• ই-পেপার

রুম্পাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, ধারণা আইনজীবীর

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

শনিবার (২৬ জুন) সকালের অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন তিনি। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখেই দেশের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সফরে অর্জিত সাফল্য কোনো ব্যক্তির নয়; এটি বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা দেশের জন্য, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছেন। সে জন্য আমি সব সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না : স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না : স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বাজেট আলোচনায় সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার ‘কড়া’ বার্তা দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবু নির্ধারিত সময়ের বাইরে বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য আরেকটু সময় বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করার পরিপ্রেক্ষিত স্পিকার বলেন, ‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’

আজ শনিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে স্পিকার সময়ের ব্যাপারে সদস্যদের সময়ের বিষয়টি মনে করিয়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘হাতে সময় কম; তাই সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপরা সদস্যদের জন্য যে সময় নির্ধারণ করেছেন, তার বাইরে বক্তব্য বাড়ানো হবে না।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা করা হয়।

সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আজ এবং কাল এই দুই দিনই বাজেটের ওপর বক্তব্য চলবে। তারপরে কার্যক্রম, অন্য কার্যক্রম আমরা হাতে নেব। আজকে যে সময়টি আপনাদের সরকারি দল এবং বিরোধী দলের হুইপ নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সেই সময়টি আমি আহ্বান জানাবার সময়, আপনাদের জানিয়ে দেব এবং এরপর আর বাড়াতে হবে না।’

বক্তব্য যেন অসমাপ্ত না থাকে, সে জন্য সদস্যদের ‘সময় পরিকল্পনা করে’ কথা বলার আহ্বান জানান স্পিকার। সময় বাড়ানোর অনুরোধ না করতে সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘বাজেট অধিবেশন সফলভাবে শেষ করতে নির্ধারিত সময় মেনে চলা ছাড়া উপায় নেই।’

এর আগেও অধিবেশনের শুরুতে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় সময় নির্ধারিত করে দেন স্পিকার।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধন্যবাদ প্রস্তাব তোলার পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার বলেন, ‘আমার মনে হয় যে ৫ মিনিট করে, যদি ৫ মিনিটের মধ্যে আপনারা বক্তব্য শেষ করেন, তাহলে বাজেটের আলোচনায় আমরা ফিরে যেতে পারি।’

ধন্যবাদ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর বাজেট আলোচনায় প্রথম বক্তা হিসেবে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ৬ মিনিট সময় দেন স্পিকার।

নির্ধারিত সময় শেষে হামিদুর রহমানকে থামিয়েও দেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেন তিনি।

কিন্তু বক্তব্যের শেষ দিকে ফজলুল হক মিলন আরো ২ মিনিট সময় চাইলে স্পিকার তা নাকচ করেন। তবু মিলন বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এই ২ মিনিট সময় দেন না।’ জবাবে স্পিকার বলেন, ‘সময় নাই।’

মিলন আবারও সময় চাইলে স্পিকার বলেন, ‘আমি তো বক্তব্যের প্রারম্ভে বলেছি, মুদি দোকানে লেখা থাকে না—বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না; সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’

পরে শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুর রহমান কিরণকে ৬ মিনিট সময় দিয়ে স্পিকার এ ব্যাপারে বলেন, ‘ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বক্তব্য রাখবেন এবং এক মিনিট বাকি থাকতে সমাপ্ত করবেন, যাতে আপনি সমাপ্ত করতে পারেন বক্তব্য।’

চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী সময় নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তাকেও নির্ধারিত সময় মেনে বক্তব্য শেষ করার কথা মনে করিয়ে দেন স্পিকার।

গিয়াস উদ্দিন কাদের বলেন, তিনি ৭ মিনিট সময় পেয়েছেন, তবে স্পিকারের কাছ থেকে কিছুটা ‘উদারতা’ আশা করেছিলেন। কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই স্পিকার বলেন, ‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সামনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের পথ খুলবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা জানান তিনি। সংবাদ ব্রিফিংয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে চীন আমাদের বলেছে যে তারা বাংলাদেশ এবং মায়ানমার দুই পক্ষকে সাহায্য করবে, যাতে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যাটা সমাধান হয়।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনটি পক্ষ আছে, উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনটা পক্ষের একটা হচ্ছে মায়ানমার, আরেকটা এখন জায়গাটা যাদের অধীনে আছে আরাকান আর্মি এবং বাংলাদেশ। এ ছাড়া রোহিঙ্গা যারা আমাদের দেশে আশ্রিত আছেন, তারাও একটা পক্ষ।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, মায়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরাকান আর্মি প্রধান; উভয়পক্ষই আমাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। আমি বেশি খোলাসা করে বলতে পারব না। সুতরাং আমাদের যোগাযোগ আছে। বর্তমান সরকার যে ধরনের জনসমর্থন নিয়ে এসেছে, যে শক্তিতে এসেছে; আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে আমরা এই সমস্যার সমাধানের একটা পথ দেখতে পাব। আপনারা মনে রাখবেন, আগে দুবার কিন্তু বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করেছে। এটা সবাই জানে এবং আমরা যে সমাধান করব এটাও সবাই জানে।’

আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন, বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন

অনলাইন ডেস্ক
আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন, বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন
সংগৃহীত ছবি

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, তর্ক উত্থাপন করে সংসদকে উত্তপ্ত করতে চাই না। শুধু একটা কথা বলতে চাই, নিজের কথা নিজেরাই বিচার করেন, আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন? স্বাধীনতার একদিন আগে কারা হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে? কারা বুদ্ধিশূন্য করতে চেয়েছিল বাংলাদেশকে? এই বিষয়টা একটু নজরে নিয়ে আসেন। একইসঙ্গে জয়নুল আবদীন ফারুক মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান বাজেট আলোচনায়।

শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন সকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় বিরোধী দলের নেতাদের সমালোচনার জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমাদের বিরোধী দল সমালোচনা করে, অবশ্যই সে সমালোচনার উত্তর আমরা দেব। আজ সব ক্ষেত্রে আপনারা সমালোচনা শুরু করেছেন, এই সমালোচনাগুলো– জাতি গঠনে আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব, এই পারে আপনারা একদিন আসবেন, ওই পারেও আমরা আরেকদিন যাব, এটাই গণতন্ত্রের নিয়ম। কিন্তু গণতান্ত্রিকভাবে সমালোচনা যদি করেন, আজ একটু আগে আমার ভাই জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী সাহেব, উনার সঙ্গে আমার এই সংসদে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। উনিও কয়েকবার এই পার্লামেন্টে এই বাজেট উত্থাপিত দেখেছেন, উত্থাপন করা দেখেছেন, শুনেছেন। উনি একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন ইসলাম নিয়ে। ইসলাম নিয়ে কথা বলার তো দরকার নেই। তর্ক উত্থাপন করে সংসদকে উত্তপ্ত করতে চাই না। শুধু একটা বলতে চাই, নিজের কথা নিজেরাই বিচার করেন, আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন? নিজেরাই বিচার করেন, আমাদের বলার দরকার নেই।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আপনি একটু তাকান মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানের দিকে। স্বাধীনতার একদিন আগে কারা হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে? কারা বুদ্ধিশূন্য করতে চেয়েছিল বাংলাদেশকে? এই বিষয়টা একটু নজরে নিয়ে আসেন। আপনারা একটু দেখেন, আমরা যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার কণ্ঠে রেডিওতে যুদ্ধের আহ্বান শুনেছি, ঘোষণা শুনেছি, তখন দৌড়োচ্ছিলাম। এই দলের সদস্যও ছিলাম না, আমরা সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আজ আপনাদের দলেও অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বক্তব্য দিয়েছেন। সেখানে তো আপনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়াবার জন্য কথাটা বলেননি। জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছে, যারা আহত হয়েছে, তাদের অবশ্যই আমরা স্মরণ করবে। কিন্তু ৭১-কে ভোলা যাবে না। ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে.. আজকে অর্থমন্ত্রী যে বাজেট দিয়েছেন, স্বাধীনতা পাওয়ার কারণে। সেই স্বাধীনতা যোদ্ধাদের প্রতি আমি অর্থমন্ত্রী, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করব, অন্তত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাটা বাড়িয়ে দেন। যাতে বাংলাদেশে একটা স্বর্ণাক্ষরে আপনার নামটা লেখা থাকে।

বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আসুন বাংলাদেশের যে ইতিহাস, সেই ইতিহাস আলোচনা করে এই সংসদকে আগে বলেছি উত্তপ্ত করা যাবে না। তাই আমি অনুরোধ জানাব আসুন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে আদর্শ নিয়ে দেশ গড়ার সুযোগ করে দিয়ে গেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই সংসদে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। সে দেশনেত্রীর কাছে অনেক কথাই শিখেছি। যেদিন এই চেয়ার থেকে আমার খালেদা জিয়াবিরোধী দলের নেতা হিসেবে এখানে উপস্থিত ছিলেন, এই নেত্রী স্লিপ দিয়ে সংসদ সদস্যদের বলে দিত এটা বলো? আজ সাড়ে চার মাসে একটা প্রমাণ দিতে পারবেন আজকের সংসদের নেতা কোনো এমপিকে আমাদের দলীয় স্লিপ দিয়ে বলেছে এটা বলো? তাহলে এটাই প্রমাণ হয়, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেই গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়েছে এই পাশে বসা যারা ১৬ বছর দেশ শাসন করেছেন, নিষ্পেষিত করেছে, যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, যারা এই ১৭ বছরে গুম হয়েছে। আজকে এই সংসদে বসা উনি বলেছেন যে, আমার স্বামীকে (ইললিয়া আলী) ফেরত দেন। তাই আজকে আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই এই বলে, আসুন সবাই মিলে দেশ গড়ি। বাংলাদেশ সবার আগে।

রুম্পাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, ধারণা আইনজীবীর | কালের কণ্ঠ