• ই-পেপার

আসছে তীব্র শৈতপ্রবাহ, তাপমাত্রা নামবে ৪ ডিগ্রিতে

গণমাধ্যম খাতের সংস্কার জরুরি: গোলাম পরওয়ার

অনলাইন ডেস্ক
গণমাধ্যম খাতের সংস্কার জরুরি: গোলাম পরওয়ার

গণমাধ্যম খাতে সংস্কার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় নিত্যনতুন গণমাধ্যম গড়ে উঠছে, যা তথ্য ও সম্প্রচার খাতে স্বচ্ছতা ও নীতিমালা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

রবিবার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে তথ্য ও সম্প্রচার খাতের সংস্কার নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থে গণমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, যা গণতন্ত্র ও সাংবাদিকতার মানের জন্য উদ্বেগজনক।

তিনি আরো বলেন, দলীয় স্বার্থে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। শুধু জুলাই সনদ নয়, সরকারের উচিত গণভোটের রায়ও বাস্তবায়ন করা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নীতিবহির্ভূত কনটেন্ট বৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নীতিমালা থাকা জরুরি।

সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে গণমাধ্যমকে সীমিত করা হচ্ছে। দলীয় লোক নিয়োগের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কুয়েতকে বিনিয়োগে উৎসাহ

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কুয়েতকে বিনিয়োগে উৎসাহ

কুয়েত আমিরি দিওয়ানবিষয়ক মন্ত্রী শেখ হামাদ জাবের আল-আলী আল-সাবাহ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।

সম্প্রতি হওয়া এই সাক্ষাৎ নিয়ে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পর্যালোচনা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, প্রতিরক্ষা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর আলোকপাত করা হয়।

তারা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলী নিয়েও মতবিনিময় করেন এবং শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রসারের লক্ষ্যে গৃহীত প্রচেষ্টার প্রতি উভয় পক্ষের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও সংহতির বন্ধনের ওপর জোর দেন এবং ১৯৭৪ সালে বৃহত্তর মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের একীভূতকরণে কুয়েতের মূল্যবান সমর্থনের কথা স্মরণ করেন। তিনি ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্যে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কগুলোতে কুয়েতের বৃহত্তর বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেন। তিনি কুয়েতের উন্নয়ন চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ থেকে প্রকৌশলী, চিকিৎসক, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং নার্সসহ দক্ষ পেশাজীবীদের সরবরাহে জোর দেন।

কুয়েতের মন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার ব্যাপারে দেশটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের ইতিবাচক অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি ১৯৯১ সালে কুয়েতের মুক্তির সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং বাংলাদেশ সামরিক কন্টিনজেন্টের অব্যাহত পেশাগত সহায়তার কথাও স্মরণ করেন।

তিনি বাংলাদেশের প্রতি কুয়েতের অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার
বেনজীর আহমেদ।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ।

পুলিশ সদরদপ্তরের এক ঊধ্বর্তন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে দ্য ডেইলি স্টার।


জানা যায়, ১২ জুন পাঠানো একটি চিঠির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

বেনজীরকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকার একটি আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদেশ দেওয়া হয়।

কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা আছে দুদকের।

বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা জমি-ফ্ল্যাটসহ অনেক স্থাপনা আদালতের আদেশে ক্রোক (জব্দ) আছে।

এছাড়া তাদের বিপুল অংকের সঞ্চয়পত্র, অনেক ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

দুই জেলায় নতুন ইপিজেড, তিন জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে সরকার

বাসস
দুই জেলায় নতুন ইপিজেড, তিন জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে সরকার
প্রতীকী ছবি

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বরিশাল ও লালমনিরহাটে নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং গাজীপুর, বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করণীয় সংশ্লিষ্ট আলোচনায় কয়েকজন জেলা প্রশাসক নতুন ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এসব কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবগুলো সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট ছয়টি সিদ্ধান্ত স্বল্প (এক বছর), মধ্য (তিন বছর) এবং দীর্ঘ (পাঁচ বছর) মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল ও লালমনিরহাটে ইপিজেড এবং গাজীপুর, বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (বেপজা) অধীনে দেশে আটটি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। এগুলো হলো—ঢাকা, চট্টগ্রাম, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী, আদমজী ও উত্তরা ইপিজেড। কর ও শুল্ক সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি এবং উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি সহজ করাই এসব ইপিজেডের প্রধান কাজ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, প্রতিবছরই ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রস্তাব আসে। গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এবারও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ডিসি সম্মেলনে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক জেলার শিল্পকারখানাগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্যে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। এতে পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে বর্জ্য ও পরিবেশ দূষণ কমবে, কৃষিজমি রক্ষা পাবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং উদ্যোক্তারা সহজে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য জায়গা পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়।

বরিশালের জেলা প্রশাসক সেখানে একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, এখানে এটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে যেতে হবে না। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় দারিদ্র্য কমবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক উপকূলীয় এ জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পায়রা বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে সামুদ্রিক সম্পদ প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ, মৎস্য, কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতের সমন্বিত উন্নয়নেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক সদর উপজেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। তিনি প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেন, সড়কপথে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এবং নৌপথে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ থাকায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন সহজ হবে। কাঁচামাল ও শ্রমিকের সহজলভ্যতায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং কৃষি ও মৎস্যভিত্তিক শিল্প গড়ে ওঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক সেখানে একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রস্তাব দেন। তার মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে নতুন শিল্পকারখানা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। ধান, আলু ও ভুট্টাসহ কৃষিপণ্যের প্রাচুর্যের কারণে কৃষিভিত্তিক শিল্পেরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বুড়িমারী স্থলবন্দর এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় কার্যালয় থাকায় কাঁচামাল আমদানি ও পণ্য রপ্তানি সহজ হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপসচিব মো. মামুন বলেন, ডিসি সম্মেলনের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিজি প্রেস বই প্রকাশের কাজ করছে। বইগুলো সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের চিঠির মাধ্যমে তাদের করণীয় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদের মাঠ প্রশাসন শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।

এদিকে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্প্রতি সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে গড়ে তুলতে হলে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর মাধ্যমে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ‘রপ্তানি নীতি’ হালনাগাদ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ সহজ করতে ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ হালনাগাদের কাজ চলছে।

প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা কমাতে সরকার বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা কমাতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি (পিপিপিএ) এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।