• ই-পেপার

ঢিলেঢালা পোশাকেই আরাম বেশি

পরীক্ষার আগে ভয়? ৩০ সেকেন্ডেই শান্ত হওয়ার উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক
পরীক্ষার আগে ভয়? ৩০ সেকেন্ডেই শান্ত হওয়ার উপায়
ছবি: কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা

পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে অনেক শিক্ষার্থীর বুক ধড়ফড় করে, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কেউ কেউ বমি ভাব বা ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়ার মতো সমস্যায়ও ভোগেন। শুধু পরীক্ষা নয়, মঞ্চে ওঠার আগেও এমন ভয় কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়, তাই এমন অনুভূতি হয়। তবে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের তিনটি সহজ কৌশল মানলে মন অনেকটাই শান্ত রাখা যায়।

১) ১০ সেকেন্ড শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম
নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে ছাড়ুন। এটি দুইবার করুন। এতে শরীর ও মন শান্ত হয়, হৃদস্পন্দন কমে।

২) ১০ সেকেন্ড চাপের কৌশল
বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল ডান হাতে চেপে ধরুন এবং চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর হালকা চাপ দিন। এতে মানসিক চাপ কমে।

৩) ১০ সেকেন্ড হালকা শব্দ করুন
পা মাটিতে রেখে মুখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে “হুম” শব্দ করুন। এতে শরীর রিল্যাক্স হয় এবং মন শান্ত হয়।

এই তিনটি কৌশল একসঙ্গে করলে পরীক্ষার আগের ভয় অনেকটাই কমে যেতে পারে এবং মন স্থির রাখা সহজ হয়।

কর্মক্ষেত্রে শরীর ও মন ভালো রাখতে চান? মাত্র ৫ মিনিট হেঁটেই মিলবে ফল

অনলাইন ডেস্ক
কর্মক্ষেত্রে শরীর ও মন ভালো রাখতে চান? মাত্র ৫ মিনিট হেঁটেই মিলবে ফল
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা বর্তমানে অনেক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। ইমেইলের জবাব দেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করা কিংবা ভিডিও মিটিংয়ে অংশ নেওয়া—এসব কারণে দিনের বড় একটি সময় চেয়ারে বসেই কাটে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তাদের মতে, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ঘণ্টায় মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে শরীর ও মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। গবেষকদের মতে, এটি কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়গুলোর একটি। ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিটের হাঁটার বিরতিকে ‘মুভমেন্ট স্ন্যাকস’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণার প্রধান গবেষক কিথ ডিয়াজ বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জেগে থাকার সময়ের প্রায় ৭৫ শতাংশই বসে কাটান। তাই শুধু ‘কম বসুন, বেশি নড়াচড়া করুন’ বললেই হবে না, মানুষের জানা দরকার ঠিক কতটা নড়াচড়া করলে উপকার পাওয়া যায়। তার মতে, প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটলে মানুষের মন ভালো থাকে, ক্লান্তি কমে এবং এটি বেশিরভাগ কর্মীর কাছেই বাস্তবসম্মত বলে মনে হয়েছে। 

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ হাজারের বেশি কর্মী অংশ নেন। তাদের বেশিরভাগই অফিসে কাজ করেন এবং প্রতিদিন আট থেকে নয় ঘণ্টা কর্মস্থলে থাকেন। গবেষণার প্রথম সপ্তাহে অংশগ্রহণকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করেন। এ সময় তারা প্রতিদিন নিজেদের ক্লান্তি, মনোভাব এবং কাজের দক্ষতা সম্পর্কে তথ্য দেন। পরবর্তী দুই সপ্তাহে তাদের বিভিন্ন সময় পরপর হাঁটার বিরতি নিতে বলা হয়। কেউ প্রতি আধা ঘণ্টা পর পাঁচ মিনিট হাঁটেন, কেউ প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটেন, আবার কেউ প্রতি দুই ঘণ্টা পর একবার হাঁটেন। এরপর গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা ও কাজের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি আধা ঘণ্টা পর হাঁটলে মন ভালো থাকে এবং ক্লান্তি কমে। তবে এত ঘন ঘন বিরতি নেওয়ার কারণে নিয়মিত কাজের কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অন্যদিকে প্রতি দুই ঘণ্টা পর হাঁটা একেবারে না হাঁটার চেয়ে ভালো হলেও এর প্রভাব তুলনামূলক কম ছিল। গবেষকেরা দেখেছেন, প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটার অভ্যাস সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। এতে কর্মীদের কাজের গতি বেড়েছে, মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তারা বেশি সতর্ক ও সক্রিয় অনুভব করেছেন।

কিথ ডিয়াজ বলেন, অনেক কর্মী মনে করেন কাজের মাঝখানে বিরতি নিলে উৎপাদনশীলতা কমে যাবে। আবার কেউ কেউ উদ্বিগ্ন থাকেন, তাদের বস বা সহকর্মীরা বিষয়টি কীভাবে দেখবেন। তবে গবেষণার ফলাফল বলছে, বাস্তবতা ঠিক উল্টো হতে পারে। ডিয়াজের ভাষায়, নড়াচড়ার জন্য নেওয়া ছোট বিরতি কর্মীদের পরিকল্পনা করার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা, মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি তারা নিজেদের বেশি স্বস্তিদায়ক, সতেজ এবং কর্মক্ষম মনে করেন। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস গড়ে তুলতে অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন নেই। অফিসের ভেতরে বা বাইরে কয়েক মিনিট হাঁটলেই যথেষ্ট। মিটিংয়ের সময় হাঁটতে হাঁটতে আলোচনা করা, ফোনে কথা বলার সময় হাঁটাহাঁটি করা কিংবা প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিট ডেস্ক ছেড়ে উঠে দাঁড়ানো—এসব ছোট পরিবর্তনও উপকার বয়ে আনতে পারে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ হৃদরোগ নার্স এমিলি ম্যাকগ্রাথ গবেষণার ফলাফলকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও কিছু সতর্কতার কথা বলেছেন। তার মতে, সাধারণ কিছু শারীরিক নড়াচড়াও মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তবে এই গবেষণার তথ্য অংশগ্রহণকারীদের নিজের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং গবেষণাটি তুলনামূলক স্বল্প সময়ের ছিল। তাই দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ও অন্যান্য শারীরিক উপকারিতা কতটা পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে আরো বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

তবে বর্তমান গবেষণার ফলাফল বলছে, দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকার পরিবর্তে প্রতি ঘণ্টায় অন্তত পাঁচ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুললে তা শরীর ও মন দুইয়ের জন্যই উপকারী হতে পারে।
 

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে যেসব পানীয়

জীবনযাপন ডেস্ক
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে যেসব পানীয়
সংগৃহীত ছবি

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বললেই অনেকে সবার আগে গ্রিন টি-র কথা ভাবেন। স্বাস্থ্যের জন্য এই চায়ের নানা গুণের কথা সবারই জানা। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, গ্রিন টি ছাড়াও এমন কিছু ঘরোয়া পানীয় রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পাশাপাশি এই পানীয়গুলো খেলে হৃদ্‌যন্ত্র বা হার্ট ভালো থাকে। চলুন, জেনে নিই পানীয়গুলো কী কী।

তবে মনে রাখা জরুরি, কোনো পানীয়ই উচ্চ রক্তচাপের মূল ওষুধের বিকল্প নয়। উচ্চ রক্তচাপকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়, কারণ দীর্ঘ সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি শরীরের বড় ক্ষতি করে দেয়। তাই ওষুধের পাশাপাশি এগুলোকে স্বাস্থ্যকর জীবনের অংশ করে নেওয়া যেতে পারে।

জবা ফুলের চা (হিবিস্কাস টি)
যাদের ক্যাফেইনে সমস্যা আছে, তারা গ্রিন টি-র বদলে জবা ফুলের চা বেছে নিতে পারেন। এই চা ঠাণ্ডা বা গরম— দুইভাবেই খাওয়া যায়। জবা ফুলে থাকা ‘পলিফেনল’ রক্তনালিগুলোকে শিথিল করে দেয়, ফলে রক্ত চলাচল সহজ হয়। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি-তে ভরপুর এই চা রক্তচাপের পাশাপাশি কোলেস্টেরল কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজম ভালো করে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

বেদানার রস
বেদানা কেবল সুস্বাদু ফলই নয়, এটি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের প্রদাহ (ইনফ্লেমেশন) কমাতে সাহায্য করে। বেদানার রস রক্তনালি সচল রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে বাজার থেকে কেনা চিনিযুক্ত জুস না খেয়ে, বাড়িতে তৈরি করা খাঁটি বেদানার রস খাওয়া বেশি কার্যকরী।

বিটের রস
বিট হলো ‘ডায়েটারি নাইট্রেট’-এর একটি দুর্দান্ত উৎস। এই রস শরীরে যাওয়ার পর নাইট্রেট উপাদানটি ‘নাইট্রিক অক্সাইড’-এ পরিণত হয়। এটি রক্তনালিকে প্রসারিত ও শিথিল করে দেয়, যার ফলে রক্তচাপ দ্রুত স্বাভাবিক হতে শুরু করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এই রস যেমন উপকারি, তেমনই এটি শারীরিক কর্মক্ষমতা ও শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেবল পানীয়ের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত প্রেশার মাপা, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং সুষম জীবনযাপন করা জরুরি।

সূত্র : আনন্দবাজার

চুলের যত্নে নারকেল তেলের সঙ্গে মেশাতে পারেন যে ৫ উপাদান

জীবনযাপন ডেস্ক
চুলের যত্নে নারকেল তেলের সঙ্গে মেশাতে পারেন যে ৫ উপাদান
সংগৃহীত ছবি

চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার বহু যুগ ধরে প্রচলিত। প্রাকৃতিক এই তেল শুধু চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে না, বরং চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল ভাঙা কমাতেও সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারকেল তেলে থাকা লরিক অ্যাসিড চুলের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে, যা চুলের প্রোটিন ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। ফলে চুল থাকে আরো স্বাস্থ্যকর, মজবুত এবং প্রাণবন্ত। তবে নারকেল তেলের সঙ্গে কিছু উপকারী উপাদান মিশিয়ে ব্যবহার করলে এর উপকারিতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। জেনে নিন এমন ৫টি কার্যকর সংমিশ্রণের কথা।

নারকেল তেল ও মেথি

মেথি বীজে রয়েছে প্রোটিন, আয়রন, ফ্ল্যাভোনয়েড ও নিকোটিনিক অ্যাসিডের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। এছাড়া মেথিতে থাকা লেসিথিন মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং শুষ্কতা কমায়।

ব্যবহার পদ্ধতি
২ টেবিল চামচ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পেস্ট তৈরি করে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে লাগান।

নারকেল তেল ও ভৃঙ্গরাজ

আয়ুর্বেদে ভৃঙ্গরাজকে ‘ভেষজের রাজা’ বলা হয়। এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে এবং অকালেই চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধে সহায়ক বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।

ব্যবহার পদ্ধতি
আধা কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ শুকনো ভৃঙ্গরাজ গুঁড়ো মিশিয়ে ১৫ মিনিট হালকা আঁচে গরম করুন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ব্যবহার করুন।

নারকেল তেল ও কালোজিরা

কালোজিরায় থাকা থাইমোকুইনোন শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান হিসেবে পরিচিত। এটি মাথার ত্বকের প্রদাহ ও জ্বালাভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি চুলের গোড়াকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও সুরক্ষা দেয় বলে মনে করা হয়।

ব্যবহার পদ্ধতি
গুঁড়ো করা কালোজিরা নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

নারকেল তেল ও লবঙ্গ

চুলের যত্নে লবঙ্গের ব্যবহার খুব বেশি পরিচিত না হলেও এটি বেশ উপকারী হতে পারে। লবঙ্গে থাকা ইউজেনল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণে সমৃদ্ধ, যা মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রক্তসঞ্চালন বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহার পদ্ধতি
৪ থেকে ৫টি লবঙ্গ নারকেল তেলে হালকা গরম করুন। ঠান্ডা হলে সেই তেল মাথার ত্বকে মালিশ করুন।

নারকেল তেল ও রোজমেরি অয়েল

বর্তমানে চুলের বৃদ্ধির জন্য রোজমেরি অয়েল বেশ জনপ্রিয় একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এটি মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

ব্যবহার পদ্ধতি
২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ৫ ফোঁটা রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত রেখে পরদিন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

যদিও এসব প্রাকৃতিক উপাদান চুলের যত্নে সহায়ক হতে পারে, তবে সবার ত্বক ও চুলের ধরন এক নয়। তাই নতুন কোনো উপাদান ব্যবহার করার আগে অল্প পরিমাণে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। কোনো ধরনের অ্যালার্জি বা সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিতে চাইলে নারকেল তেলের সঙ্গে এই উপাদানগুলোর সংমিশ্রণ হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান।

সূত্র : এই সময়

ঢিলেঢালা পোশাকেই আরাম বেশি | কালের কণ্ঠ