• ই-পেপার

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজ হ্যাকড, সতর্ক থাকার আহ্বান

ওয়াশিং মেশিন-মাইক্রোওভেন ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ওয়াশিং মেশিন-মাইক্রোওভেন ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

সংসদ সদস্যদের আবাসিক ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা দেওয়ার দাবি ঘিরে জাতীয় সংসদে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্যের উত্থাপিত এ দাবিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ কটাক্ষমূলক মন্তব্য করলে বিষয়টি নিয়ে সংসদে উত্তেজনা দেখা দেয়।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পার্থর বক্তব্যকে সংশ্লিষ্ট সদস্যের জন্য ‘অসম্মানজনক’ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদ সদস্যদের মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেন আন্দালিব রহমান পার্থ। বক্তব্যের শুরুতে পার্থ বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সংসদের অন্যতম ইতিবাচক দিক হলো এখানে স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সংসদের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা শুধু জনপ্রতিনিধিই নন, সংসদেরও প্রতিনিধি। দেশের ভেতরে ও বাইরে তারা সংসদের ভাবমূর্তি বহন করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ‘জামায়াত এমপির ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা দাবি’ শিরোনামের খবরের উল্লেখ করে বলেন, এমন সংবাদ তাকে ব্যক্তিগতভাবে বিব্রত করেছে এবং সংসদের জন্যও অস্বস্তিকর।

বিজেপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের সমস্যা ও দাবি তুলে ধরার জায়গা সংসদ। সেখানে একজন সদস্য যদি ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন বা পর্দা না পাওয়ার বিষয় নিয়ে কথা বলেন, তাহলে সেটি সংসদের মর্যাদার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা ভেবে দেখা দরকার।

একাদশ সংসদে গাড়ি ও প্লট সুবিধা না নেওয়ার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে এমপি পার্থ বলেন, যখন গাড়ি ও প্লটের মতো সুবিধা ত্যাগ করা হয়েছে, তখন কেন সংসদে দাঁড়িয়ে মাইক্রোওভেন বা ওয়াশিং মেশিন নিয়ে আলোচনা করতে হবে?

এ সময় কৌতুকের সুরে আন্দলিব রহমান পার্থ বলেন, যদি ভবিষ্যতে আমার ভাইয়ের মাইক্রোওভেন বা পর্দার প্রয়োজন হয়, আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি মাইক্রোওভেন দিতে প্রস্তুত আছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, তিনি যেন একটি ওয়াশিং মেশিনের ব্যবস্থা করেন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে তাকেও পর্দার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করতাম। তাহলে আমরা মিলে তার সংসার গুছিয়ে দিতে পারতাম।

সংসদে উপস্থিত সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে পার্থর বক্তব্যেও প্রতি সমর্থন জানান। এরপর বিষয়টির ব্যাখ্যা দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। বাজেট অধিবেশনে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সুযোগ থাকে। তিনি নিজের জন্য নয়, সংসদের দেওয়া আবাসিক ভবনে থাকা সব সদস্যের সুবিধার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি, বিষয়টি সংসদে না বললেও হতো। তবে তিনি এমন কোনো গর্হিত অপরাধ করেননি। সংসদ সদস্যদের আবাসনসংক্রান্ত বিষয় দেখভালের জন্য সংসদীয় কমিটি রয়েছে। সেখানে বিষয়টি উত্থাপন করা যেত।

তিনি আরো বলেন, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন বা পর্দা এমন কোনো বড় সুবিধা নয় যে তা নিয়ে সংসদে বড় ধরনের বিতর্ক হওয়া উচিত। এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।

পার্থর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, আপনি যেভাবে একজন সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন, সেটিও তার জন্য অসম্মানজনক হতে পারে। তিনি নিজের জন্য চাননি, সবার জন্য চেয়েছেন। তাই এ নিয়ে বাড়াবাড়ির প্রয়োজন নেই।

এরপর স্পিকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সদস্য সবার জন্য একটি দাবি উত্থাপন করেছিলেন। বিষয়টি সংসদে না তুলে সংশ্লিষ্ট কমিটিতে জানানো যেত।

তবে পার্থর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে গাড়ি, প্লটসহ নানা প্রসঙ্গ টেনে আনা হয়েছে। তিনি একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, কিন্তু নিজেই আবার সবকিছু দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়ে দিলেন। অথচ কেউ তার কাছে কিছু চাননি।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের মানসিকতা এমন হওয়া উচিত নয় যে এখানে দাঁড়িয়ে কারো সম্মানে আঘাত করা হবে। সংসদে পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান সংসদ সদস্যদের আবাসিক ফ্ল্যাটে প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, ফ্ল্যাটগুলোর দরজা-জানালায় এখনো পর্দা লাগানো হয়নি। পাশাপাশি ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন দেওয়ার কথা থাকলেও তা সরবরাহ করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্পিকারের সহায়তা কামনা করেন তিনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই জাতীয় সংসদে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য অতিরিক্ত ১.৪ কোটি ইউরো দেবে ইইউ

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য অতিরিক্ত ১.৪ কোটি ইউরো দেবে ইইউ
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো (প্রায় ২০০ কোটি টাকা) সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। 

বৃহস্পতিবার এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ সহায়তার ঘোষণা দেয়।

সংস্থাগুলো জানায়, ইইউর মানবিক সহায়তা এবং আগের উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি এই অর্থায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সদস্য উপকৃত হবেন। এর আওতায় দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি (এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তাই এখন শুধু জরুরি সহায়তা নয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়ের সুযোগ তৈরির দিকেও নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের এই ১.৪ কোটি ইউরো সহায়তা কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষকে সহায়তা করবে, আর রোহিঙ্গাদের জন্য শিক্ষা ও কাজের দক্ষতা শেখার সুযোগ বাড়াবে। এতে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের মর্যাদা রক্ষা করা, তাদের সক্ষম করে তোলা এবং সুযোগ এলে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে মায়ানমারে ফেরার জন্য প্রস্তুত করা।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের রিপ্রেজেনটেটিভ ইভো ফ্রেইসেন বলেন, গত নয় বছর ধরে চরম দুর্ভোগের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গাদের পাশে থাকার জন্য আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই সহায়তা তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সেবা পাওয়া, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প, সীমিত সম্পদ এবং দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের কারণে রোহিঙ্গারা অনেক ঝুঁকিতে আছেন। ক্যাম্পে নিরাপদ আশ্রয়, পর্যাপ্ত আলো, কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং সহজে অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকা জরুরি, যাতে শরণার্থীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা পায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, মানবপাচার এবং শোষণের ঝুঁকিতে বেশি থাকেন।

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের ফলে নারী ও শিশুদের জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে বাইরে যেতে হয় না, ফলে তাদের নিরাপত্তা বাড়ে। একই সঙ্গে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বন উজাড়ের চাপ কমায়। পাশাপাশি, জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো জরুরি, যাতে শরণার্থীরা সাহায্যের ওপর কম নির্ভর করেন এবং নিজের জীবনে নিজের ভূমিকা ও লক্ষ্য খুঁজে পান।

এতে বলা হয়, আগামী ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসের ঠিক আগে এই সহায়তা ঘোষণা করা হলো।  এ দিবসটি সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে নিজ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়া মানুষের দৃঢ়তা ও শক্তিকে সম্মান জানানোর সুযোগ করে দেয়। পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত এবং আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক সহায়তাকারী, যারা মানুষের সক্ষমতা বাড়ানো ও টেকসই সমাধানে জোর দেয়। জরুরি সেবা চালু রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদার সহায়তা এখনো অনেক প্রয়োজন।

এতে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ২০২৫-২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা (জেআরপি) বাস্তবায়নে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ সরকার, মানবিক সংস্থা এবং দাতাদের সঙ্গে কাজ করছে। চলতি বছরে এই পরিকল্পনার জন্য ৭১ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন, যাতে নতুন আগতসহ ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জরুরি চাহিদা পূরণ করা যায় এবং তারা নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।

ঢাকার সব রুটে আলাদা কম্পানি দিয়ে বাস পরিচালনা করা হবে : সড়কমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার সব রুটে আলাদা কম্পানি দিয়ে বাস পরিচালনা করা হবে : সড়কমন্ত্রী

ঢাকার প্রতিটি রুটে বাস মালিকদের নিয়ে আলাদা কম্পানি গঠন করে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। 

তিনি বলেন, নির্দিষ্ট মান, একই রং, ফিটনেস ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে বাস পরিচালনা করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইলেকট্রিক যানবাহনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে অনেক দূর অগ্রগতি হয়েছে। কোন রুটে কোন কম্পানি পরিচালনা করবে, তা নির্ধারণেও বাস মালিকরা কাজ করছেন।

তিনি বলেন, বাস নির্দিষ্ট রুটে চলবে, নির্ধারিত টার্মিনাল ও স্টপেজে থামবে এবং সেখান থেকেই যাত্রী ওঠানামা করবে। বর্তমানে যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার যে অনিয়ম চলছে, তা আর চলতে দেওয়া হবে না।

মন্ত্রী জানান, ঢাকায় একই রুটে বিভিন্ন মালিকের বাস আলাদাভাবে পরিচালিত হওয়ায় অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। এতে বাসগুলো নির্দিষ্ট টার্মিনালে না থেমে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট ও বিশৃঙ্খলা বাড়ে। এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে।

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা বাস কাউন্টারগুলো ঈদের আগে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হলেও যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিআরটিএ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা বৈঠকে এ সময়সীমা আরো এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রীবান্ধব পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। তাই টয়লেট, সচল ফ্যান, বড় ওয়েটিং রুমসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনকে দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বাস মালিকরাও উন্নত পরিবেশ ও জায়গা পেলে নিজেদের উদ্যোগে টার্মিনালে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সম্মত হয়েছেন। অন্যদিকে, মেট্রোপলিটন পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপ সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

পে স্কেল বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে বৈঠক শেষ, এলো যে সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে বৈঠক শেষ, এলো যে সিদ্ধান্ত

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। নতুন এই পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন কৌশল চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে,  নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আরো কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ ধারাবাহিকতার পরবর্তী বৈঠক আগামী ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির এ বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, সচিব কমিটির পর্যবেক্ষণ, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রস্তাব এবং সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা গেছে। জুলাই থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজ হ্যাকড, সতর্ক থাকার আহ্বান | কালের কণ্ঠ