• ই-পেপার

ডিএনসিসির নার্সারিগুলোতে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম

ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি : সংগৃহীত

ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় আজ বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে তিনি যাত্রা শুরু করেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এদিন সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’র বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের ডালিয়ানে ‘ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৭তম এ্যানুয়াল মিটিং অব দি নিউ চ্যাম্পিয়নসের এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ এএমএনসি-তে যোগ দেন।

এই সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতাকে আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করবে।

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেই সঙ্গে ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আজ বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকলের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তাহলে কোনোভাবেই জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না। সাইবার আইন পরিবর্তন হচ্ছে। যেন এর সহযোগীরা পার না পেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘এই জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার জন্য বিগত দশ বছর ধরে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।’

২০২২ সালের পর থেকে যারা অবসর ভাতা পায়নি, তাদের জন্য জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা চালু করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

দেশের ৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
 

বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাসস
বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ‘শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপে ক্লাইমেট লিডারশিপ’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বিপন্ন লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষায় বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিকে কাজে এবং অঙ্গীকারকে ফলাফলে পরিণত করার, যেন বিশ্ব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎকে আলিঙ্গন করতে পারে। আমরা আশা করি, কপ-৩১ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে এবং বাংলাদেশ তার ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।

মঙ্গলবার দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ১৭তম ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’-এ ‘শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপে ক্লাইমেট লিডারশিপ’ শীর্ষক এক অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়, আমরা এটিকে সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং একটি যৌথ ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিনিয়োগ হিসেবে দেখি। আমরা এখানে উপস্থিত সকলে মিলে একটি সবুজ, নিরাপদ, টেকসই এবং আরো ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়তে পারি।

তিনি বলেন, কোনো দেশ একা জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে পারে না। এর জন্য প্রয়োজন অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকার। কপ-৩১ এবং কপ-৩২ এর দিকে তাকিয়ে আমরা তিনটি অগ্রাধিকারের ওপর জোর দিতে চাই। প্রথমত, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য ও অনুমানযোগ্য সহায়তাসহ ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনতে হবে।

দ্বিতীয়ত, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য, সহজসাধ্য এবং চাহিদা-সাপেক্ষ হতে হবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও ত্বরান্বিত হওয়া উচিত। এ লক্ষ্যে, আমাদের ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’ (জিসিএফ)-এর বৃহত্তর সংহতকরণ এবং কার্যকরীকরণ প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, প্রশমনের পাশাপাশি অভিযোজনও অপরিহার্য। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য অভিযোজন কোনো নীতিগত বিকল্প নয়, এটি একটি অপরিহার্য বিষয়। ইউএনসিটিএডি’র মতে, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের নতুন সম্মিলিত পরিমাণগত লক্ষ্যমাত্রা (এনসিকিউজি) উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রশমন ও অভিযোজনের প্রয়োজনিয়তা পূরণে অপর্যাপ্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ এখানে শুধু জলবায়ু সংকটে একটি সম্মুখসারির রাষ্ট্র হিসেবেই নয়, বরং বৈশ্বিক সমাধানে আগ্রহী একটি জাতি হিসেবেও সমবেত হয়েছি। 

তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার একটি অগ্রণী জলবায়ু-সহনশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবুজ প্রবৃদ্ধি এখন আমাদের জাতি গঠন কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আমি  ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে ভাবি এবং যার জন্য আমি সচেষ্ট থাকি। এটি জীবন, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার বিষয়।

জলবায়ু সংক্রান্ত বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং জলাভূমি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আমরা আগামী ৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার  কিলোমিটার নদী ও খাল খনন করার পরিকল্পনা করেছি। আমরা পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষিকে সহায়তা করতে এবং জলবায়ুগত অভিঘাত মোকাবেলার লক্ষ্যে আমাদের প্রধান নদীর উপর পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা একটি মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা ব্যারাজকেও আধুনিকীকরণ করছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো ও রক্ষণাবেক্ষণের অঙ্গীকার করেছি। স্কুল, সম্প্রদায় এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী একটি আন্দোলনের মাধ্যমে, যেমন ‘এক শিক্ষার্থী, এক গাছ কর্মসূচি’র মাধ্যমে, আমরা বনাঞ্চল সম্প্রসারণ করব, জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করব, সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করব এবং তাপমাত্রা হ্রাস করব।

বাংলাদেশ সরকার বন, জলাভূমি, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল এবং ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গ্রামীণ এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য বিনিয়োগ করছি এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণ মান চালু করছি। একই সঙ্গে, আমাদের সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর, বায়ু, বর্জ্য থেকে শক্তি এবং অন্যান্য সমাধানের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বাংলাদেশের অন্তত ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, আমরা পাটজাত পণ্য এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনসহ পরিবেশবান্ধব পরিবহনের মতো সবুজ শিল্পকেও উৎসাহিত করি। সবুজ বিনিয়োগ এবং কার্বন-ক্রেডিটের সুযোগ উন্মোচনের জন্য একটি জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার, জৈব সার উৎপাদন এবং চক্রাকার অর্থনীতি উদ্যোগের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনাও করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবুজ উৎপাদন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছি। এখন আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি লিড প্রত্যয়িত কারখানার মধ্যে ৬৯টিই বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই তাদের মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে রেখে লাখ লাখ মানুষের জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে, যাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কপ-৩১ এর উচিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি) এবং প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য ও চেতনাকে পুনঃনিশ্চিত করা। এ প্রসঙ্গে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপকে উৎসাহিত করতে, ঐকমত্য গড়ে তুলতে এবং সম্মিলিত পদক্ষেপকে অনুপ্রাণিত করার জন্য একটি মূল্যবান মঞ্চ।

ডিএনসিসির নার্সারিগুলোতে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম | কালের কণ্ঠ