• ই-পেপার

নতুন জুতা পরে পায়ে ফোসকা পড়েছে? যা করবেন

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে সেলেনিয়াম কেন জরুরি, জানুন কী খাবেন

জীবনযাপন ডেস্ক
থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে সেলেনিয়াম কেন জরুরি, জানুন কী খাবেন
সংগৃহীত ছবি

থাইরয়েডের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে দেখা যায়। থাইরয়েড আমাদের শরীরের একটি গ্রন্থি, যা থেকে তৈরি হওয়া হরমোন মানুষের শরীরের নানা কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে রয়েছে বিপাকক্রিয়া, শিশুদের বেড়ে ওঠা ও বুদ্ধির বিকাশ, বয়ঃসন্ধির লক্ষণ, নারীদের ঋতুচক্র ও সন্তান ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোনো কারণে শরীরে এই হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে ক্লান্তি, অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া, দ্রুত ওজন পরিবর্তন হওয়া কিংবা অনিয়মিত ঋতুস্রাবের মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এই রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রা ও খাবারে বদল আনা ভীষণ জরুরি। পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে সেলেনিয়ামযুক্ত খাবার রাখা খুবই দরকার। এই উপাদানটি আমাদের থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে। চলুন, জেনে নিই শরীরে সেলেনিয়ামের কাজ কী কী।

হরমোন সক্রিয় করা : এটি শরীরের টি-ফোর হরমোনকে কার্যকর টি-থ্রি হরমোনে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বাড়াতে এটি ভূমিকা রাখে।

গ্রন্থি রক্ষা : থাইরয়েড গ্রন্থিকে এক ধরনের মানসিক ও শারীরিক চাপ বা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে।

প্রতিদিনের চেনা কিছু খাবার থেকেই খুব সহজে এই পুষ্টি উপাদানটি পাওয়া সম্ভব।

সামুদ্রিক খাবার : বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া ও চিংড়ি সেলেনিয়ামের ভালো উৎস।

ডিম : প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখলে সহজেই সেলেনিয়াম পাওয়া যায়।

দানাশস্য : কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট বা দানাশস্য যেমন কিনোয়া, ডালিয়া ও ওটস।

অন্যান্য : রসুন, সূর্যমুখীর বীজে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম থাকে।

একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষের জন্য প্রতিদিন ৫৫ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়ামই যথেষ্ট। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও যেসব মায়েরা শিশুকে স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাদের শরীরে সেলেনিয়ামের চাহিদা সাধারণের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকে।

সতর্কবার্তা : উপকারী বা স্বাস্থ্যকর মনে করে কোনো খাবারই অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়, এতে হরমোনের সমস্যা আরো বাড়তে পারে। তাই আপনার শারীরিক অবস্থা বুঝে ঠিক কতটা সেলেনিয়াম খাওয়া উচিত, তা একজন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্ধারণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

অনলাইনে ফ্রিতে বিশ্বকাপের খেলা দেখে বিপদে পড়ছেন না তো?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইনে ফ্রিতে বিশ্বকাপের খেলা দেখে বিপদে পড়ছেন না তো?
সংগৃহীত ছবি

চলছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। বিশ্বকাপ ঘিরে উন্মাদনায় সমর্থকরা। পছন্দের দলের খেলা দেখতে উৎসবে মাতেন তারা। অনেকে খেলা দেখার জন্য অনলাইনে লিংকে খোঁজেন। সার্চের ফলাফলে আসা লিংকে প্রবেশ করলে জুয়ার সাইটে নিয়ে যায় আবার নির্দেশনানুযায়ী অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলে। এসব লিংকে ক্লিক করলে চুরি হতে পারে আপানার ব্যক্তিগত তথ্য।

সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রিতে অনলাইনে খেলা দেখানোর এসব লিংকে প্রবেশ করলেই অনেক ক্ষেত্রে তার ডিভাইস, অনলাইন কার্যক্রম ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা চুরি করা হয়ে থাকে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহা বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘ফ্রি অনলাইন ফুটবল স্ট্রিমিং সাইট ব্যবহার করলে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরির ঝুঁকিও থাকে।’

বিশ্বকাপ ফুটবল, ক্রিকেটসহ বড় কোনো ক্রীড়া আসর শুরু হলে অনলাইনে খেলা দেখতে দর্শকদের আগ্রহ বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসংখ্য অননুমোদিত লিংক ছড়িয়ে দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করা হয়।

তথ্য সূত্র :  বিবিসি


 

ঘামাচি ও র‍্যাশের ঘরোয়া সমাধান নিমপাতা, যেভাবে করবেন ব্যবহার

জীবনযাপন ডেস্ক
ঘামাচি ও র‍্যাশের ঘরোয়া সমাধান নিমপাতা, যেভাবে করবেন ব্যবহার
সংগৃহীত ছবি

তীব্র গরমে ঘামাচি, র‍্যাশ, ব্রণ ও চুলকানির সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই দামি বডিওয়াশ, সিরাম বা ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা অনেক সময় কোনো কাজে আসে না। তবে নামী-দামী প্রসাধনী ছাড়াই প্রকৃতির কোল থেকে মিলতে পারে এর স্থায়ী সমাধান। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিমপাতায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ ও গরমের সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। চলুন, জেনে নিই ত্বকের সুরক্ষায় নিমপাতা ব্যবহারের সহজ উপায়।

নিম পানিতে গোসল
এক মুঠো তাজা নিমপাতা দুই গ্লাস পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানিটি ছেঁকে নিয়ে গোসলের বালতির পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে গোসল করলে ঘামাচি দূর হয় এবং শরীর ঠাণ্ডা থাকে। যাদের পিঠে ও বুকে ব্রণ হয়, তাদের জন্য এই পদ্ধতি বেশ উপকারী।

নিম ও হলুদের মাস্ক
গরম ও আর্দ্রতার কারণে ত্বকে তেলের ভাব বেড়ে যায়। এই তেল ও ব্রণ দূর করতে তাজা নিমপাতা বাটার সাথে এক চিমটি হলুদ এবং সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকবে এবং ত্বক সতেজ দেখাবে।

সানবার্নে অ্যালোভেরা ও নিম
রোদে ত্বক পুড়ে লাল হয়ে গেলে বা জ্বালাপোড়া করলে নিমপাতা থেঁতো করে তার সাথে ঠাণ্ডা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এই মিশ্রণটি ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তোলে এবং দ্রুত আরাম দেয়।

নিম চা
শরীরের ভেতর টক্সিন বা বর্জ্য জমা হলে ত্বকে ব্রণ ও র‍্যাশ বেশি দেখা দেয়। রক্ত পরিষ্কার করতে এবং লিভার ভালো রাখতে তাজা নিমপাতা ফোটানো পানি বা নিম চা পান করতে পারেন। স্বাদ কিছুটা তেতো হলেও শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে এটি দারুণ কাজ করে।

ত্বকের যত্নে নিম তেল
মশার কামড় থেকে বাঁচতে এবং ত্বকের চুলকানি ও প্রদাহ কমাতে নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরাসরি না মেখে, নারিকেল তেল বা আমন্ড অয়েলের সাথে কয়েক ফোঁটা কোল্ড-প্রেসড নিম তেল মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি খুশকি ও উকুন দূর করতেও সাহায্য করে।

সূত্র : এই সময়

৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে?

অনলাইন ডেস্ক
৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে?
সংগৃহীত ছবি

বছরের প্রায় সময়ই বাজারে পাওয়া যায় এমন ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কলা। এটি যেমন সহজপ্রাচ্য, তেমনি দামও প্রায় হাতের নাগালে। এ কারণে প্রায় সবাই খেতে পারেন ফলটি। এর বিভিন্ন স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। স্বাদে হালকা মিষ্টি হওয়ায় সকালের নাশতায় কিংবা ডেজার্টে বা যেকোনো খাবারে স্লাইস করে দিয়ে টেবিলে রাখা যায় কলা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফলটি স্বাস্থ্য উপকারী হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন―টানা ৪৫ দিন একটি করে কলা খেলে কী ঘটবে শরীরে? সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

  • কলার পুষ্টিগুণ

ইউএসডিএ’র তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কলায় ৮৯ ক্যালোরি, ০.৩৩ গ্রাম চর্বি, ০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, ১ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ২২.৮০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৬০ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ১.০৯ গ্রাম প্রোটিন এবং ৩৫৮ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে।

  • কলার উপকারিতা

কলাকে বলা হয় পটাশিয়ামের দারুণ উৎস, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেশীর কার্যকারিতা সচল রাখে। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে, যা একে সকালের নাশতা বা ওয়ার্কআউটের আগের নাশতা হিসেবে আদর্শ করে তোলে। এর ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং সেরোটোনিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা আপনার কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে ও শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে কাজ করে।

  • গবেষণা কী বলছে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যান্ড অ্যান্টি-অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক পটেনশিয়াল অব ব্যানানা’ শীর্ষক গবেষণা অনুযায়ী, কলা কার্বোহাইড্রেট, ডায়েটারি ফাইবার, প্রোটিন, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ক্যারোটিনয়েড, ফ্ল্যাভোনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, ফাইটোস্টেরল, গ্যালোকেটচিন, ক্যাটেচিন ও অন্যান্য পলিফেনলের জন্য দারুণ উৎস। এসব যৌগগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা অ্যান্টি-অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক এবং কার্ডিওভাসকুলার প্রতিরক্ষামূলক উপাদান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক ভূমিকা পালন করে।

এছাড়া কলা যদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যায়, তাহলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে কাজ করে। কলার খোসাতেও ফাইবার, প্রোটিন, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, গ্যালোকেটচিন, ক্যাটেচিন ও অন্যান্য পলিফেনল যৌগ থাকে।

  • ৪৫ দিন পর কী ঘটে শরীরে

বলা হয়, কলার মাধ্যমে বেশি পটাশিয়াম গ্রহণের ফলে স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে, পেশী ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা রক্ষা করে এবং শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। কলায় প্রায় ২.৬০ থেকে ৩ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে এটি নিয়মিত খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হওয়া, পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ভালো রাখা এবং সামগ্রিক হজম স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কাজ করে।

কলা এমন ফল, যা কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে তুলনামূলকভাবে সহজে হজম হয়, ফলে এটি বিশেষ করে ব্যায়ামের আগে বা পরে শক্তির একটি দুর্দান্ত উৎসব হয়ে ওঠে।

  • ক্ষতিকর দিক

ক্ষেত্রবিশেষ কলা কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ করতে পারে, যা মোট ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে তখন স্বাস্থ্য বেড়ে যেতে পারে। যাদের কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সীমিত করার প্রয়োজন হয়ে থাকে এবং খাদ্যতালিকায় কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে চাইলে প্রথমেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

নতুন জুতা পরে পায়ে ফোসকা পড়েছে? যা করবেন | কালের কণ্ঠ