেহমান সোবহান

ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে

পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত

জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় এ সিদ্ধন্ত হয়।

সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় পে-কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

তবে কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে, কয় ধাপে বাড়বে এ বিষয়গুলো গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি সভায় উপস্থিত কোনো সদস্য। এদিকে এলপিআর ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম পে-স্কেলের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন একটি সূত্র।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। জুলাই থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। সভায়  তবে বেসিকের কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

বুধবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির সভায় পে-কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। তবে এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই  বিচার বিভাগ ও সশস্ত্রবাহিনীর প্রস্তাবনাও চূড়ান্ত করা হবে। এজন্য আরও একটি সভা হতে পারে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিকের কত শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে বৃদ্ধি পাবে সেটি জানা না গেলেও তিনটি বিকল্প ধরে কাজ করছে সরকার বলে জানা গেছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হতে পারে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনাও রয়েছে।

সংসদে অর্থমন্ত্রী

আগামী মাস থেকে ভ্যাটের আওতায় আসবে মুদি দোকানসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা

অনলাইন ডেস্ক
আগামী মাস থেকে ভ্যাটের আওতায় আসবে মুদি দোকানসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে আগামী মাস থেকে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) আওতায় আসবে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা।

আজ বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি এই তথ্য  জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি দলীয় এমপি সেলিনা সুলতানার প্রশ্ন ছিল, বিগত অর্থবছরে ভ্যাট থেকে সরকারের রাজস্ব আয় কত ছিল? নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা? থাকলে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী? 

জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ সরকারের আয় ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী অর্থবছরে ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের।’

সেগুলো হলো- ১. মুদি দোকান; ২. তৈরি পোশাক বা কাপড়ের দোকান; ৩. কনফেকশনারি; ৪. কসমেটিক্সের দোকান; ৫. প্লাস্টিকের সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য ও জুতার দোকান; ৬. হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা; ৭. ডেকোরেটরস; ৮ মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা; ৯. পেইন্ট ও হার্ডওয়‍্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস; ১০. টাইলসের দোকান; ১১. ঢেউটিনের দোকান; ১২. রড ও সিমেন্ট; ১৩. ফার্নিচারের দোকান;  ১৪. বিউটি পার্লার; ১৫. মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং ১৬. রেস্টুরেন্ট।

কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী দল

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃতি ও তার ব্যাখ্যা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রেখেছেন সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন ‘কোরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা ও ঠাট্টা-বিদ্রুপের’ অভিযোগ তুললে এ বিতর্কের সূত্রপাত হয়। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চিফ হুইপসহ দুই দলের সদস্যদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিতর্ক শেষ হয়।

আজ বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের পরিণতি শুভ হবে না। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করেন।

তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জামায়াতের নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে যেভাবে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তা ঠাট্টা-বিদ্রুপের শামিল।

তিনি দাবি করেন, আয়াতটির রাজনৈতিক প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা সঠিক হয়নি। কোরআনের আয়াত নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা বা অবমাননা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য। তিনি কোরআন-হাদিস নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন বলে তার মনে হয় না। তবে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হবে। কোনো ভুল ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোরআনের ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ তোলার ফলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। মাহফুজুল্লাহ একজন মাদরাসা শিক্ষিত ব্যক্তি। সৎ উদ্দেশ্যেই তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে তা বৃদ্ধি পায়, আর অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। এটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন অর্থে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, আলোচিত আয়াতের নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে বিষয়টিকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বাজেটের প্রশংসা না করলে আল্লাহর আজাব নেমে আসবে, এমন ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা উচিত নয়। বিষয়টি আলেমদের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে।

এরপর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা মাইক ছাড়াই কথা বলা শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান স্পিকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। কোরআন-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা এখানে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি না করে বিষয়টি যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হবে।

পরে সরকারি দলের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন আলোচনায় অংশ নিয়ে আলেম-ওলামাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সবাইকে সহিহ ও সঠিক ব্যাখ্যার ওপর আমল করতে হবে।

সবশেষে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিতর্কের অবসান টানার চেষ্টা করে বলেন, সংসদের সব সদস্যই আল্লাহ ও রাসুলের প্রতি বিশ্বাসী। অভিযুক্ত সদস্য নিজেও একজন আলেম। তাই কোনো ব্যঙ্গ বা পরিহাসের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেননি তিনি। তিনি আন্তরিকভাবেই কথাগুলো বলেছেন। বিষয়টিকে অযথা বিতর্কিত না করে সংসদের মর্যাদা রক্ষা করার জন্য সকলের প্রকি আহ্বান জানান তিনি।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে। জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে।

বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মালয়েশিয়া সফরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।

ওসমানী বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।

মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে | কালের কণ্ঠ