• ই-পেপার

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত আর্জেন্টাইন তারকা

বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা
ছবি : এআই

ফুটবল বিশ্বকাপের অধিকাংশ রেকর্ডে নাম রয়েছে ব্রাজিলের। এই যেমন একমাত্র দল হিসেবে সব বিশ্বকাপে খেলা কিংবা সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এমন ইতিবাচক রেকর্ডে নিজেদের নাম দেখতে সবারই ভালো লাগে। উল্টোটায় কেউই দেখতে চায় না।

ব্রাজিল যেমন নিচের বিব্রতকর রেকর্ডটিতে নিজেদের নাম দেখতে চায় না। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখেছে সেলেসাওরা। উইনস্পোর্টস অনলাইনের তথ্য মতে, তাদের নামের পাশে লাল কার্ড রয়েছে ১১টি।

দুইয়ে আছে ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। আলবিসেলেস্তারা অবশ্য একা নয়, তাদের সঙ্গী ক্যামেরুন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুদলই সমান ৯টি কার্ড দেখেছে। ঠিক পরেই আছে ৮ টি করে কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও উরুগুয়ে। ৭ টি করে লাল কার্ডে যৌথভাবে চারে আছে জার্মানি-মেক্সিকো। বিপরীতে পাঁচে থাকা ফ্রান্স-পর্তুগাল লাল কার্ড দেখেছে ৬টি করে।

অন্যদিকে হলুদ কার্ডে সবার শীর্ষে আর্জেন্টিনা। তাদের ধারেকাছে নেই অন্যরা। ১৩৪ কার্ড দেখা তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছাকাছি যে দলটি তারা হচ্ছে জার্মানি। তাদের নামের পাশে হলুদ কার্ড ১১৮টি। ব্রাজিল দেখেছে ১১১টি। ১০৩ কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডসের বিপরীতে পাঁচ নম্বরে আছে ইতালি। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ইতালির কার্ড ৯০টি।

ফেভারিট হিসেবে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স থেকে পিছিয়ে ব্রাজিল—দানিলো

ক্রীড়া ডেস্ক
ফেভারিট হিসেবে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স থেকে পিছিয়ে ব্রাজিল—দানিলো
ছবি: এএফপি

গত সপ্তাহে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। দলের এমন ভয়াবহ সূচনা হলেও সামনের ম্যাচে পারফরম্যান্সে উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন দানিলো। 

শুক্রবার হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফ্লামেঙ্গোর ৩৪ বছর বয়সী ডিফেন্ডার বলেন, ‘এটা ভয় ধরিয়ে দেওয়ার মতো ছিল, কারণ সবাই বড় একটি পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা করছিল। যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু হয় না, তখন তা মেনে নেওয়াও সহজ নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ভারসাম্য খুঁজে বের করতে হবে। আমরা কৌশলগত এবং মানসিক দুই দিক থেকেই ভারসাম্যহীন ছিলাম।’

ব্রাজিল বর্তমানে আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্সের মতো ফেভারিট থেকে এক ধাপ পিছিয়ে আছে বলেও স্বীকার করেছেন দানিলো। তবে তাই বলে সেলেসাওদের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলেই মনে করেন তিনি।

‘আমাদের পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে যে দল হিসেবে ফ্রান্স বা আর্জেন্টিনার যে পরিপক্বতা আছে, আমরা এখনো সেই জায়গায় পৌঁছাইনি। তবে এর মানে এই নয় যে আমরা ভালো খেলতে পারব না, ম্যাচ জিততে পারব না বা অনেক দূর যেতে পারব না,’ বলেন দানিলো।

ব্রাজিলের জার্সিতে ষষ্ঠ তারকা যোগ করার স্বপ্নও লুকাননি অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার। তার ভাষায়, ‘যদি আমরা জার্সিতে আরেকটি তারকা যোগ করতে পারি, সেটি হবে অসাধারণ।’

বোস্টন মাতিয়ে রেখেছে স্কটিশ ‘টার্টান আর্মি’

ক্রীড়া ডেস্ক
বোস্টন মাতিয়ে রেখেছে স্কটিশ ‘টার্টান আর্মি’
ছবি : মালায়ামেইল

দীর্ঘ ৩০ বছর পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনে বোস্টন শহরজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে টার্টান আর্মি। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার স্কটিশ সমর্থক ম্যাসাচুসেটসে এসে জড়ো হয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও বাঁশি বাজিয়ে পুরো বোস্টন মাতিয়ে রেখেছেন তারা।

প্রথম ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ১-০ গোলে ঐতিহাসিক জয়ে স্কটিশ সমর্থক বোস্টনের ঐতিহ্যবাহী বেসবল স্টেডিয়াম ফেনওয়ে পার্ক অভিমুখে বিশাল বিজয় র‍্যালি করেন। সেখানে তারা তাদের জাতীয় সংগীত ‘ফ্লাওয়ার অব স্কটল্যান্ড’ গাইতে থাকেন। সেই সঙ্গে বারগুলোতে সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ে অতিরিক্ত বিয়ার পানে স্টক শেষ করে ফেলেন সমর্থকরা।

স্কটিশদের এই শান্তিপূর্ণ এবং আনন্দঘন উদযাপন বোস্টনের স্থানীয় বাসিন্দাদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। শহরের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখার পাশাপাশি তাদের ইতিবাচক ও বন্ধুসুলভ আচরণ বোস্টনবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন তারা।

এতে বোস্টনের নর্থ এন্ডের ৫৪ বছর বয়সী বাসিন্দা কারা ডি বেনেদেত্তো বলেন, আরে, ওরা তো অসাধারণ। ওদেরকে শহরটা উপভোগ করতে দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে’।

এটা বোস্টনের প্রতি আমাদের ভালোবাসাটা যেন নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে বলে যোগ করেন তিনি। 

আগামী শুক্রবার মরক্কোর বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্কটিশরা। সেইদিনই সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

কানাডায় খেলতে পারবেন না বিশ্বকাপের আগে গ্রেপ্তার হওয়া আইভরি কোস্টের স্ট্রাইকার

ক্রীড়া ডেস্ক
কানাডায় খেলতে পারবেন না বিশ্বকাপের আগে গ্রেপ্তার হওয়া আইভরি কোস্টের স্ট্রাইকার
কানাডায় ওয়াহিকে বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি দেয়নি দেশটির সরকার। ছবি : রয়টার্স

জয় দিয়ে বিশ্বকাপের অভিযান শুরু করেছে আইভরি কোস্ট। তবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জয়ের সুখস্মৃতি উপভোগ করার মাঝেই দুঃসংবাদ শুনতে হয়েছে তাদের। দলের স্ট্রাইকার এলি ওয়াহিকে জার্মানির বিপক্ষে পাচ্ছে না তারা। ম্যাচে তার একটি শট বারে না লাগলে গোলও পেতেন ওয়াহি।

ওয়াহিকে না পাওয়ার কারণ কোনো চোট নয়, তাকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি দেশটির সরকার। অগত্যা ২৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে রেখেই ম্যাচের ভেন্যুর শহর টরেন্টোয় পৌঁছেছে কানাডা দল। আগামী ২১ জুন ম্যাচটি হবে।

কি কারণে ওয়াহিকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি সেটা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে তার পুরনো ঘটনা নতুন করে সামনে এসেছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওয়াহি। লিগ আঁ’তে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নিসের ফরোয়ার্ড। সেই ঘটনাটি এবার সামনে এসেছে। সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’ বিষয়টি সামনে এনেছে।

দ্য অ্যাথলেটিক তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে বিশ্বকাপ শুরুর দুই সপ্তাহ আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওয়াহি। গত ১৮ মে মেটজের বিপক্ষে ইচ্ছাকৃতভাবে ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন নিসের ফরোয়ার্ড। পরে রেলিগেশন ম্যাচে কার্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে সাঁ এতিয়েনের বিপক্ষে খেলতে পারেননি তিনি। তাতে সন্দেহ হয় ম্যাচ ফিক্সিং, আর্থিক লেনদেন জড়িত আছেন তিনি।

সেই অভিযোগে ওয়াহিকে ২৯ মে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে অবশ্য জিজ্ঞাসাবাদের পর ছাড়া পান। অন্যথা, বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারতে না তিনি। ছাড়া পেলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফ্রান্স পুলিশ।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে পারলেও এবার কানাডায় বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে পারছেন না ওয়াহি। কানাডায় ঢুকতে না পারা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় খেলোয়াড় তিনি। তার আগে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন ঘানার মিডফিল্ডার থমাস পার্টি। আর্সেনালের সাবেক খেলোয়াড়কে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি কানাডার সরকার। তার বিরুদ্ধে ৪ জন নারী সবমিলিয়ে ৭টি ধর্ষণ ও একটি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন।