• ই-পেপার

কাউন্সিলর রতন টাকার গন্ধ পেলেই বেপরোয়া

১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
সংগৃহীত ছবি

দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। আজ বিকেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৫ দিন বা ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।

রবিবার (৭ জুন) ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

বাসস
সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত চলছে। শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টায় সভাটি শুরু হয় বলে জানান ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি। সভায় সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

আরো পড়ুন
ছয় নবজাতকের মৃত্যু : ক্ষতিগ্রস্তদের আজীবন পাশে থাকার ঘোষণা আদ্-দ্বীনের

ছয় নবজাতকের মৃত্যু : ক্ষতিগ্রস্তদের আজীবন পাশে থাকার ঘোষণা আদ্-দ্বীনের

 

সংসদীয় এ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সভায় সরকারের চলমান কার্যক্রম, সংসদীয় দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে : ডেপুটি স্পিকার

বাসস
শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে : ডেপুটি স্পিকার
সংগৃহীত ছবি

দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলা : প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 

আরো পড়ুন
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা টোল আদায়

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা টোল আদায়

 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।  

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি। 

তিনি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

কায়সার কামাল বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। 

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক এবং অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরো পড়ুন
স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

 

নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকারকর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের কর ১ শতাংশে নামানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের কর ১ শতাংশে নামানোর দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, সৌর ও বায়ুশক্তির বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ কর, নীতিগত বৈপরীত্য এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর গ্রিন লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য উৎস : চাই বাজেটের নীতিগত পরিবর্তন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়। যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি)।

সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা), ইথিক্যাল ট্রেডিং ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ (ইটিআই), ল-ইয়ার্স ফর এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (লিড) এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে জলবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মোট স্থাপিত সক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৬৭৯ মেগাওয়াট। অথচ সৌর ও বায়ুশক্তি থেকে প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর ২৭ থেকে ৬১ শতাংশ পর্যন্ত কর ও শুল্ক আরোপের কারণে খাতটির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে সৌর প্যানেল ও ইনভার্টারের ওপর প্রায় ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ কর আরোপ করা হলেও জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিভিন্ন ধরনের নীতিগত সুবিধা অব্যাহত রয়েছে। এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির খরচ বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কিছু অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত হিসাব তুলে ধরে বলা হয়, প্রতি মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ বছরে প্রায় ৩ কোটি ১১ লাখ টাকার জ্বালানি আমদানি সাশ্রয় করতে পারে এবং ১ হাজার ১৮০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমাতে সক্ষম। এ ছাড়া প্রতি কিলোওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বছরে প্রায় ৩১ হাজার টাকা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারে।

আসন্ন জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—

  • আগামী ১০ বছরের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট ও অগ্রিম করসহ সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রতীকী ১ শতাংশে নামিয়ে আনা।
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে ২৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ আবর্তনশীল তহবিল গঠন, যাতে উদ্যোক্তারা ৫ শতাংশের কম সুদে ঋণ পেতে পারেন।
  • আবাসিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা ভর্তুকি এবং নারী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রকল্পে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভর্তুকি প্রদান। 
  • নতুন ইউটিলিটি-স্কেল প্রকল্পে ন্যূনতম ২০ শতাংশ ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ বাধ্যতামূলক করা, করপোরেট বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (সিপিপিএ) চালু এবং নির্গমন কর আরোপ।
  • যুব উন্নয়ন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে প্রতি বছর ১০ লাখ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় আকারের ভূমিনির্ভর প্রকল্পের পরিবর্তে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং জলাশয়ভিত্তিক ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। এতে কৃষিজমি সংরক্ষণ হবে, দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।

ক্লিনের প্রধান নির্বাহী  হাসান মেহেদী বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানিতে অব্যাহত ভর্তুকি ও প্রণোদনার পরিবর্তে আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে কৌশলগত অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার, কর-শুল্ক অব্যাহতি এবং আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত না হলে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ব্যয় ও আমদানিনির্ভরতার চক্রে আটকে পড়বে।’

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছাড়া শিল্পায়ন সম্ভব নয়। সরকার কর ও শুল্ক কমিয়ে সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগের পথ সহজ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

লিডের গবেষণা পরিচালক অ্যাডভোকেট শিমনউজ্জামান বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তব বিনিয়োগের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। এই ব্যবধান দূর করতে বাজেটে শক্তিশালী নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।’

ইটিআই বাংলাদেশের পরিচালক মুনীর উদ্দিন শামীম বলেন, ‘জ্বালানি সার্বভৌমত্ব এখন জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। শিল্পখাত ও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাজেটে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।’

বক্তারা সতর্ক করে বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের নীতিগত ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা না হলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ এবং জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা আরো বাড়বে। অন্যদিকে সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ালে জ্বালানি আমদানি কমবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে।

কাউন্সিলর রতন টাকার গন্ধ পেলেই বেপরোয়া | কালের কণ্ঠ