• ই-পেপার

মায়ানমারে জরুরি ত্রাণের দ্বিতীয় চালান পাঠাল বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরছেন বৃহস্পতিবার

অনলাইন ডেস্ক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরছেন বৃহস্পতিবার

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই দিনে তার সঙ্গে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টাও।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

আরো পড়ুন
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ি সাক্ষাৎ

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ি সাক্ষাৎ

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে দেশে ফিরে জাতিসংঘে তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারেন।

আরো পড়ুন
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপসাগরীয় ৩ দেশের মন্ত্রীর ফোনালাপ

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপসাগরীয় ৩ দেশের মন্ত্রীর ফোনালাপ

 

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

জ্বালানি তেলের সাশ্রয়ে নতুন নির্দেশনা সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
জ্বালানি তেলের সাশ্রয়ে নতুন নির্দেশনা সরকারের

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি তেলের সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সরকারি সভা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমিয়ে সরকারি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন, কার্যকর ও গতিশীলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও মাঠ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ কর্তৃক আয়োজিত সভা, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুক্ত করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে জেলা পর্যায় থেকে এবং জেলা পর্যায়ের কর্মসূচিতে উপজেলা পর্যায় থেকে অংশগ্রহণকারীদের যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত কমবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে মনে করছে সরকার।

প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, বিশেষ প্রয়োজনে সরাসরি সভা, কর্মশালা বা প্রশিক্ষণের আয়োজন করা যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতা বিবেচনায় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে।

এদিকে, একই বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল জারি করা পূর্ববর্তী একটি সার্কুলার এ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে জ্বালানি সাশ্রয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারি ব্যয় কমবে, অন্যদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরো দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সাবেক এমপি এ কে এম রহমাতুল্লাহ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক এমপি এ কে এম রহমাতুল্লাহ মারা গেছেন
এ কে এম রহমাতুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা গেছেন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার ফেসবুক পোস্টে তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আজ বুধবার বাদ আসর বেরাইদে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

সদ্য প্রয়াত একাধিকবারের সংসদ সদস্য রহমাতুল্লাহ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

ঋণের ফাঁদে উন্নয়ন বাজেট

গত পাঁচ অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক ঋণ-অনুদাননির্ভরতা বেড়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ পরিস্থিতি উত্তরণে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করে নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের

অনলাইন ডেস্ক
ঋণের ফাঁদে উন্নয়ন বাজেট

সরকারের উন্নয়ন বাজেটে ঋণনির্ভরতা বাড়ছে। প্রতি বছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিশাল আকারের বরাদ্দ রাখা হয়। এডিপিতে অসংখ্য প্রকল্পও নেওয়া হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় তার অন্তত ৩৫ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা থেকে আসবে বলে পরিকল্পনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশি অর্থায়নের অভাবে বড় বড় বিদেশি ঋণও নেওয়া হয়। পরে চড়া সুদে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হয় দীর্ঘমেয়াদে। এতে প্রতি বছর সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি এক ধরনের ঋণের ফাঁদে আটকে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। যার ফলস্বরূপ প্রতি বছর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও বাড়ছে অব্যাহতভাবে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করে নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে জোর দেওয়ার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। আবার কখনো কখনো অর্থাভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানান কারণে সেগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় কিংবা দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়। তখন সংশোধিত বাজেটে এডিপির আকার কমিয়ে আনা হয়। প্রত্যাশিত বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণ না মিললে সে লক্ষ্যমাত্রায়ও ছুরি চালানো হয়। এতে বছরের শুরুতে বিশাল আকারের এডিপি নিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখানো হলেও বাস্তবে তা আর চূড়ান্ত রূপ নেয় না। যা অযাচিত বাধা হিসেবে দেখা দেয় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে। অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৮৬ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে মূল এডিপিকে কাটছাঁট করে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

বাজেট সংশোধনের সময় বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৭২ হাজার কোটি টাকা। একইভাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অনুমোদিত এডিপির আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা, যার মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে এবং ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে বলে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন সক্ষমতার উন্নতি হবে বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন।

জানা গেছে, গত পাঁচ অর্থবছরে সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক ঋণ-অনুদাননির্ভরতা অনেকটা বেড়েছে। কমেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদের ব্যবহারের হার। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মোট বরাদ্দের মধ্যে প্রকল্প ঋণ-অনুদান হিসেবে বরাদ্দ ছিল ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ অর্থ। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ হার বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে শুধু ২০২২-২৩ অর্থবছর সংশোধিত এডিপির মোট বরাদ্দের মধ্যে প্রকল্প ঋণ-অনুদান হিসেবে বরাদ্দ অর্থের হার আগের অর্থবছরের তুলনায় সামান্য কমেছিল। এ ছাড়া বাকি চার অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান গ্রহণের এই হার বেড়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে এটি ছিল মোট বরাদ্দের ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর পরের অর্থবছরের এটি আবার বাড়ে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ হার বেড়ে হয় ৩২ দশমিক ৮২ শতাংশ।

পরের অর্থবছরে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও এটা প্রায় ৩৭ শতাংশের কিছুটা বেশি। অন্যদিকে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ সম্পদের হার কিছুটা কমেছে। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে মোট বরাদ্দের ৬৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দেওয়া হয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ হার কমে হয়েছে ৬৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের মতো দেশগুলোর নিজস্ব সম্পদ খুবই সীমিত। এ ছাড়া আমাদের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ খুবই কম। যদিও আমাদের কাছাকাছি অর্থনীতির অনেক দেশের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও ভালো। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের বিদেশি ঋণ ও সহায়তার দিকে নির্ভর করতে হয়। সেটা আবার ঋণের বোঝা বাড়ায়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে নিজেদের সম্পদ বাড়াতে হবে। একইভাবে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন