• ই-পেপার

লাইফ সাপোর্টে কথাসাহিত্যিক শওকত আলী

অভিবাসীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় জোর দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিবাসীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় জোর দেওয়ার আহ্বান
সংগৃহীত ছবি

অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানী, তথ্যভিত্তিক ও নৈতিক সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। অভিবাসন খাতে প্রতারণা, শোষণ ও আইনি জটিলতার চিত্র বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে পারলে জনসচেতনতা যেমন বাড়বে, তেমনি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

আজ সোমবার ‍(২৭ জুলাই) রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) আয়োজিত ‘অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি’ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘প্রেস ক্যাফে’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনথেনড অ্যান্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়)’ অ্যাক্সেস টু জাস্টিস কার্যক্রমের আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের সিমস প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে উপস্থাপনা করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিএনডব্লিউএলএর পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান বলেন, অভিবাসী কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের তথ্যনির্ভর প্রতিবেদন নীতিনির্ধারণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও সহায়ক হতে পারে।

অনুষ্ঠানে অভিবাসনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মো. মহিউদ্দিন ও হেলভেটাস বাংলাদেশের সিমস প্রকল্পের নিরাপদ অভিবাসনবিষয়ক প্রকল্প সমন্বয়কারী সাজ্জিদ আহমেদ অভিবাসন বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, নৈতিক প্রতিবেদনের কৌশল এবং প্রমাণভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা অংশ নিয়ে অভিবাসন খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। তথ্যসমৃদ্ধ ও পেশাদার সাংবাদিকতাকে অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেন তারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশগামী কর্মীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কর্মস্থল পর্যন্ত নানা ধরনের প্রতারণা, শোষণ ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হন। অনেক ক্ষেত্রে তারা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধার সম্মুখীন হন। এসব বাস্তবতা ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে পারলে অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব হবে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেসসচিব উম্মে মারুফা

অনলাইন ডেস্ক
কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেসসচিব উম্মে মারুফা

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেস উইংয়ের প্রথম সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উম্মে মারুফা। 

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

উপসচিব গোলাম রব্বানীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উম্মে মারুফাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেস উইংয়ে প্রথম সচিব (প্রেস) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।

যোগদানের তারিখ থেকে এই পদে নিয়োগের মেয়াদ হবে এক বছর। এ ছাড়া এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও জনস্বার্থে জারি করা ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুলাই কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব মো. তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে তারিক চয়ন পদত্যাগ করেন। 
 

আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে। গ্যাসসংকটের জন্য জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ভুলটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের। সরকারি প্রতিষ্ঠানের এখানে ভুল নেই। তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে সরকার। তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে না পারা ব্যর্থতা, এ জন্য বারবার দুঃখপ্রকাশ করছে সরকার। আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকার এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে। তাদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তার ভিত্তিতে আশা করছি, গ্যাসসংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে শুরু করবে। সরকারের তরফ থেকে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমদানীকৃত গ্যাস এবং দেশীয় উৎপাদন দিয়েও চাহিদার পুরোটা পূরণ করতে পারছি না। সমাধানে বিকল্প উৎস সন্ধান চলছে, বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইন্ডাস্ট্রিতে সরবরাহ নিয়ে কাজ হচ্ছে। একটি চীনা কম্পানি বাংলাদেশ সফর করছে, তাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পরিকল্পনামাফিক জ্বালানি নিয়ে কাজ হয়নি। গত দেড় যুগ আগের সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না খুঁজে তাৎক্ষণিক সমাধান খুঁজেছে এবং তাদের অসৎ উদ্দেশ্যের জন্য সংকট এ পর্যায়ে এসেছে।’

পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইন প্রয়োগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইন প্রয়োগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শনকালে পলিথিনবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি মার্কেটের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একবার ব্যবহার যোগ্য পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকার ইতিমধ্যে পাতলা পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করেছে। এখন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা প্রথমে মানুষকে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করছি। এরপরও যদি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা না হয়, তবে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।’

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন মাটি, পানি, বায়ু ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি নগরের জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ। পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সর্বস্তরের নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি ব্যবসায়ীদের নিষিদ্ধ পলিথিন মজুত, বিক্রি ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও অন্যান্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। নিয়মিত বাজার পরিদর্শন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, গত ৬ মাসে ১৬৮টি পলিথিন বিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২০৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময় ১৯ লাখ টাকার বেশি জরিমানা এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি পলিথিন জব্দ করা হয়।

পরিদর্শনকালে তিনি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে পরিবেশবান্ধব বাজারের ব্যাগ বিতরণ করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।