• ই-পেপার

আজ বিকেলে ঢাকা আসছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে হারভেস্টার যন্ত্র সরবরাহ, সার ও উন্নতমানের বীজের সহজলভ্যতা, সেচ সুবিধার সম্প্রসারণ, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, ভর্তুকি ও কৃষিঋণ প্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।

আজ জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষক প্রতিনিধিদল এলাকার রাস্তা, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক বিষয়েও ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা কৃষিবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাদের বক্তব্য শুনে বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আপনাদের এবং দেশের সেবা করতে চাই। দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রান্তিক কৃষকদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদানের মাধ্যমে কৃষিকে আরো টেকসই, উৎপাদনশীল ও লাভজনক করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কৃষিসেবা আরো কার্যকর করা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা সম্প্রসারণে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি এলাকার রাস্তা, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং কৃষক কার্ড প্রাপ্তির বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কৃষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। তাই কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইন, নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদ এবং সরকার সর্বদা সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে।’

তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য ডেপুটি স্পিকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং কৃষকদের সমস্যা সমাধান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

দেশে লোডশেডিং অনেকটাই কমে এসেছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে লোডশেডিং অনেকটাই কমে এসেছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র পুনরায় চালু হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং লোডশেডিং অনেকটাই কমে এসেছে।’

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান। এই সময়ে অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

তিনি বলেন, ‘দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গতকাল কিছু এলাকায় লোডশেডিং দিতে হয়েছিল।’ 

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে এখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ মাত্র ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অবশিষ্ট ঘাটতিও দ্রুত কমিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। কিছু এলাকায় এখনো সীমিত আকারে লোডশেডিং থাকতে পারে, তবে তা সম্পূর্ণভাবে দূর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘গতকালের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল। তবে আজ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং সরকার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

ঢাকাসহ ২০ জেলায় রাতের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ২০ জেলায় রাতের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

রাতের মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২০ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখানোর জন্য বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের ২০ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

জেলাগুলো হলো রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট।

বৈশ্বিক অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়তে চায় পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈশ্বিক অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়তে চায় পুলিশ
সংগৃহীত ছবি

বৈশ্বিক অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি কো-অপারেশন, ইনফরমেশন শেয়ারিং অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব বাংলাদেশ পুলিশ’ শীর্ষক সমন্বয় সভায় বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনায় এ আগ্রহ প্রকাশ করে দেশীয় এই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, বৈশ্বিক অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে কূটনৈতিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, কার্যকর তথ্য বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।

সভায় ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পুলিশের কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি বেলাল উদ্দিন। 

প্রবন্ধে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অপরাধের ধারণা অনেক বিস্তৃত ও জটিল হয়ে উঠছে। সহিংস উগ্রবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ আজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জটিল এ পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত  হয়ে সাইবার অপরাধ ও ডিজিটাল জালিয়াতি। সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন, মানবপাচার, অনলাইন জুয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর অপরাধ, ডিপফেক, ভুলতথ্য ও অপতথ্য আজ আর কোনো একক দেশের নয় বরং বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে বিবেচিত।

আধুনিক পুলিশিংয়ের বর্তমান বাস্তবতা হলো, বর্তমানে সংঘটিত অপরাধের একটি বড় অংশের আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। অপরাধ তদন্তে একাধিক বিচার ব্যবস্থা, বিদেশি নাগরিক, সীমান্তপারের লেনদেন এবং জটিল আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক জড়িত থাকে। এসব অপরাধ মোকাবেলায় শক্তিশালী কূটনীতিক অংশীদারি এখন আর বিকল্প নয়; এটি আজ অপরিহার্য বলে মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ পুলিশে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ে এক বিস্তৃত কাঠামো গড়ে উঠেছে। পুলিশ সদর দপ্তর ‘ওভারসিজ অ্যাফেয়ার্স শাখা, এনসিবি ও ইউএন অপারেশন শাখা, ডিএমপি, এসবি, সিআইডি, পিবিআই এবং এটিইউর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক তদন্তে নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রে অসাধারণ পেশাদারির স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। 

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক তদন্ত এবং কূটনৈতিক সম্পৃক্ততায় বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ পুলিশ অপরাধ দমনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো, কার্যকর তথ্য বিনিময় এবং অংশীদারির ভিত্তিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মু. নজরুল ইসলাম কূটনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা বাড়াতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ডিভিশন কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় প্রশংসনীয় অবদান রাখছে।

তিনি বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশের এ আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে অতিথিদের নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় কঠিন।

তিনি দেশের বাইরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে উল্লেখ করে বলেন, সাইবার ক্রাইম, ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম, ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ বৈশ্বিক অপরাধ মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের  সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতেও পুলিশ কাজ করছে।

সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ শুধু অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থারও এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে কার্যকর পুলিশিং নির্ভর করে ফলপ্রসূ সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর। 

সভায় মূল প্রবন্ধের ওপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মো. কামরুল আহসান ও ডিআইজি তাপতুন নাসরীন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিদেশি কূটনীতিকগণ বাংলাদেশ পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভায় মানি লন্ডারিং, ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম, সাইবার ক্রাইম, মানবপাচার ইত্যাদি অপরাধ মোকাবেলা এবং তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে বলে সুপারিশ করা হয়।

আজ বিকেলে ঢাকা আসছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ