• ই-পেপার

ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি ড. এরশাদ হুসাইন রানা

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল

অনলাইন ডেস্ক
ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুন সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বহির্ভূতভাবে একজন সদস্যের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়েছিল। একই সভায় পুনরায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা ছিল বিধিবহির্ভূত। তাই নিয়োগ অনুমোদন করা যায় না।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ৯২তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেওয়া আজীবন নিয়োগটি বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে ওই সভার তারিখ থেকে  ইমেরিটাস অধ্যাপক পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত বেতন-ভাতাদিও ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শুক্রবার

অনলাইন ডেস্ক
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শুক্রবার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় তারা সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায়, অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন, বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরো সুসংহত করার লক্ষ্যে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবেন, ইনশাআল্লাহ।

আগামীতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বহুমাত্রিক ক্ষেত্রে আরো গভীর হবে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, কৌশলগত সহযোগিতা থেকে শুরু করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান এবং উন্নয়ন প্রকল্প থেকে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আমরা মনে করি।

গোলটেবিল বৈঠকে বিশিষ্টজনরা

ভূমিহীনদের খাসজমি বন্দোবস্তে সরকারের সদিচ্ছা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভূমিহীনদের খাসজমি বন্দোবস্তে সরকারের সদিচ্ছা জরুরি

দেশে বন্দোবস্তযোগ্য খাসজমি থাকা সত্ত্বেও ভূমিহীন মানুষেরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হচ্ছেন উল্লেখ করে অবিলম্বে খাসজমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম শুরু এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, ভূমিহীনদের খাসজমি প্রদানে সরকারের আন্তরিকতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছাই সবচেয়ে জরুরি। বর্তমান সরকারকে সেই সদিচ্ছা দেখাতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) আয়োজিত ‘ভূমি সুশাসন ও ভূমিতে প্রান্তিক মানুষের অধিকার : চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলা হয়। এএলআরডির চেয়ারপারসন খুশী কবিরের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।

তিনি খাসজমি বণ্টন ও ভূমি সুশাসন নিশ্চিত করতে ১৪ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে খাস কৃষিজমি বণ্টন কার্যক্রম শুরু, খাসজমি বন্দোবস্তে নারীর ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক শর্ত বাতিল, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, ভূমিহীনদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি, চরের জমি ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, নগর দরিদ্রদের আবাসন নিশ্চিত করা এবং ভূমি দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকে পৃথক সেল গঠন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আজও অবহেলিত। অথচ ভূমিদস্যুরা সব সময় রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগ নেয়। অতীতে বিভিন্ন সরকার ক্ষমতায় এলেও প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব বন্ধ হয়নি। অন্যদিকে বহু ভূমিহীন পরিবার ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে খাসজমিতে বসবাস করেও বন্দোবস্ত পায়নি।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জমি দখলের প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা। তিনি বলেন, ভূমিহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট উদ্বাস্তু সংকটকেও ভূমি অধিকারের আলোচনায় যুক্ত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে খুশী কবির বলেন, দেশে ভূমি ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে এবং অধিকাংশ মামলা ভূমি সংক্রান্ত। ভূমি আইন, নীতিমালা ও বিধি সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সংগঠিত হয়ে ন্যায্য অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হতে হবে।

তিনি বলেন, ভূমি ও কৃষি সংস্কার আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে নাগরিক সমাজ, শিক্ষক, রাজনৈতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ভূমিহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

আলোচনায় অংশ নেওয়া পটুয়াখালী, ভোলা ও সাতক্ষীরার ভূমিহীন সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে খাসজমিতে বসবাস ও আবেদন করার পরও তারা বন্দোবস্ত পাচ্ছেন না। উল্টো স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও কিছু ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজশে হয়রানি, মামলা ও হুমকির শিকার হচ্ছেন। তারা ভোলায় ২০২৪ সালে এক ভূমিহীন নারী নেত্রী হত্যার ঘটনাও তুলে ধরেন।

কাল পবিত্র আশুরা

অনলাইন ডেস্ক
কাল পবিত্র আশুরা

আগামীকাল শুক্রবার পবিত্র আশুরা। হিজরি ১৪৪৮ সনের মহররম মাসের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ববহ এবং একই সঙ্গে গভীর শোকের দিন।

৬১ হিজরির ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে ১০ মুহররম এই আশুরার দিনে বিশ্বমানব সভ্যতার ইতিহাসে এক নিদারুণ মর্মান্তিক ও বিয়োগান্ত ঘটনা সংঘটিত হয়েছিলো ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে। ইসলামের ইতিহাসে এ দিনটি নানা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার স্মারক হলেও কারবালার মর্মন্তুদ ঘটনা পবিত্র আশুরাকে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.), তাঁর পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সঙ্গীরা হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম ইরাকের কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদের বাহিনীর বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামের প্রকৃত আদর্শ, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁদের এই আত্মত্যাগ ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। 

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বাণীতে পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা ধারণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ মাহফিল, কোরআনখানি, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। শিয়া সম্প্রদায় দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে পালন করবে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাজিয়া মিছিল, শোকসভা ও ধর্মীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 

ইসলামি চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেছেন, কারবালার ঘটনা কেবল একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নয়, এটি অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিরোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সত্য ও ন্যায়ের জন্য আত্মত্যাগ, মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার শিক্ষা যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে আসছে। 

দিবসটি উপলক্ষে আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকররমের দক্ষিণ বারান্দায় ‘আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আ. ছালাম খান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ মাওলানা মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ আলোচক ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের  দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ।

এদিকে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত তাজিয়া মিছিলসহ বিভিন্ন শোক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সম্পন্ন করতে ব্যাপক ও নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

এ ছাড়া তিনি দিবসটি উপলক্ষে মিছিলে ব্যবহৃত নিশানের উচ্চতা ১২ ফুটের বেশি না হওয়া, কোনো প্রকার ধারালো ধাতব বস্তু, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, চাকু, লাঠি, ছোরা, তরবারি, বর্শা, ব্যাগ, পোঁটলা বা সুটকেস নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ না করা , আগত ব্যক্তিদের ব্যাগ, সুটকেস, ছাতা, কুকার জাতীয় সন্দেহজনক প্যাকেট বা বক্সসহ প্রবেশে বাধা প্রদান করা, উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্র বা পিএ সিস্টেম ব্যবহার না করা, কোনো প্রকার ঢাক-ঢোল না বাজানো, আতশবাজি ও যেকোনো ধরনের পটকা ব্যবহার থেকে বিরত থাকাসহ বেশ কিছু নির্দেশনার কথাও জানান তিনি।

এ ছাড়া ২৬ জুন সকাল ১০টা থেকে তাজিয়া মিছিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত, নির্ধারিত রুটগুলোতে ট্রাফিক ডাইভারশন মেনে চলা এবং তীব্র যানজট এড়াতে ও মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা মহানগরীর চালক ও সাধারণ জনগণকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য যানবাহন চালকদের প্রতি অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার।