• ই-পেপার

আওয়ামী লীগে পদ পেলেন সাংবাদিক ইশতিয়াক রেজা

চলমান প্রকল্পগুলোকে সরকারের ইশতিহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
চলমান প্রকল্পগুলোকে সরকারের ইশতিহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মধ্যকার আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় উপস্থিত পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ অতিথিরা।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, চলমান প্রকল্পগুলোকে সরকারের ইশতিহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে পরিমার্জন করা হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মধ্যকার আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

সোমবার (২০ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভূক্ত চলমান ও অননুমোদিত নতুন প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন প্রকল্প দ্রুততম সময়ে নেওয়া হবে যাতে এই সরকারের মেয়াদেই তার ফলাফল দৃশ্যমান হয়। প্রকল্পগুলো এমনভাবে গ্রহণ করা হবে যেন জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটে। এই সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত সকল বিষয়ে মনিটরিং করছেন। জনগন যাতে সর্বোচ্চ সুফল পেতে পারে সেটা বিবেচনায় নিয়ে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের চলমান ও অননুমোদিত নতুন প্রকল্পসমূহ নিয়ে পর্যালোচনায় অংশ নেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সকল মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই বছরেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রকল্প হাতে নিতে হবে। কারণ এখন যে প্রকল্পগুলো নেওয়া হবে তা এই সরকারের মেয়াদেই শেষ হবে।’ তিনি নতুন প্রকল্প দ্রুততম সময়ে গ্রহণের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিববৃন্দ, বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ।

অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক
অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) এক চিঠিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান তি‌নি।

চি‌ঠি‌তে তারেক রহমান উ‌ল্লেখ ক‌রেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে, লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যের (গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

তি‌নি ব‌লেন, আপনার এই নির্বাচন আপনার দল এবং যুক্তরাজ্যের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। 

সরকারপ্রধান ব‌লেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক ও বহুমুখী অংশীদারিত্ব বিদ্যমান, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, কমনওয়েলথ নীতি এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে। 

চি‌ঠি‌তে আরো উ‌ল্লেখ করা হয়, যুক্তরাজ্য-প্রবাসী প্রাণবন্ত বাংলাদেশি সম্প্রদায় বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলেছে এবং উভয় দেশের সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যময়তায় অমূল্য অবদান রাখছে। আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং উভয় দেশ ও জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে সম্প্রসারিত করতে আমি আপনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করি। 

যুক্তরা‌জ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী‌কে বাংলা‌দেশ সফ‌রের আমন্ত্রণ জানিয়ে তা‌রেক রহমান ব‌লেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমি আপনাকে সশ্রদ্ধ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনার সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ এবং আপনার পদের গুরুদায়িত্ব পালনে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কামনা করছি। আমি যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। মহামান্য, অনুগ্রহ করে আমার গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও সর্বোচ্চ বিবেচনার বিষয়টি গ্রহণ করুন।

সোমবার যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
 

সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ রাখার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ রাখার অনুরোধ
ছবি: কালের কণ্ঠ

২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের খরচ কমাতে ব্যাকআপ আবাসন পূর্বের মতো ১ শতাংশে বহাল রাখার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সৌদি দূতাবাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ধর্মমন্ত্রী এ অনুরোধ জানান।

জানা গেছে, ২০২৭ সালের হজে ব্যাকআপ আবাসন ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। এতে হজ পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ২০২৬ সালের হজের মতো এবারও বাংলাদেশের জন্য ১ শতাংশ ব্যাকআপ আবাসন বহাল রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই অনুরোধের জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, এ সংক্রান্ত একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিএইচ) তিনি রবিবার (১৯ জুলাই) হাতে পেয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশসহ তিনি তা সৌদি সরকারের কাছে ইতিমধ্যে পাঠিয়েছেন।

সাক্ষাৎকালে সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বছরের বাংলাদেশ অংশ থেকে হজ ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় যেকোনো বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দ্রুত পদক্ষেপ ও সমন্বয়ের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।

জানা যায়, সৌদি সরকারের কাছে পাঠানো ওই আধা-সরকারি পত্রে ব্যাকআপ আবাসনের পাশাপাশি ক্যাটারিং ব্যবস্থা ঐচ্ছিক রাখা এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ ‘ডি’-এর মূল্যমানের অনুরূপ সার্ভিস প্যাকেজ-৩ এর সেবামূল্য নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী এ বছরের সুন্দর হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা রাখায় সৌদি রাষ্ট্রদূত ও সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে দুদেশের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরো সুসংহত করা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে ধর্মমন্ত্রী গুলশানের সৌদি দূতাবাসে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বৈঠকে দুদেশের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণপরিবহন তামাকমুক্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণপরিবহন তামাকমুক্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির সুপারিশ

গণপরিবহনে ধূমপান পুরোপুরি বন্ধ করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পরিবহন মালিকদের প্রতি নির্দেশনা জারি এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় এসব সুপারিশ উঠে আসে। বিআরটিএর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সহযোগিতা করে ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিস অব সোসাইটি (ডাস্) ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)। এতে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার সরকারি লক্ষ্য অর্জনে গণপরিবহন খাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাস, টার্মিনাল ও অন্যান্য গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে যাত্রী, চালক, সহকারী এবং সাধারণ মানুষকে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।

সভায় ধূমপানমুক্ত পরিবহন ম্যানুয়াল প্রণয়ন, বিআরটিএর সেবা অ্যাপে তামাক নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সেবা যুক্ত করা, সব গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত সাইনেজ স্থাপন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেডিকেল সার্টিফিকেট (ফরম-২) হালনাগাদ এবং বিআরটিএর ওয়েবসাইট ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু এবং চালকদের সম্পৃক্ত করে আইন বাস্তবায়ন জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, বিআরটিএর নেতৃত্বে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি পূর্বে উপস্থাপিত সুপারিশগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ ছাড়া বিআরটিএ ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের (এনটিসিসি) পক্ষ থেকে বাস মালিকদের আইন বাস্তবায়নে নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠানো এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর দায়িত্ব ও সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বিআরটিএ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, এনটিসিসি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় ডাস্-এর পক্ষ থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

আওয়ামী লীগে পদ পেলেন সাংবাদিক ইশতিয়াক রেজা | কালের কণ্ঠ