• ই-পেপার

গাড়িবহরের টাকার উৎস জানালেন সারজিস আলম

নতুন পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় পে স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত সচিব কমিটি আজ বুধবার আবার বৈঠকে বসছে। বহুল আলোচিত এ বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামোর সম্ভাব্য রূপরেখা, আর্থিক প্রভাব ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ এক দশক ধরে ২০১৫ সালের পে স্কেল কার্যকর থাকায় নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেল নির্ধারণে তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির প্রভাব, বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বেতনবৈষম্য এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা। গত কয়েক বছরে খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ফলে বেতনকাঠামো পুনর্বিন্যাসের দাবি জোরালো হয়েছে।

জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং পুরো বেতনকাঠামোকে আরো যুগোপযোগী ও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে, বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বাস্তবসম্মত করা, পদোন্নতির সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশ সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলও নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আইএমএফকে জানিয়েছেন যে নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা করা হচ্ছে, যাতে একবারে বড় আর্থিক চাপ তৈরি না হয়। আইএমএফ মূলত জানতে চেয়েছে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ফলে সরকারের ব্যয় কত বাড়বে এবং তা কিভাবে সামাল দেওয়া হবে। 

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় আইএমএফ বাংলাদেশকে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটি মনে করে, স্থায়ী রাজস্বভিত্তি শক্তিশালী না করে বড় ধরনের ব্যয় বৃদ্ধি দীর্ঘ মেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে তারা ধাপে ধাপে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছে।

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব, আজ রাষ্ট্রীয় শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব, আজ রাষ্ট্রীয় শোক
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি। ছবি: সংগৃহীত

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর স্মরণে আজ বুধবার দেশব্যাপী অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালন এবং জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দিলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। সংসদে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শোক প্রস্তাবটি কাতার সরকার এবং ঢাকায় কাতার দূতাবাসে পাঠানো হবে। শোক প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সদস্য শামীম কায়সার মোনাজাত পরিচালনা করেন।

১২ জুলাই ৭৪ বছর বয়সে মারা যান কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি। ১৯৯৫ সালে ক্ষমতায় এসে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতার শাসন করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে জ্বালানিসমৃদ্ধ দেশটি ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাবশালী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ কারণে তাঁকে আধুনিক কাতারের অন্যতম স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শেখ হামাদ বর্তমান কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির পিতা।

কাতারে গেছেন স্পিকার : এদিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। স্পিকার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং আধুনিক কাতারের স্থপতি হিসেবে পরিচিত সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন স্পিকার।

এলডিসি উত্তরণ ও এসডিজি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের জোরালো সহযোগিতা চাইলেন উপদেষ্টা তিতুমীর

অনলাইন ডেস্ক
এলডিসি উত্তরণ ও এসডিজি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের জোরালো সহযোগিতা চাইলেন উপদেষ্টা তিতুমীর

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের টেকসই ও নির্বিঘ্ন উত্তরণ, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং সরকারের বর্তমান সংস্কার কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের আরো জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সংস্থাটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে পৃথক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

ড. তিতুমীর বৈঠক করেন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিকবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল লি জুনহুয়া, জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন-এসক্যাপ) নির্বাহী সচিব ও আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং সহকারী মহাসচিব ও ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক কান্নি উইথারাজার সঙ্গে।

আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং ইউএন ডেসার প্রধান লি জুনহুয়ার সঙ্গে বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতেই এই সময় বৃদ্ধির অনুরোধ করা হয়েছে।

লি জুনহুয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় ইউএন ডেসার অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া সফল ও টেকসই করতে দেশটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসাহবানার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে প্রাপ্ত গণরায় সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহিমূলক সুশাসন এবং জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি সরকারের ৩ আর কৌশল অর্থাৎ- রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর এক্সিলারেশনের কথা তুলে ধরে বলেন, এই কৌশল অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসাহবানা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ, আঞ্চলিক সংযোগ এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে ইউএন-এসক্যাপের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সরকারের সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক ও সহকারী মহাসচিব কান্নি উইগ্গারাজার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর গণতান্ত্রিক সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে কান্নি উইথারাজা এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ইউএনডিপির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।

খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত
প্রতীকী ছবি

দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণ সমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং কর্মক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ন্যূনতম আট বিঘা জমি চিহ্নিত করে খেলার মাঠ সংস্কার, উন্নয়ন বা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপন, উন্মুক্ত স্থানের সংকোচন এবং অতি-নগরায়ণের ফলে মাঠভিত্তিক ক্রীড়া কার্যক্রম ক্রমশ সীমিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে একদিকে যেমন শিশু-কিশোরদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে মাদকাসক্তি, অপরাধপ্রবণতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানান, খেলাধুলার সার্বিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত মাঠের প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে ইতিমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন স্বয়ং প্রতিমন্ত্রী। এই কমিটিতে স্থানীয় সরকার ও গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রীসহ ১২ জন সচিব রয়েছেন। তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঢাকাসহ সারা দেশে মাঠ সংরক্ষণ, সংস্কার এবং নতুন খেলার মাঠ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিটি সংসদ সদস্যকে নিজ নিজ এলাকায় অন্তত আট বিঘা জমি নির্ধারণের জন্য আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেওয়া হয়েছে, যেখানে তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে।

আন্ত মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ ‘কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ’ হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও-কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে ভূমি একটি সীমিত জাতীয় সম্পদ হওয়ায় সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যেসব ইউনিয়নে বর্তমানে কোনো খেলার মাঠ নেই, সেখানে ভবিষ্যতে মাঠ প্রতিষ্ঠার জন্য কোনোভাবেই কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না। কৃষি জমি রক্ষা করে ইউনিয়নের অধিভুক্ত এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে বা গ্রোথ সেন্টারের নিকটবর্তী স্থানে সরকারি খাসজমি হতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ন্যূনতম আট বিঘা জমি চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, তৃণমূলের এই উদ্যোগের পাশাপাশি আগামী অর্থবছরে দেশের আটটি বিভাগ এবং ফরিদপুর ও কুমিল্লাসহ মোট ১০টি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। প্রস্তাবিত এসব স্পোর্টস ভিলেজে ইনডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, আর্চারি, শুটিং ও ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলার অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

শিশু-কিশোরদের মানসম্মত শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সরকার ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করেছে এবং চতুর্থ শ্রেণি হতে পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এই ক্রীড়াবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ এবং আধুনিক স্পোর্টস ভিলেজগুলো বড় ভূমিকা রাখবে। এই সমন্বিত উদ্যোগ সফল হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ সহজ হবে, যা ভবিষ্যতে একটি স্বাস্থ্যবান, সুশৃঙ্খল ও উৎপাদনশীল জাতি গঠনে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গাড়িবহরের টাকার উৎস জানালেন সারজিস আলম | কালের কণ্ঠ