চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক চার থেকে ছয় লেন করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘রাস্তাটি আগামী দিনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তাটি অন্ততপক্ষে চার থেকে ছয় লেন হওয়া উচিত। এই রাস্তার কাজ আমরা ইনশআল্লাহ দ্রুতই হাত দেব। চট্টগ্রাম টু কক্সবাজারের যেই রাস্তাটি, সেটি আমরা চার থেকে ছয় লেন করবো ইনশাআল্লাহ।’
শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় চকরিয়ায় বাস টার্মিনালে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এয়ারপোর্ট থেকে আসার পথে আমি সালাহউদ্দিন আহমদ সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এই সোজা রাস্তাটা কোথায় গেছে? সালাহউদ্দিন সাহেব বললেন এই রাস্তাটা সোজা চলে গেছে চট্টগ্রামে। আমি তখন তাকে বললাম এই রাস্তা তো আজকে থেকে ২৫ বছর আগে যা দেখে গেছি, আজকেও একই রকম রয়ে গেছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে এই যে সোজা রাস্তাটি চলে গেছে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।’
তিনি বলেন, বলেন, ‘কক্সবাজারের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। মাতারবাড়ি পোর্ট কয়েকদিন পর চালু হবে। আমরা একনেকে পাস করেছি আনোয়ারা-পটিয়া-বাশখালী যে রাস্তাটা, এটিকে আমরা ইনশাল্লাহ বড় করব।’
মাতামুহুরী উপজেলা ও থানা উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে পৌঁছান সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। মঞ্চে উঠে তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান। হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনসভাটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়।
জনসভায় বিলম্বের কারণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেন, ‘অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছেন, তাই না? সেই বিকেলবেলায় আসার কথা। কিন্তু এই যে আপনারা অনেকক্ষণ ধরে যেমন অপেক্ষা করছেন…সেই কক্সবাজার এয়ারপোর্ট থেকে নামার পরে পেকুয়াসহ যেখানে যেখানে গিয়েছি, প্রত্যেকটা জায়গায় আধা মাইল পরপর মানুষ অপেক্ষা করছে। সব মানুষের সঙ্গে একটু হাত নেড়ে আসতে হয়ম তাই না? না হলে তো তাদেরও মন খারাপ হবে। কাজেই এরকম করতে করতে দেরি হয়ে গেল। সকল মানুষের সঙ্গে একটু কথা বলে তাদেরকে হাত নেড়ে আসতে আসতে দেরি হয়ে গেল।’
লবণ চাষী প্রসঙ্গে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই এলাকার বহু মানুষ কৃষক আছেন। কৃষকের মধ্যে অনেকেই আছেন কেউ ধান চাষ করেন, ধানের কৃষক। কেউ মৎস চাষ করেন, মৎস কৃষক। কেউ লবণ উৎপাদন করে লবণচাষী। এই এলাকার বহু মানুষ লবণ চাষে সম্পৃক্ত।’
তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে আমি যখন পত্রিকায় খবরটি পড়লাম যে, লবণচাষী তার উৎপাদিত পণ্যের মূল্য সঠিকভাবে পায় না, তখন আমি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলাম, আপনারা বসেন, বসে বের করেন কিভাবে আমরা কৃষকদের তাদের উৎপাদিত পণ্যের মূল্য সঠিকভাবে দিতে পারি। ইনশাআল্লাহ আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমরা একটি দাম নির্ধারণ করব, যাতে চাষীরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের মূল্য পায়।’







