• ই-পেপার

বিআরটিসির বাসে আসছে র‌্যাপিড পাস

ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আশ্বাস দ. কোরিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আশ্বাস দ. কোরিয়ার

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ডোমইয়ং মেটা কম্পানির প্রতিনিধিদল। এ সময় প্রতিনিধিদল ভূমি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ডিজিটাল রূপান্তর এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ভূমিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে ভূমিমন্ত্রী বলেন, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসময় মন্ত্রী বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার চলমান ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডোমইয়ং মেটার প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এ উদ্যোগের ফলে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে, জনগণ আরও সহজে সেবা পাচ্ছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

বৈঠকে ডোমইয়ং মেটা কোম্পানির প্রতিনিধিরা জানান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত ডিজিটাল রূপান্তর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেটা-এর সহযোগিতায় তারা ডিআরএস (ভূমি রেকর্ড ও জরিপ) কার্যক্রম নির্ভুলভাবে বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও সম্পন্ন করার সক্ষমতা রাখেন।

তারা আরও জানান, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং স্থানীয় সক্ষমতার সমন্বয়ে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে সর্বোত্তম ফলাফল নিশ্চিত করতে ডোমইয়ং মেটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর ও সেবামুখী করে তুলতে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সড়ক-রেল খাতে ব্যাপক বরাদ্দ, বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পরিকল্পনা : প্রতিমন্ত্রী

বাসস
সড়ক-রেল খাতে ব্যাপক বরাদ্দ, বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পরিকল্পনা : প্রতিমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সড়ক ও রেলপথ খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো আধুনিক, নিরাপদ ও গতিশীল করতে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

আজ রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ৩৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যয় হবে ৩০ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০৬টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী দিনে দেশে ৩ হাজার কিলোমিটার আধুনিক ও নিরাপদ এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পায়ন, পর্যটন এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে হাবিবুর রশীদ বলেন, ঢাকার অভ্যন্তরে থাকা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলো রাজধানীর বাইরে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেট্রোরেলের পাশাপাশি মনোরেল এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে। ভবিষ্যতের পরিবহন ব্যবস্থাকে দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব করতে সরকার পাঁচ লাখ দক্ষ চালক তৈরির পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করছে।

রেলপথ খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে প্রায় ৯ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ট্রেনে ইন্টারনেট সেবা চালু, প্রতিটি রেলস্টেশনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংযোজনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট দেশের অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং আগামীর বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপরেখা।

তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৯-এর উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলাকায় এখনো বিভিন্ন স্থানে বাঁশের সাঁকো এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তার নির্দেশনায় মুগদা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী

বাসস
চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

চীনের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ছয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে আমি চীন সরকারের সঙ্গে ছয়টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। চীনের মতো একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দেশের সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব বলে আমরা আস্থাবান।

তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, প্রধানমন্ত্রী ও পার্লামেন্টের স্পিকারের মতো সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে সম্মান ও গুরুত্ব পেয়েছি এবং যে আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী যে, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আমাদের দেশের অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মর্যাদা ও সম্মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দুটি চুক্তি এবং বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চীনে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটাই প্রথম বিদেশ সফর। চীনের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলের প্রতি চীনের যে আন্তরিকতা, তা প্রকৃত অর্থে আমাদের দেশের জনগণের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি ও ভালোবাসারই প্রতিফলন।

গত বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৩টি সমঝোতা স্মারকে সই হয়। এসবের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ছয়টি সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

 

২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবারের ক্যাম্পেইনে দেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মান অত্যন্ত ভালো। আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর ইউনিসেফের মাধ্যমে উন্নতমানের এসব ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল রঙের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। কোনো শিশু যেন কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সেজন্য প্রয়োজনে পরবর্তী দিনগুলোতেও ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিআরটিসির বাসে আসছে র‌্যাপিড পাস | কালের কণ্ঠ