• ই-পেপার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সপ্তাহে দুই দিন বন্ধ, জানাবে মন্ত্রণালয়

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ
মো. বদিউজ্জামান তপাদার।

পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বদিউজ্জামান তপাদার। আজ সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

গণ অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের আগস্টে মাসে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মো. বদিউজ্জামান তপাদারকে নিয়োগ দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে যোগদানের পর থেকে তিনি শ্রদ্ধা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য সচেষ্ট ছিলেন।

পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি পত্রে বলেছেন, বর্তমানে আমার ব্যক্তিগত বিশেষ অসুবিধার কারণে বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগপত্র দাখিল করলাম।

পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাইয়ে কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাইয়ে কমিটি

রাজনৈতিক কারণে পদোন্নতি, পদায়ন বঞ্চিত এবং অকালীন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকতাদের আবেদন যাচাইয়ে কমিটি করেছে সরকার। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে হয়রানির শিকার এসব কর্মকর্তার আবেদন যাচাই করবে কমিটি।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হককে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি, অর্থবিভাগের একজন প্রতিনিধি এবং আইন ও বিচারবিভাগের একজন প্রতিনিধি। প্রতিনিধিদের পদমর্যাদা যুগ্মসচিবের নিচে হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কমিটি আবেদনকারীদের দাখিল করা তথ্য ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক কারণে পদোন্নতি ও পদায়ন বঞ্চনার অভিযোগের সত্যতা পর্যালোচনা করবে। তবে যেসব বিষয়ে আদালতের সুস্পষ্ট আদেশ রয়েছে, সেসব বিষয় কমিটির কার্যপরিধির বাইরে থাকবে।

কমিটির সদস্যরা সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সদস্যদের মতো প্রতি সভার জন্য সমপরিমাণ সম্মানি পাবেন।

উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরো মনোযোগী হতে হবে : নৌমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরো মনোযোগী হতে হবে : নৌমন্ত্রী
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি : সংগৃহীত

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘সমুদ্র ও নৌপথের সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে আমাদের সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতে হবে। উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরো মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’

সোমবার (২২ জুন) সকালে রাজধানীর খিলখেতে বানৌজায় নৌবাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পাওয়া গেলেও বিগত সরকারের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সমুদ্রের খনিজসম্পদ আহরণ সম্ভব হয়নি।

সমুদ্রসম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সমুদ্রে জ্বালানি পাওয়া শুধু সম্ভাবনা নয়, এটি নিশ্চিত সম্পদ। তবে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এর যথাযথ ব্যবহার ও সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হয়নি। ওই সময় আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমা অর্জন করে, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলোও মেনে নেয়। ভারত ও মিয়ানমার নিজ নিজ এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম চালালেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে উত্তোলনের উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফির ক্ষেত্রেও ধারাবাহিক কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌযোগাযোগ আরো নিরাপদ, মনোরম ও সাশ্রয়ী করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে সচেতনতা ও সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক। এই বন্দর দিয়ে নেভিগেশন ও জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও উৎসাহিত করতে কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং তা আরো বিস্তৃত ও প্রসারিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তারেক রহমানের সম্মানে মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
তারেক রহমানের সম্মানে মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

সোমবার দুপুরে পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বাসভবনে এ মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়। মধ্যহ্ন ভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান।

এরপর ভবনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সেখানে মালয়েশিয়ার শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ গানটি পরিবেশ করে।  দুই প্রধানমন্ত্রীসহ তাদের সহধর্মিনীরা এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান ভবন থেকে নেমে এলে প্রবেশ পথের দুই পাশে মালয়েশিয়ার শিশু-কিশোররা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের শুভেচ্ছা জানান।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থাকা গাড়ির সামনে এসে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিনী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনীকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান মোটরশোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরে শাংগ্রি লা হোটেলে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েকটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সপ্তাহে দুই দিন বন্ধ, জানাবে মন্ত্রণালয় | কালের কণ্ঠ