kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিপর্যস্ত পর্যটন অর্থনীতি

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া    

৩০ মে, ২০২০ ২০:০৭ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিপর্যস্ত পর্যটন অর্থনীতি

করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় সমগ্র বিশ্ব আজ জর্জরিত এবং আক্রান্ত। এই আগ্রাসী ভাইরাসে থমকে গেছে পৃথিবী। পৃথবীর মানুষ গত ৫ মাস ধরে এই অদৃশ্য ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। ভাইরাস থেকে বাঁচতে মানুষ আজ ঘরবন্দি। থমকে আছে সকল অর্থনৈতিক, সামাজিক কর্মকাণ্ড। এই অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের শক্তিশালী পরাক্রমশীল রাষ্ট্রগুলো আসহায় দিশেহারা। এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ নিষেধ জারি করা হয়েছে। এই ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সারা বিশ্বে নিরন্তর চলছে অনেক গবেষণা। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকারি কোন ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। যার শতভাগ প্রভাব পড়েছে পর্যটনের সাথে সম্পৃক্ত খাতগুলোতে। 

২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালের শুরুটা পর্যটনের জন্য বেশ ভালোই ছিল। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে পর্যকের সংখ্যা বিগত বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি ছিল। তবে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ব্যাপক নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে বিগত মাসের তুলনায় ৯ শতাংশ এবং মার্চ মাসে ৫৭ শতাংশ পর্যটকের আগমন কম হয়েছে। আর এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এশিয়া এবং প্যাসিফিক অঞ্চল। যেইখানে প্রায় ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে। বিশ্বব্যাপী লকডাউন জোরধার হওয়ার সাথে সাথে পর্যটকের সংখ্যাও দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। 

বিশ্বে করোনার প্রভাব কত দিন থাকবে তা এখনি সঠিক করে বলা যাচ্ছে না। আর এর প্রভাবে লকডাউন কার্যক্রম কত দিন থাকবে তাও বলা যায় না। তবে বিশ্ব পর্যটন সংস্থা তিন ধরনের পূর্ভাবাস দিয়েছে। যাতায়াতের উপর বিধি নিষেধের উপর ভিত্তি করে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। যদি জুলাই পর্যন্ত এই অবস্থা চলতে থাকে তবে বিগত বছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কম হবে, সেপ্টম্বর পর্যন্ত হলে তা ৭০ শতাংশ হবে আর ডিসেম্বর পর্যন্ত হলে তা গিয়ে দাঁড়াবে ৭৮ শতাংশ। যা পর্যটন শিল্পের জন্য এক ভয়াবহ পরিস্থির দিক নির্দেশ করছে। একই সাথে এর প্রভাব পড়বে পর্যটনের সাথে সম্পৃক্ত কর্মসংস্থানে। বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে এই স্ময়ে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ মিলিয়ন চাকুরি ক্ষতির মুখে পড়বে। 

২০১৯ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটনের ভূমিকা ছিল জিডিপিখাতে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। যা মোট জিডিপির প্রায় ১১ শতাংশ। করোনার প্রভাবে এখন পর্যন্ত পর্যটন খাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২.১ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে চাকরি হারাবে প্রায় ৭.৫ কোটি পর্যটন কর্মী। করোনার ভয়াল থাবায় শুধুমাত্র পর্যটনখাতে বিগত বছরের (২০১৯) তুলনায় এই বছর (২০২০) আয় কমবে প্রায় ২৬৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার। ব্যবসায় খাতে ভ্রমণ বাবদ ক্ষতির সম্মুখীন হবে ৮১০.৭ বিলিয়ন ডলার। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে বিশ্বব্যাপি রেস্টুরেন্টখাতে শতভাগ ব্যবসায় বন্ধ ছিল।  

২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে এই রোগের প্রথম অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও বর্তমানে তা পৃথিবীর প্রায় ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এই রোগের বিস্তার হয়েছে। যার ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কভিড-১৯ কে বিশ্ব মহামারি হিসাবে ঘোষণা করে। বর্তমানে সারা পৃথিবীর ৫৭ লক্ষের অধিক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজারেও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন কভিড-১৯ রোগে। প্রতিদিন এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কার্যকারী লকডাউনসহ নানান ভ্রমণ বিধিনিষেধের ফলে প্রতিদিন মোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমছে। সেই সাথে বিভিন্ন দেশ লকডাউন কিছুটা শিথিল করে দিচ্ছে। তবে ভাইরাসের প্রবণতা এই সুযোগে আরো বাড়ার আশঙ্কা করছে।  

বর্তমানে চীনসহ কিছু দেশ এই রোগটিকে নিয়ন্ত্রন করতে পেরেছে। এটি নিয়ন্ত্রণের এক মাত্র উপায় হলো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ঘরে থাকা। এই ফলে সারা বিশ্বের সকল প্রকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে একপ্রকার স্থবিরতা দেখা দিয়েছে যার প্রভাব পড়েছে পর্যটন খাতে। সর্বপ্রথম যার প্রভাব পড়ে এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতে। কভিড-১৯ এর ফলে দেশগুলো পরস্পরের সাথে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়।  

বিশ্ব পর্যটন সংস্থা সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে বিশ্বের শতভাগ পর্যটন স্থান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এইসকল স্থানে প্রায় চার সপ্তাহ এবং কিছু কিছু স্থানে তারো অধিক সময় থেকে এই বিধি নিষেধ চলছে। এই রিপোর্টে ২১৭ স্থানের উপর জরিপ চালানো হয়। যাতে বলা হয় ৪৫ শতাংশ স্থান পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি বা আংশিক ভাবে বন্ধ করা হয়েছে, ৩০ শতাংশ স্থান আংশিক বা পুরোপুরিভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করেছে, ১৮ শতাংশ দেশ নির্দিষ্ট দেশ থেকে আগত পর্যটকদের জন্য নিষেধ আরোপ করেছে। ৭ শতাংশ দেশ আরো বিভিন্ন প্রকার বিধি নিষেধ আরোপ করেছে।  

কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের পর মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এই রোগের বিস্তার রোধে প্রথমেই দেশগুলো তাদের আকাশ পথ সীমিত করে দিয়েছে। এর ফলে এয়ারলাইন্স খাতের সাথে সম্পৃক্ত সকলে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সারা পৃথিবীতে কয়েক লক্ষ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রাসপোর্ট এসোসিয়েশনের মতে, এয়ারলাইন্স খাতে ২০২০ সালের তুলনায় এইবছর প্রায় ১১ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি কম হবে। তাছাড়া জুন মাস পর্যন্ত প্রায় ২০ লক্ষ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা যাচ্ছে যে এভিয়েশন খাতে প্রায় ১৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হবে। তাছাড়া এই শিল্পখাত প্রায় ৬৫.৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থান দিয়ে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে যে করোনাভাইরাসের প্রভাবে এভিয়েশন খাতে বিশ্বব্যাপি প্রায় ২৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে। বাংলাদেশ বিমান তাদের সকল ফ্লাইট বিগত ২ মাস ধরে বন্ধ রেখেছে। বিমান চলাচল কবে নাগাদ স্বাভাবিক হয় তা এখনি বলা যাচ্ছে না। এর ফলে আর্থিক দিক থেকে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে এই শিল্পখাতটি। পাশাপাশি কর্মসংস্থানেও পড়বে নেতিবাচক প্রভাব। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বাদে অন্যান্য বেসরকারি এয়ারলাইন্সে ৬০০ কোটি টাকা এবং কর্মহীন প্রায় ২,০০০ জন। তাছাড়া বেশকিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রভাব কেটে গেলেও সমগ্র পৃথিবীতে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হতে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। 

এভিয়েশন খাতের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বর্তমানে পর্যটন খাত পৃথিবীর জিডিপিতে প্রায় ১১ শতাংশ অবদান রাখে। ২০১৯ সালে বিশ্বে পর্যটকের সংখ্যা ছিল প্রায় ১.৫ বিলিয়ন। ওয়াল্ড ট্যুরিজম ওরগানাইজেশন (ডব্লিটিও) ধরণা করেছিল যে এই বছর এ হার আরো ৪ থেকে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এ গতিতে ধস পড়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার যার প্রভাব আরো বযাপক হতে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাব চলে গেলেও পর্যটন খাত স্বাভাবিক হতে বেশ সময় লেগে যেতে পারে। কারন করোনার প্রভাবে পৃথিবীর অনেক মানুষের বেকার হয়ে পড়েছে। মানুষের সঞ্চয় কমে গেছে। ফলে জীবন যাত্রার মানও কমে গেছে। তাই মানুষ আগের চেয়ে ভ্রমণ কম করবে। তাছাড়া স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে সবাই ভ্রমণ পরিকল্পনা করবে। এই সকল কারনে করোনার প্রভাব ২০২০ সালের মধ্যে শেষ হয়ে গেলেও পর্যটন খাত স্বাভাবিক হতে আরো দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে।   

পর্যটনের উপর নির্ভরশীল দেশগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। থাইলেন্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনের মত দেশগুলোর জিডিপির একটি বড় অংশ আসে পর্যটন থেকে। তাছাড়া আমেরিকা, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্সের মত পর্যটনে উন্নত দেশগুলো সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কভিড-১৯ এর ভয়ংকর প্রভাব পড়েছে স্পেনের পর্যটন শিল্পে। দেশটির জিডিপিতে পর্যটনখাতের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। ২০১৯ সালে স্পেনে প্রায় ৮৪ মিলিয়ন পর্যটক আসে এবং দেশটি প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করে। পর্যটন খাতে দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। কিন্তু দেশটি বর্তমানে পর্যটক শূন্য। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে এইখাতে সারা বিশ্বে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ কম হতে পারে। সেই হিসাবে ৪৫০ বিলিয়ন ডলার কম প্রবৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলোতে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ফলে তারা লকডাউন কিছুটা ধীরে ধীরে তুলে নিচ্ছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে এর ফলে করোনার প্রকোপ আরো বেড়ে যেতে পারে। তবে লকডাউন তুলে নিলেও ব্যবসা বানিজ্যসহ পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি ঠিক হতে আরো অনেক সময়ের প্রয়োজন।     
 
বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প একটি উদীয়মান শিল্প। বিগত কয়েক বছরে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক উন্নতি চোখে পড়ার মত। তবে করোনা ভাইরাসের রাহুগ্রাসের প্রভাবে এই শিল্পে ধস নেমে এসেছে। সকল প্রকার হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন (পাটা) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জানুয়ারী থেকে মে, ২০২০ পর্যন্ত মোট পাঁচ মাসে সার্বিক পর্যটন শিল্পে ৯,৭০৫ কোটি টাকার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং প্রায় ৩,০৯,৫০০ জন তাদের চাকুরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। হোটেল/রিসোর্ট এবং রেস্তোরায় প্রায় ২,০০০ কোটি টাকা এবং কর্মহীন প্রায় ২,৫০,০০০ জন, ট্রাভেল এজেন্সিতে ৩,০০০ কোটি টাকা এবং কর্মহীন প্রায় ১৫,০০০ জন, ট্যুর অপারেশনে ৪,০৫০ কোটি টাকা (ইনবাউন্ড, আউটবাউন্ড ও ডমিষ্টিক) এবং কর্মহীন প্রায় ৪১,০০০ জন, পর্যটন পরিবহণ ও পর্যবাহী জাহাজে ৫৫ কোটি টাকা এবং কর্মহীনের সংখ্যা হবে প্রায় ১,৫০০ জন।

সারা বিশ্ব তথা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের জন্য নিশ্চিত বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। এই বিপর্যয় কতদিন স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে করনা ভাইরাস কত দিনে নির্মূল হয়। বিশ্ব পর্যটন এর আগেও বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেছে। ২০০০ সালের পর থেকে সার্স, মার্স, ইবোলার মত ভাইরাস পৃথিবীতে হানা দিয়েছিল। তবে সেইগুলোর প্রভাব কোন নির্দিষ্ট অঞ্ছলে আবদ্ধ ছিল। যার প্রভাব ছিল ক্ষণস্থায়ী।  তবে করনো ভাইরাস পরবর্তী সময়ে সকলকে কঠিন সময় পার করতে হবে। তাই বর্তমান বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে আমাদের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন হবে। 

যেকোন সমস্যার সঠিক সমাধান ও মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং পরামর্শ অতি গুরুত্বপূর্ণ। কিছু দেশ জুন থেকে কিছু কিছু করে বিধি নিষেধ তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে। তবে পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে। বর্তমানে চলমান করোনা ভাইরাসের সৃষ্ট মহামারি, মহামারি নিয়ন্ত্রণ এবং তা কত সময় ধরে চলবে তা সময়ই বলে দিবে। বর্তমান পর্যটনে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে আমাদের সঠিক পরিকল্পনা, সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে এর সঠিক রূপরেখা তৈরি করতে হবে। সরকারের সুদৃষ্টি, সহায়তা পারে এই শিল্পটিকে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে।


লেখক : চেয়ারম্যান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

***  মতামত লেখকের নিজস্ব; কর্তৃপক্ষের নয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা