kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

করোনায় মৃতদের জানাজা-দাফন দিতে প্রস্তুত ৪০ নাগরিক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ এপ্রিল, ২০২০ ১৭:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় মৃতদের জানাজা-দাফন দিতে প্রস্তুত ৪০ নাগরিক

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যেসব ব্যক্তি মারা যাচ্ছেন তাদের ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী জানাজা ও দাফন করতে এগিয়ে এসেছেন সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত ৪০ নাগরিক। বিচারক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, মুফতি, মাওলানা, হাফেজ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার, শিল্পী, খেলোয়াড় রয়েছেন এই ৪০ জনের টিমে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির মাধ্যমে নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ওইসব নাগরিকেরা করোনায় মুত ব্যক্তির জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছে। ‘রহমতে আলম সমাজ সেবা সংস্থা’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন তারা। এমনকি মৃত ব্যক্তির নিকটাত্মীয়রাও যদি জানাজা ও দাফন কাজে অংশ নিতে চান সে ব্যবস্থাও করেছে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি। 

সংগঠনটির চেয়ারম্যান সাবেক জেলা জজ এবং নিম্ন আদালতের বিচারকদের সংগঠন জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশেনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান এবং যুগ্ম সম্পাদক আইনজীবী জারিফ কবির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী জানাজা ও দাফন দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের এই সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। যোগাযোগ করার ঠিকানা-বাড়ি নম্বর-২/১, দ্বিতীয় তলা, ফ্ল্যাট নম্বর-২০৩, রোড-৮, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন। হটলাইন-০১৭০৫০৬৬৭২৮।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান জানান, সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারছি যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মুসলিম ব্যক্তির জানাজা হচ্ছে না। ঠিকমতো দাফন হচ্ছেনা। মৃত ব্যক্তির নিকটাত্মীয়রা কাছে যেতে পারছেন না। এসব সংবাদ জানার পর আমরা করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী যথাযথভাবে জানাজা ও দাফন করার ব্যবস্থা করেছি। 

তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকেউ যোগাযোগ করলে আমরা তাদের সবধরণের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি।    

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যক্তির ইসলামী শরীয়া মোতাবেক জানাযা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ কাজে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা যাতে ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়, সে জন্য তিন মিটার দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক সকলেই উন্নত মানের পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভস, সার্জিকাল মাস্ক, চোখে চশমা, জুতার কভার, মাথার ক্যাপ পরিধান করে। এছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে লাশ ও সেবাদানকারী সকলকে ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য জীবাণুনাশক স্প্রেসহ যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা