• ই-পেপার

রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৩৮ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৩ হাজার ১০৯ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫২ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ১৬ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ৪৯৯ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৯ হাজার ৮২৭ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ৭১৬ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৩৮ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৬৭টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫০টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৭৫১টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৯২০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন।

হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আজ দূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুমান ‘সংবেদনশীল’

অনলাইন ডেস্ক
আজ দূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুমান ‘সংবেদনশীল’

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিশ্বে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। অন্যদিকে, ঢাকার বায়ুর মানেরও কিছুটা অবনতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির দূষণ ১৭৭ স্কোর অর্থাৎ এখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। অপরদিকে, দূষণ তালিকায় ১১ নম্বরে রয়েছে ঢাকা। এই শহরের দূষণ স্কোর ১০৮ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।

এদিকে, সোমবার দূষণের শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের বায়ুর মানের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার লাহোর শীর্ষে ছিল। আজ সকালে এই শহরটি রয়েছে ১২ নম্বরে। যার বায়ুমান স্কোর ১০৬।

সোমবার রাজধানী ঢাকা ছিল ২০ নম্বরে আর বায়ুর মান ছিল মাঝারি বা সহনীয় পর্যায়ে।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ত্রিমুখী চাপে মধ্যবিত্তরা

অনলাইন ডেস্ক
ত্রিমুখী চাপে মধ্যবিত্তরা
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ছবি : সংগৃহীত

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম মজুরি হার ও সঞ্চয় হারানোর শঙ্কা থাকায় মধ্যবিত্তরা চাপে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার কম থাকায় মানুষ কাজ করেও আগের অবস্থানে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি, মজুরি চাপ এবং সঞ্চয় কমে যাওয়া এই ত্রিমুখী চাপ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংকট তৈরি করছে। রপ্তানি বাড়লেই কর্মসংস্থান বাড়বে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। টাকার মান কমলে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়াবে।

গতকাল রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ : অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের জন্য কী আছে?’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য ও সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাাফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাজেটে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের সুফল পেতে হলে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।  তিনি বলেন, বাজেটে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য সংবেদনশীলতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের আর্থিক কাঠামো দুর্বল। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান ও সঞ্চয় সুরক্ষা না হলে তারা উপকার পাবে না। সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে তথ্যভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন।

নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর সদস্য রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, শিক্ষা খাতে আসলে বরাদ্দ জিডিপির ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ করা হয়েছে। দুই নয়। তবুও এটি ইতিবাচক। নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের করসীমা বাড়লেও বাস্তবে করের চাপ বাড়ছে। স্কুলে ওয়াশ-সুবিধা অত্যন্ত খারাপ, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়লেও ব্যবহার কম, সক্ষমতা ও আমলাতান্ত্রিক সমন্বয়ের ঘাটতি বড় বাধা। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, ২০২১ সাল থেকেই জাতীয় বাজেটে জেন্ডার সংবেদনশীল বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্থবিরতা ও সংকোচন দেখা যাচ্ছে। সামগ্রিক বাজেটের আকার বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় এই খাতে বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হচ্ছে। নারীর প্রত্যক্ষ জনসেবা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উপখাতগুলোতে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় তৃণমূল পর্যায়ে সহিংসতা প্রতিরোধ ও আইনি সহায়তার মতো কাজগুলো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্র্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অযৌক্তিকভাবে প্রায় দ্বিগুণ ধরা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত নয়। বেসরকারি বিনিয়োগ কমেছে, ঘাটতি বড়। এডিপি বাস্তবায়ন দুর্বল ও শেষ সময়ে ফুলিয়ে দেখানো হয়। ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিও উপেক্ষিত। তাই বাজেটের আকার কমিয়ে বাস্তবসম্মত করা প্রয়োজন ছিল। নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন বলেন, সামাজিক সুরক্ষায় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও অধিকাংশই সামান্য বৃদ্ধি। ফ্যামিলি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ হলেও লক্ষ্যভিত্তিক নয়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ ও মর্যাদাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব রয়েছে, ফলে প্রকৃত উপকারভোগীদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, কৃষি অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ হলেও বাজেটে এর গুরুত্ব কমছে। জিডিপিতে অবদান বেশি হলেও এই খাতে বিনিয়োগ কম, ফলে প্রবৃদ্ধি থমকে যাচ্ছে ও আমদানি নির্ভরতার ঝুঁকি বাড়ছে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন, দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, মানবাধিকার কর্মী ইলিরা দেওয়ান, সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের হেড অব পলিসি অ্যাডভোকেসি ফাইয়াজউদ্দিন আহমেদ, এডুকো বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম তাজিন হোসেন প্রমুখ।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব

অনলাইন ডেস্ক
ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ জমির মালিকদের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের ওপর নতুন করে ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব এবং নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি উপেক্ষা করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আবাসন খাত বর্তমানে ক্রেতা সংকট, উচ্চ নির্মাণ ব্যয়, অর্থায়ন সংকট এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন কর আরোপ এবং বিদ্যমান উচ্চ নিবন্ধন ব্যয় বহাল রাখা আবাসন খাতকে আরও সংকটের দিকে ঠেলে দেবে।

রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমানে জমির মালিককে প্রদত্ত সাইনিং মানির ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে এর পাশাপাশি ডেভেলপারের নির্মিত ফ্ল্যাটের ওপরও জমির মালিককে ১৫ শতাংশ কর দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে যৌথ উন্নয়ন (জয়েন্ট ভেঞ্চার) প্রকল্প নিরুৎসাহিত হবে, নতুন প্রকল্প কমে যাবে এবং আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে জমি, ফ্ল্যাট ও বিল্ডিং ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কর পরিশোধ সাপেক্ষে বিনা প্রশ্নে ‘স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শন’ বা অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ প্রদানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল এজন্য প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপ্রদর্শিত অর্থ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে মূলধারার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে অবস্থান করছে। এ অর্থ আবাসনসহ উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ পেলে তা অর্থনীতির মূলধারায় ফিরে আসবে এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। রিহ্যাব মনে করে, নির্ধারিত কর পরিশোধের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থকে বৈধ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার ফলে অর্থনীতির মূলধারায় নতুন অর্থ প্রবাহিত হবে এবং আবাসন খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতি উপকৃত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকত উল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩  এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (চট্টগ্রাম রিজিয়ন) মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান, পরিচালক আলহাজ মো. গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, এ জেড এম কামরুদ্দিন, মো. জহির আহমেদ, মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, শেখ কামাল, এম ফখরুল ইসলাম, এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী ও মো. এমদাদুল হোসেন সোহেল উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রিহ্যাব নেতারা।​​​​

রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান | কালের কণ্ঠ