• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সই হতে পারে ১৭ চুক্তি : পররাষ্ট্রসচিব

তিন বিভাগে ২ দিন ভারি বর্ষণের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
তিন বিভাগে ২ দিন ভারি বর্ষণের শঙ্কা

দেশের তিন বিভাগে দুই দিন ভারি বর্ষণের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া আগামীকাল সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতে সামান্য কমতে পারে। এ ছাড়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। রবিবার (২১ জুন) ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যোগপ্রেমী, শিক্ষার্থী, ওয়েলনেস প্র্যাকটিশনার এবং বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন।

প্রতিবছর ২১ জুন পালিত আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ভারতের প্রাচীন যোগচর্চার বৈশ্বিক স্বীকৃতির প্রতীক। শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা অর্জনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘যোগা ফর হেলদি এজিং’, যা জীবনের সব পর্যায়ে দীর্ঘায়ু, শারীরিক সক্ষমতা এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘কমন যোগা প্রটোকল’ (সিওয়াইপি) সেশন। আইজিসিসির যোগ প্রশিক্ষক শাহনাজ পারভীন এবং তার শিক্ষার্থীরা এ সেশন পরিচালনা করেন। এতে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক অংশগ্রহণকারী উৎসাহের সঙ্গে নবীন ও মধ্যম স্তরের অনুশীলনকারীদের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন যোগাসন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অনুশীলন করেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য যোগ প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা যোগব্যায়াম প্রদর্শন করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল জয়সান যোগা, হু আর্ট অব যোগা, সেলফ হিলিং হাব, আর্ট অব লিভিং, এভারগ্রিন যোগা স্কুল, নটর ডেম যোগা অ্যান্ড মেডিটেশন ক্লাব, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এবং ব্রহ্মাকুমারীসের ‘দ্য একাডেমি অব এ বেটার ওয়ার্ল্ড’। তাদের পরিবেশনায় বাংলাদেশে যোগচর্চার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও বৈচিত্র্যের চিত্র ফুটে ওঠে।

1

এবারের আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘আয়ুর্বেদ লাউঞ্জ’, যেখানে স্বাস্থ্য ও সুস্থতার সামগ্রিক পদ্ধতি হিসেবে আয়ুর্বেদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়। লাউঞ্জটিতে দ্য আয়ুর্বেদা মেডিক্যাল অ্যান্ড রিসার্চ, ঔষধি ল্যাবরেটরিজ এবং ওশিন ন্যাচারালস পৃথক প্রদর্শনী কিয়স্ক স্থাপন করে দর্শনার্থীদের আয়ুর্বেদভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। পাশাপাশি ভারতীয় হাইকমিশনের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আয়ুর্বেদবিষয়ক বইও জনসাধারণের জন্য প্রদর্শন করা হয়।

মূল অনুষ্ঠানটি ছিল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পরিচালিত বিস্তৃত সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সমাপনী আয়োজন। গত ৬ মে অনুষ্ঠিত কার্টেন-রেইজার কর্মসূচির মাধ্যমে এ কার্যক্রমের সূচনা হয়। এরপর আইজিসিসি ও ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বিভিন্ন যোগ প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম সংস্থা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় সারা দেশে ৩৬টিরও বেশি যোগবিষয়ক প্রাক-অনুষ্ঠানের আয়োজন ও সহায়তা প্রদান করে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে যোগব্যায়ামের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হয়।

অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে মারিকো বাংলাদেশ, টাটা মোটরস, নিটল মোটরস, বসুন্ধরা গ্রুপ, অশোক লেল্যান্ড, আইএফএড, জায়া গোল্ড, রয়্যাল গোল্ড, পিএন কম্পোজিট, প্রবৃদ্ধি অ্যাপারেলস, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করে।

আয়োজকদের মতে, এ আয়োজন যোগব্যায়ামকে সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সামগ্রিক কল্যাণের এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যোগচর্চার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়ারও প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

দেশের পাঁচ জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

রবিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নায়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি

অনলাইন ডেস্ক
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সহায়তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

আহমেদ জানান, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোও সুবিধা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে পারবে, কারণ সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে দেশের স্থাপিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৭৮১.০৯ মেগাওয়াটে।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ১৭২ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ১৫টি নবায়নযোগ্য প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে, যেগুলোর মোট ক্ষমতা ৬৬৫ মেগাওয়াট এবং ২০২৯ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি সমর্থনে জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত সম্প্রসারণে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি নীতি স্থিতিশীলতা, গ্রিড আধুনিকায়ন এবং শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান মাত্র ২.৩ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি আরো বলেন, জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদি সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ও শুল্ক মওকুফের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তবে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব।