• ই-পেপার

উন্নত চিকিৎসা নিতে চীন গেল বাংলাদেশি রোগীদের প্রথম দল

অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অল্প সময়ের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে একটি জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স, ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় যুব সংগঠন ইয়াং ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ইউক্যান)। সহযোগিতায় ছিল পরিবেশ অধিদপ্তর। সমর্থন দেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। অংশীদার ছিল নিরাপদ অ্যালায়েন্স।

বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সমন্বিত নীতি ও কার্যকর অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়নকর্মীরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তবে সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। পানি নিরাপত্তা, নদী ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে দেখতে হবে।

তিনি জানান, নদী পুনরুদ্ধার, খাল খনন, নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। এসব উদ্যোগ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো নিরাপদ ভিত্তি গড়ে তুলবে।

ফারাক্কা চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়া পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সংকট নিরসনে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তরুণদের ভূমিকাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী হওয়ার পাশাপাশি তরুণরা এখন সমাধানেরও অংশ। তরুণদের কণ্ঠই জলবায়ু মোকাবেলা করতে পারবে।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক শওকত আলী বলেন, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এখন প্রয়োজন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়।

তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে অতিথি বক্তা অনুসন্ধানী সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মানুষের ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

ইউক্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, জলবায়ু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ জলবায়ু নেতারা অংশ নেন।

আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু ঝুঁকির পরিবর্তিত চিত্র। গুরুত্ব পায় পানি সংকট, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলবায়ু অর্থায়ন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন বক্তারা।

আলোচকদের মতে, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম। তবু জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ মানুষ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করে। এ কারণে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। প্রয়োজন জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ বৃদ্ধি। পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু সহনশীলতা ও পানি নিরাপত্তা জোরদারে সমন্বিত নীতিগত অবস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বাস্তবায়নগত বাধা দূর করার সুপারিশ করেন। আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান। জলবায়ু অর্থায়নের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেন।

আয়োজকেরা জানান, বৈঠকের আলোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতে একটি ‘পলিসি কনসেনসাস স্টেটমেন্ট’ প্রস্তুত করা হবে। পরে তা নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি ড. এরশাদ হুসাইন রানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি ড. এরশাদ হুসাইন রানা

ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিআইএফবি) ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. এরশাদ হুসাইন রানা। তিনি ডন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষে নতুন পরিচালনা পর্ষদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। এ সময় দুই বছরের জন্য নতুন নেতাদের নির্বাচন করা হয়।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এক্সপো হোল্ডিংস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক এম. এ. রিয়াজ এবং আই লজিস্টিকস (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার। একই মেয়াদের জন্য কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাবিস্তা এফএস লিমিটেডের ফারজানা চৌধুরী।

চেম্বারের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদে নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও করপোরেট ব্যক্তিত্বরা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাদাত আহমেদ, আখতার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দাতো কে. এম. রিফাতুজ্জামান, বাংলাদেশ এক্সপোর্টস লিমিটেডের মার্কেটিং পরিচালক বদরিয়া আনিস, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরী, বেঙ্গল এয়ারলিফট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ রহমান, এলিট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শরীফ আজিজ, ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসাদুল ইসলাম, নোভো কার্গো সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. রহমান, প্যাসিফিক ডিজাইন অ্যান্ড সোর্সিংয়ের সিইও মোহাম্মদ রাশেদ, রেডিয়েন্ট করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এস. এ. বাহাদুর, তাশো এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালিমুল হক এসা, ইউনিগ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল ইসলাম পারভেজ এবং ইউটাহ নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক সানা সাত্তার।

এজিএম-পরবর্তী বোর্ড ট্রানজিশন অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে চেম্বারের সদস্য, ব্যবসায়ী ও অতিথিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সিসিআইএফবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ পুলিশের পাঁচজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সংযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রাজিবুল হাসানকে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে এপিবিএনে, নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকারকে সিআইডিতে, পুলিশ সদরদপ্তরে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাওয়াত হোসেনকে পাবনায়, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হামায়ুন কবিরকে সুনামগঞ্জের দিরাই সার্কেলে এবং পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকায় সংযুক্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসানকে র‌্যাবে বদলি করা হয়েছে।

জাতীয় আরবান ডিজাইন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় আরবান ডিজাইন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ঘোষণা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা করে আরো পরিবেশবান্ধব, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘কার্বন কনিওস আরবান ডিজাইন আইডিয়া কম্পিটিশন ২০২৬’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস) ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। 

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তরুণ স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদদের উদ্ভাবনী ধারণায় উঠে এসেছে আগামী দিনের জলবায়ু-সংবেদনশীল ও টেকসই ঢাকার রূপরেখা।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এবং জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড)-এর অর্থায়নে ইউএনওপিএস, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি), ইউএন-হ্যাবিট্যাট এবং রাজউকের যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে টেকসই উপকরণের মাধ্যমে বিল্ট এনভায়রনমেন্টের রূপান্তর’ প্রকল্পের আওতায় প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়।

টেকসই নগর উন্নয়নের জন্য উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জলবায়ু-সচেতন ডিজাইনের মাধ্যমে গণপরিসরকে নতুনভাবে কল্পনা করার আহ্বান জানানো হয়।

অংশগ্রহণকারীরা বাস্তুতান্ত্রিক পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, স্বল্প-কার্বন উপকরণ ব্যবহার, পানি-সংবেদনশীল নগর পরিকল্পনা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিসরের সমন্বয়ে বিভিন্ন নকশা ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা, প্রকৌশল ও টেকসই উন্নয়ন খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জমা পড়া মোট ৩৬টি প্রস্তাবনা মূল্যায়ন করে। বিচারকদের মতে, অংশগ্রহণকারী দলগুলো অসাধারণ সৃজনশীলতা, কারিগরি উৎকর্ষতা এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর, স্থিতিশীল ও জনকেন্দ্রিক নগর পরিবেশ নির্মাণের কার্যকর ধারণা তুলে ধরেছে।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) টিম বার্ন/ব্রেথ। তাদের ‌‘দ্য রিসিডিং মেমব্রেন’ শীর্ষক প্রস্তাবনায় একটি অব্যবহৃত জলাশয়কে পরিবেশগতভাবে পুনরুদ্ধার করে সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিসরে রূপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়, যা বিচারকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। একই প্রকল্প ‘এক্সিলেন্স ইন প্রেজেন্টেশন অ্যাওয়ার্ড’-ও অর্জন করেছে।

দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে চুয়েটের টিম ইউনিট ফাইভ তাদের ‘স্ট্রার্ট এট : অন আরবান স্কেপ দ্যাট রিটার্ন ওয়াটার টু আর্থ’ শীর্ষক প্রস্তাবনার জন্য। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) টিম ওয়েস্ট লাইন, তাদের ‘মেমোরিজ অব বেঙ্গল : অ্যান ইকোলজি অব বিলংগিং ইন দ্য আরবান ফ্যাব্রিক’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে।

এ ছাড়া বিষয়ভিত্তিক বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে তিনটি দল। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির টিম ভ্যানগার্ড আরবানিস্টস অর্জন করেছে ‘লো কার্বন পাবলিক স্পেস ওয়ার্ড', খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ছায়া পেয়েছে ‘ক্লাইমেট রেজিলেন্ট অ্যান্ড ডিজাস্টার-রেডি পাবলিক স্পেস ওয়ার্ড’ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাস্ট) টিম অরণ্যক অর্জন করেছে ‘ইনক্লুসিভ এন্ড একসেসিবল পাবলিক স্পেস অ্যাওয়ার্ড’।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বিজয়ী দলগুলোর মধ্যে মোট ১০ লাখ টাকা পুরস্কার বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি এসব উদ্ভাবনী ধারণা ভবিষ্যতে জলবায়ু-সহনশীল, স্বল্প-কার্বন এবং সম্পদ-সাশ্রয়ী নগর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সব দলকে অভিনন্দন জানিয়ে আয়োজকরা বলেন, তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী নকশা বাংলাদেশের টেকসই নগর উন্নয়নের ভবিষ্যতকে আরো সমৃদ্ধ করবে।

রাজউকের চেয়ারম্যান এবং ইউএনওপিএস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জমাকৃত প্রস্তাবনাগুলোর উচ্চমানের প্রশংসা করে দেশের টেকসই নগর উন্নয়ন কর্মসূচিতে এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

উন্নত চিকিৎসা নিতে চীন গেল বাংলাদেশি রোগীদের প্রথম দল | কালের কণ্ঠ