• ই-পেপার

খোয়াই নদীতে গোসল করতে নেমে কৃষক নিখোঁজ

নাটোর

জানালার গ্রিল কেটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি
জানালার গ্রিল কেটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নাটোর সদর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য বিভাগ কার্যালয়ের পেছনে জানালার গ্রিল কেটে কম্পিউটার চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (১৪ জুন) সকালে অফিসে এসে কর্মচারীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অফিস ছুটির পরে আজ রবিবার সকালে এসে কর্মচারীরা কম্পিউটার চুরির ঘটনাটি দেখতে পান। এ সময় তারা দেখতে পান কম্পিউটার রুমের পেছনের গ্রিল কাটা। দুর্বৃত্তরা একটি মনিটর একটি সিপিইউ, একটি ইউপিএস ও একটি রাউটার চুরি করে নিয়ে গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোসহ নাটোর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ কর্মস্থল পরিদর্শন করেছে। 

নাটোর থানার ওসি মনসুর আহমেদ জানান, সিসিটিভির ক্যামেরা যাচাইসহ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে পুলিশি কার্যক্রম চলছে। 

‘আমার বুক যারা খালি করেছে তাগর ফাঁসি চাই’

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
‘আমার বুক যারা খালি করেছে তাগর ফাঁসি চাই’
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘আমার বুক যারা খালি করেছে, আমার পুতেরে যারা খুন করেছে তাগর ফাঁসি চাই।’ রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ১টায় ময়মনসিংহের গফরগাঁও প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে নিহত কলেজছাত্র আশরাফুল আলম রবিনের (নাহিয়ান রবিন) বাবা এসব কথা বলেন।  

মানববন্ধনে নিহত রবিনের মা শান্তা বেগম বলেন, ‘আমি কী লইয়া বাঁচবাম, কেডা আমারে মা ডাকব? আমার বাবারে যারা মারছে আমি তাগর ফাঁসি চাই।’ 

সাবেক কাউন্সিলর আলাল উদ্দিন সুলতান বলেন, ‘এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে ভবিষ্যতে গফরগাঁওয়ের আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হতে পারে।’ 

গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, কলেজছাত্র রবিন হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাজীব নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে এক দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।

ওসি বলেন, গ্রেপ্তার রাজীবের বাসায় রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পৌর শহরের মাজার বাড়ি সড়কে কলেজছাত্র আশরাফুল আলম রবিন জন্মদিন পালন করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে আহত করে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রবিন মারা যান।

মানববন্ধনে নিহত রবিনের বন্ধু, পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনের পর বিক্ষোভ করেন তারা।

পাবনায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়ি ও দোকানঘরে আগুন

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়ি ও দোকানঘরে আগুন
ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার আতাইকুলা থানার আরিয়াডাঙ্গী গ্রামে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি ও দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে আড়িয়াডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার প্রতিবাদে আড়িয়াডাঙ্গী বাজারে মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধন চলাকালে এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ব্যক্তির মুদি দোকান ও একটি চায়ের দোকানে ভাঙচুর চালায়। পরে তার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে বাড়ি ও দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এ ছাড়া কয়েকজন স্বজন ও প্রতিবেশীর বাড়িতেও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আগুন লাগার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা অলিউল্লাহ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বখাটে, মাস্তান ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

আতাইকুলা থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি ১ জুনের। পরে ১২ জুন ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী নির্যাতন মামলা করেন। অভিযুক্ত কাশেম বর্তমানে পলাতক রয়েছে। মানববন্ধনের পর তার বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

গলাচিপা

সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৩

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৩
সংগৃহীত ছবি

গলাচিপায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (১৯), একই ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামের গফুর খানের ছেলে জাহিদ খান ও গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামবাগের জালাল আহমেদের ছেলে সালেহ আহমেদ শান্ত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু তরুণ আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয় তারা। এরপর একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। এ সময় ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা একটি ব্যানার সামনে ধরে ২ থেকে ৩ মিনিটের একটি বিক্ষোভ মিছিল করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

মিছিলের দুই মিনিটের একটি ভিডিও প্রতিবেদকে হাতে আছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যানারে ‘প্রত্যাবর্তন-২.০’, ‘আলো আসবেই’ এবং ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা রয়েছে। 

ব্যানারে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় উল্লেখ করে রুবেল গাজীর নাম রয়েছে। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
 
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিক্ষোভ অংশ নেওয়া তরুণরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় দেওয়া রুবেল গাজীর অনুসারী। 

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদের জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।