• ই-পেপার

শীতে ঘন ঘন লিপবাম ব্যবহারই শেষ কথা?

ঘামাচি ও র‍্যাশের ঘরোয়া সমাধান নিমপাতা, যেভাবে করবেন ব্যবহার

জীবনযাপন ডেস্ক
ঘামাচি ও র‍্যাশের ঘরোয়া সমাধান নিমপাতা, যেভাবে করবেন ব্যবহার
সংগৃহীত ছবি

তীব্র গরমে ঘামাচি, র‍্যাশ, ব্রণ ও চুলকানির সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই দামি বডিওয়াশ, সিরাম বা ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা অনেক সময় কোনো কাজে আসে না। তবে নামী-দামী প্রসাধনী ছাড়াই প্রকৃতির কোল থেকে মিলতে পারে এর স্থায়ী সমাধান। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিমপাতায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ ও গরমের সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। চলুন, জেনে নিই ত্বকের সুরক্ষায় নিমপাতা ব্যবহারের সহজ উপায়।

নিম পানিতে গোসল
এক মুঠো তাজা নিমপাতা দুই গ্লাস পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানিটি ছেঁকে নিয়ে গোসলের বালতির পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে গোসল করলে ঘামাচি দূর হয় এবং শরীর ঠাণ্ডা থাকে। যাদের পিঠে ও বুকে ব্রণ হয়, তাদের জন্য এই পদ্ধতি বেশ উপকারী।

নিম ও হলুদের মাস্ক
গরম ও আর্দ্রতার কারণে ত্বকে তেলের ভাব বেড়ে যায়। এই তেল ও ব্রণ দূর করতে তাজা নিমপাতা বাটার সাথে এক চিমটি হলুদ এবং সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকবে এবং ত্বক সতেজ দেখাবে।

সানবার্নে অ্যালোভেরা ও নিম
রোদে ত্বক পুড়ে লাল হয়ে গেলে বা জ্বালাপোড়া করলে নিমপাতা থেঁতো করে তার সাথে ঠাণ্ডা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এই মিশ্রণটি ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তোলে এবং দ্রুত আরাম দেয়।

নিম চা
শরীরের ভেতর টক্সিন বা বর্জ্য জমা হলে ত্বকে ব্রণ ও র‍্যাশ বেশি দেখা দেয়। রক্ত পরিষ্কার করতে এবং লিভার ভালো রাখতে তাজা নিমপাতা ফোটানো পানি বা নিম চা পান করতে পারেন। স্বাদ কিছুটা তেতো হলেও শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে এটি দারুণ কাজ করে।

ত্বকের যত্নে নিম তেল
মশার কামড় থেকে বাঁচতে এবং ত্বকের চুলকানি ও প্রদাহ কমাতে নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরাসরি না মেখে, নারিকেল তেল বা আমন্ড অয়েলের সাথে কয়েক ফোঁটা কোল্ড-প্রেসড নিম তেল মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি খুশকি ও উকুন দূর করতেও সাহায্য করে।

সূত্র : এই সময়

৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে?

অনলাইন ডেস্ক
৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে?
সংগৃহীত ছবি

বছরের প্রায় সময়ই বাজারে পাওয়া যায় এমন ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কলা। এটি যেমন সহজপ্রাচ্য, তেমনি দামও প্রায় হাতের নাগালে। এ কারণে প্রায় সবাই খেতে পারেন ফলটি। এর বিভিন্ন স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। স্বাদে হালকা মিষ্টি হওয়ায় সকালের নাশতায় কিংবা ডেজার্টে বা যেকোনো খাবারে স্লাইস করে দিয়ে টেবিলে রাখা যায় কলা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফলটি স্বাস্থ্য উপকারী হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন―টানা ৪৫ দিন একটি করে কলা খেলে কী ঘটবে শরীরে? সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

  • কলার পুষ্টিগুণ

ইউএসডিএ’র তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কলায় ৮৯ ক্যালোরি, ০.৩৩ গ্রাম চর্বি, ০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, ১ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ২২.৮০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৬০ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ১.০৯ গ্রাম প্রোটিন এবং ৩৫৮ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে।

  • কলার উপকারিতা

কলাকে বলা হয় পটাশিয়ামের দারুণ উৎস, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেশীর কার্যকারিতা সচল রাখে। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে, যা একে সকালের নাশতা বা ওয়ার্কআউটের আগের নাশতা হিসেবে আদর্শ করে তোলে। এর ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং সেরোটোনিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা আপনার কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে ও শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে কাজ করে।

  • গবেষণা কী বলছে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যান্ড অ্যান্টি-অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক পটেনশিয়াল অব ব্যানানা’ শীর্ষক গবেষণা অনুযায়ী, কলা কার্বোহাইড্রেট, ডায়েটারি ফাইবার, প্রোটিন, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ক্যারোটিনয়েড, ফ্ল্যাভোনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, ফাইটোস্টেরল, গ্যালোকেটচিন, ক্যাটেচিন ও অন্যান্য পলিফেনলের জন্য দারুণ উৎস। এসব যৌগগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা অ্যান্টি-অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক এবং কার্ডিওভাসকুলার প্রতিরক্ষামূলক উপাদান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক ভূমিকা পালন করে।

এছাড়া কলা যদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যায়, তাহলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে কাজ করে। কলার খোসাতেও ফাইবার, প্রোটিন, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, গ্যালোকেটচিন, ক্যাটেচিন ও অন্যান্য পলিফেনল যৌগ থাকে।

  • ৪৫ দিন পর কী ঘটে শরীরে

বলা হয়, কলার মাধ্যমে বেশি পটাশিয়াম গ্রহণের ফলে স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে, পেশী ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা রক্ষা করে এবং শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। কলায় প্রায় ২.৬০ থেকে ৩ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে এটি নিয়মিত খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হওয়া, পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ভালো রাখা এবং সামগ্রিক হজম স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কাজ করে।

কলা এমন ফল, যা কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে তুলনামূলকভাবে সহজে হজম হয়, ফলে এটি বিশেষ করে ব্যায়ামের আগে বা পরে শক্তির একটি দুর্দান্ত উৎসব হয়ে ওঠে।

  • ক্ষতিকর দিক

ক্ষেত্রবিশেষ কলা কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ করতে পারে, যা মোট ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে তখন স্বাস্থ্য বেড়ে যেতে পারে। যাদের কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সীমিত করার প্রয়োজন হয়ে থাকে এবং খাদ্যতালিকায় কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে চাইলে প্রথমেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

রাত গভীর হলেই কেন ভিড় করে নানা চিন্তা?

জীবনযাপন ডেস্ক
রাত গভীর হলেই কেন ভিড় করে নানা চিন্তা?
ছবি: কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা

দিনভর ব্যস্ততার কারণে অনেক বিষয় নিয়ে ভাবার সময় হয় না। কিন্তু রাত গভীর হলে, বিশেষ করে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে, হঠাৎ করেই নানা চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করে। কাজের চাপ, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, পারিবারিক বিষয় কিংবা দিনের অসমাপ্ত কাজ—সবকিছু যেন একসঙ্গে মনে পড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র এবং মস্তিষ্কের কার্যক্রমের পরিবর্তন।

মাঝরাতে ঘুম ভাঙে কেন?

ঘুম একটানা একই রকম থাকে না। রাতের প্রথম অংশে গভীর ঘুম বেশি হলেও ভোরের দিকে ঘুম হালকা হয়ে আসে। এ সময় স্বপ্ন দেখার পর্যায়ও বেশি থাকে। ফলে সামান্য শব্দ, আলো বা অস্বস্তিতেও ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

কেন আসে নানা চিন্তা?

রাতের বেলায় চারপাশ অনেকটাই শান্ত থাকে। দিনের মতো তখন আর কাজ, কথা বা অন্য কোনো ব্যস্ততা থাকে না। ফলে মস্তিষ্ক ভেতরের নানা বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ে অসমাপ্ত কাজ, আগামী দিনের পরিকল্পনা কিংবা ব্যক্তিগত নানা বিষয় সহজেই মনে চলে আসতে পারে। অনেক সময় দিনের বেলায় তেমন গুরুত্ব না পাওয়া বিষয়ও রাতে বেশি মনে হতে পারে।

হরমোনেরও আছে ভূমিকা

ভোরের আগে শরীরে কর্টিসল নামের একটি হরমোনের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে। এটি শরীরকে জেগে ওঠার জন্য প্রস্তুত করে। ফলে মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে মস্তিষ্কও তুলনামূলক বেশি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

যেসব কারণে সমস্যা বাড়তে পারে

  • ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার
  • দেরিতে খাবার খাওয়া
  • অতিরিক্ত চা বা কফি পান
  • অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস
  • মানসিক চাপ ও ক্লান্তি

কী করবেন?

  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান।
  • ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
  • রাতে হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে বারবার ঘড়ি বা ফোন দেখবেন না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝে মধ্যে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত এমন হলে এবং ঘুমে প্রভাব ফেললে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

বেকিং ছাড়াই ইতালিয়ান ডেজার্ট ‘তিরামিসু’ বানানোর সহজ রেসিপি

জীবনযাপন ডেস্ক
বেকিং ছাড়াই ইতালিয়ান ডেজার্ট ‘তিরামিসু’ বানানোর সহজ রেসিপি
সংগৃহীত ছবি

মিষ্টিমুখ ছাড়া বাঙালির আড্ডা বা উৎসব যেন জমেই না। তবে রসগোল্লা বা সন্দেশের চেনা স্বাদ থেকে বেরিয়ে এবার যদি টেবিল সাজাতে চান বিদেশি কোনো রাজকীয় স্বাদে, তবে সেরা পছন্দ হতে পারে ইতালির বিখ্যাত ডেজার্ট ‘তিরামিসু’। ওভেন বা বেকিংয়ের কোনো ঝামেলা ছাড়াই কফি আর ক্রিমের যুগলবন্দীতে তৈরি এই ঠাণ্ডা ডেজার্টটি ছোট-বড় সবার মন জয় করে নেবে নিমেষেই। চলুন, জেনে নিই এর রেসিপি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ
ডিম ৪টি (কুসুম ও সাদা অংশ আলাদা করা),
চিনি ১ কাপ,
তরল দুধ আধা কাপ,
হুইপিং ক্রিম ১ কাপ ও ক্রিম চিজ ১ প্যাকেট,
কফি আধা চা চামচ এবং লেডি ফিঙ্গার বিস্কুট ৮ থেকে ১০টি,
ভ্যানিলা এসেন্স কয়েক ফোঁটা ও ডেকোরেশনের জন্য কোকো পাউডার।

প্রস্তুত প্রণালী
একটি পাত্রে পানি গরম করে তার ওপর ডিমের কুসুমের বাটিটি রাখুন (সরাসরি চুলায় দেওয়া যাবে না)। এবার কুসুমের সাথে চিনি ও দুধ মিশিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি ঘন ও মসৃণ হলে নামিয়ে নিন। বাটি গরম থাকায় নামানোর পরও কিছুক্ষণ নাড়ুন, যাতে ডিম জমাট বেঁধে না যায়। এরপর এটি ঢেকে ঠাণ্ডা হতে দিন।

হুইপিং ক্রিম যে বাটিতে নিবেন সেটি আধাঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিলে ক্রিম খুব ভালো জমে। ঠাণ্ডা বাটিতে ক্রিমটুকু ভালো করে বিট করে নিন। এবার আগে থেকে তৈরি করে রাখা কুসুমের মিশ্রণে ক্রিম চিজ ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার বিট করা হুইপিং ক্রিমটুকু অল্প অল্প করে চিজ ও কুসুমের মিশ্রণের সাথে আলতো হাতে মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন, এই ধাপে কোনো বিটার বা হ্যান্ড হুইস্ক ব্যবহার করা যাবে না; চামচ দিয়ে আলতো করে মেলাতে হবে যেন ক্রিমের ফোমি ভাবটা নষ্ট না হয়।

দুইটি কাপ গরম জলে কফি গুলে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার যে পাত্রে তিরামিসু জমতে দেবেন, সেখানে লেডি ফিঙ্গার বিস্কুটগুলো কফি পানিতে মাত্র ২-৩ সেকেন্ড ডুবিয়ে পাত্রে বিছিয়ে দিন। বিস্কুটের এই স্তরের ওপর ক্রিমের মিশ্রণটি ঢেলে সমান করে দিন। এভাবে বিস্কুট ও ক্রিমের আরো একটি লেয়ার তৈরি করুন।

পাত্রটি প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে অন্তত ৮ ঘণ্টার জন্য নরমাল ফ্রিজে রেখে দিন। ফ্রিজ থেকে বের করার পর ওপর থেকে ছাঁকনি দিয়ে হালকা করে কোকো পাউডার ছিটিয়ে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল রেস্টুরেন্ট স্টাইলের তিরামিসু। এবার কেটে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

শীতে ঘন ঘন লিপবাম ব্যবহারই শেষ কথা? | কালের কণ্ঠ