• ই-পেপার

শিক্ষকের গাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু

৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামী ৫ দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামী ৫ দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে

দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকার কারণে আগামী পাঁচদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। 

বুধবার (২৪ জুন) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

পরবর্তী তিন দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই দিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সন্ধ্যার মধ্যে যে ৮ জেলায় ঝড়ের আভাস

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে যে ৮ জেলায় ঝড়ের আভাস

দেশের আট জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

চিড়িয়াখানা থেকে সরিয়ে সাদা মহিষটি নেওয়া হলো যেখানে

অনলাইন ডেস্ক
চিড়িয়াখানা থেকে সরিয়ে সাদা মহিষটি নেওয়া হলো যেখানে
সংগৃহীত ছবি

মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে আলোচিত সাদা মহিষটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মহিষটিকে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) নেওয়া হয়েছে। অ্যালবিনো জাতের আলোচিত মহিষটিকে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রবিবার (২১ জুন) প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে মহিষটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএলআরআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএলআরআই কর্মকর্তারা।

ইতিমধ্যে মহিষটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার লক্ষ্যে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মহিষ উৎপাদন গবেষণা বিভাগের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার দেবকে প্রধান করা হয়েছে।

গৌতম কুমার দেব জানান, মহিষটিকে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যেহেতু মহিষটি চিড়িয়াখানায় ছিল, তাই আগামী ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। মহিষটি রোগমুক্ত কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া এবং রোগমুক্ত রাখার বিষয়টিকে এই সময়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। এরপর মহিষটিকে কীভাবে গবেষণায় ব্যবহার করা যায়, সেটি ভাবা হবে।’

তিনি জানান, মহিষটিকে খামারিরা যেহেতু ফ্যাটেনিংয়ের (মোটাতাজাকরণ) জন্য তৈরি করেছিল, সে জন্য দীর্ঘ মেয়াদে এটাকে রাখা বেশ চ্যালেঞ্জের। তিনি বলেন, ‘কোয়ারেন্টাইনের পিরিয়ডটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ২১ দিন পর প্রজননের উপযোগী আছে কি না, এমন নানা বিষয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের গোলাপি-সাদা রঙের মহিষটির মাথার সামনের সোনালি চুল এবং কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে খামারিরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম অনুসারে এর নাম রাখেন।

কোরবানির পশুর হাটে মহিষটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরে দেশীয় গণমাধ্যমের পাশাপাশি দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য ইনডিপেনডেন্ট, এএফপি ও রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর মহিষটিকে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ক্রেতাকে অর্থ পরিশোধ করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের মাধ্যমে মহিষটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু চিড়িয়াখানায় প্রদর্শনের সময় নতুন বিতর্কের জন্ম হয়। মহিষটির পরিচিতি ফলকে নাম লেখা হয় ‘ডোনাল্ড ট্টাম্প’। ‘ট্রাম্প’-এর পরিবর্তে ‘ট্টাম্প’ লেখার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা ও বিদ্রুপ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ফলকটি পরিবর্তন করে। পরে মহিষটির নাম পরিবর্তন করে ‘সাদা মহিষ’ রাখা হয়।

হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৬৪ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৯ হাজার ৪৬৪ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২২ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ৬৩৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২২ হাজার ৩০০ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১৭৮ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৬৪ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৮৪টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৮টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৭৪৫টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ২৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ | কালের কণ্ঠ