• ই-পেপার

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু

১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’ বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সমাপনী বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সব ধরনের কার্ড আনা হবে একটি ইউনিভার্সাল কার্ডের আওতায়। পাশাপাশি ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেয়।’ এ ছাড়া জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ফ্যাসিবাদমুক্ত সংসদে বাজেট পাস হওয়া একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিগত সময়ে যেসব সংস্থা বাজেটের সমালোচনা করত, তারাই এবার এই বাজেটকে জনবান্ধব বলে মন্তব্য করেছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষা খাতের বেহাল অবস্থার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বাজেটে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, আগামীতে এই খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হবে।’

সংসদে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন’ পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন’ পাস

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করতে জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে। নতুন আইনে বিনিয়োগ, শিল্পাঞ্চল ও পিপিপি প্রকল্পের কার্যক্রম এক কর্তৃপক্ষের অধীনে আনা হয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী, বিডা, বেজা, পিপিপি কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’ গঠিত হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলের ওপর আপত্তি জানান বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান। সেই আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এ নিয়ে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। পরে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নতুন আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বিত হবে। এর আগে গত ৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইন অনুযায়ী, ইনভেস্ট বাংলাদেশ দেশের প্রধান বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত হবে।

আইনে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, নতুন আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্য ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা কমবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে।

আইনের উল্লেখযোগ্য বিধানের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল ও ঘোষিত শিল্পাঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা, লাইসেন্স ও অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা ও অন্যান্য সম্পদ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়া বিনিয়োগ ও ব্যবসাসংক্রান্ত সব ধরনের সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার বিধান রাখা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ, দেশে-বিদেশে বিনিয়োগ প্রচার, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ও আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিলে দেশি-বিদেশি অংশীদারত্বে বিনিয়োগ উদ্যোগ অনুমোদন, শিল্পে পুঁজি গঠন, বিনিয়োগ সহজলভ্য করা, বিদেশি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগের নীতিমালা নির্ধারণ, ভিসা সুপারিশ, কর্মানুমতি প্রদান, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হয়েছে।

ইটভাটায় কোনোভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না : পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইটভাটায় কোনোভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না : পরিবেশমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কোনোভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না বলে সতর্ক করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

তিনি বলেন, দেশে ইটের বিকল্প এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তাই ইটভাটা বন্ধ না করে, কিভাবে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এর থেকে সৃষ্ট দূষণ কমানো যায়, সেদিকেই বেশি দৃষ্টি দিতে হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিবিএমওএ) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইটভাটা শিল্পের পরিবেশগত প্রভাব, বায়ুমান ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

পরিবেশমন্ত্রী, ইট বানাতে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি বা টপ সয়েল ব্যবহার করার ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ দিন দিন কমছে। এই সংকট মোকাবেলায় দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্চ মাত্রার সালফারযুক্ত কয়লা ইটভাটায় ব্যবহারের ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। তাই কয়লা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর গুণগত মানের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি।

মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান এবং মহাসচিব মমিন উল্লাখানের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন জেলার উপদেষ্টা ও সহসভাপতিসহ একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। সভায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে ইট উৎপাদন এবং পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা তাদের বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরলে তা বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সাইদুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্থানীয় নির্বাচন : ২৭ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় নির্বাচন : ২৭ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ তালিকার ওপর দাবি ও আপত্তি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ আগস্ট। এরপর প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে হবে ২৩ আগস্টের মধ্যে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৭ আগস্ট সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এখন থেকে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ সংশোধন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থায়ী ভবনের ভেতরে ভোটকক্ষ স্থাপনের সুযোগ থাকলে অস্থায়ী ভোটকক্ষ নির্মাণের প্রস্তাব এড়িয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সহায়তা-৩ শাখায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে তালিকার হার্ড কপি ও সফট কপিও জমা দিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু | কালের কণ্ঠ