• ই-পেপার

জয়নালের মাথায় টুকরিতে বসা বৃদ্ধ চাচা, পায়ে হেঁটে যেতে হবে দেড় কিমি পথ...

  • রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, ৪ গ্রামের প্রায় ৯ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে

ময়মনসিংহ

দিনে চার-পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং, অতিষ্ঠ নগরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
দিনে চার-পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং, অতিষ্ঠ নগরবাসী
প্রতীকী ছবি।

শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটে লোডশেডিং হয়। বিদ্যুৎ আসে রাত আড়াইটায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এক ঘণ্টা  ২০ মিনিট ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ে ওই এলাকার বাসিন্দারা। এরপর ভোর সাড়ে ৪টায় ফের লোডশেডিং হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় আবারো। 

বিদ্যুতের এই অবস্থা ছিল ময়মনসিংহ নগরের রাককৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায়। শুধু রাতে নয়, শনিবার বিকেল থেকে আজ রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত ওই এলাকায় অন্তত ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে বলে জানান সেখানকার  কয়েকজন বাসিন্দা। 

রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার ছত্রিশবাড়ি কলোনির বাসিন্দা হালিমা খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় শনিবার রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনি। রাতে ও সকালে কয়েকবার বিদ্যুৎ গেছে। অনেকক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ আসে। এ কারণে গতরাতে  কলোনির মানুষ খুব কষ্ট করেছে ‘

শুধু রামকৃষ্ণ মিশন এলাকায় নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে  সম্প্রতি ময়মনসিংহ নগরে আবারো বেড়েছে লোডশেডিং। ২৪ ঘণ্টায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলছে। এতে বাড়ি ও কর্মস্থল- উভয় জায়গায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। 

আজ রবিবার সকালে নগরের পাটগুদাম, সানকিপাড়া, স্টেশন রোড, কলেজ রোড এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওইসব এলাকায়ও বেড়েছে লোডশেডিং। শনিবার রাতে এলাকা ভেদে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হয়।

ময়মনসিংহ নগরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর দুটি বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র রয়েছে। এ দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। 

আজ সকালে নগরের বাতিলকল এলাকায় অবস্থিত বিক্রয ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউল ইসলাম লোডশেডিং বাড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাপমাত্রা বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। তখন সাধারণত লোডশেডিং বাড়ে। গতকাল শনিবার থেকে ময়মনসিংহ নগরে তাপমাত্রা বেড়েছে। এ কারণে শনিবার রাতে ঘন ঘন লোডশেডিং হয়।

মশিউল ইসলাম জানান, বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণে  শনিবার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৩৪ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ১৪ মেগাওয়াট। এ  কারণে ব্যাপক মাত্রায় লোডশেডিং হয়।

ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র উত্তর (স্টেশন রোড)-এর অধীনে পরিচালিত নগরের প্রত্যেক এলাকায়ও গতকাল থেকে আজ রবিবার দুপুর পর্যন্ত ব্যাপক লোডশেডিং হয়। এতে নগরের ওই এলাকার মানুষকেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। 

স্টেশন রোড এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, ‘লোডশেডিংযের কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। মাঝরাতেও চলছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমে মানুষ ঘুমাতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’

বিক্রয় ও বিরতণ কেন্দ্র উত্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি পরে জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন।

নেত্রকোনায় যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে মাসুল ওরফে মাহফুল (৩৫) নামে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার কালীয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের দুআনী দুধকুড়া (পশ্চিমপাড়া) গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মাহফুল ওই গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১২টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান মাহফুল। রবিবার ভোরে তার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে ঘরে ঢুকে টর্চলাইটের আলো ফেলতেই মাহফুলকে গলাকাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুট, আসামির মৃত্যুদণ্ড

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুট, আসামির মৃত্যুদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গৃহবধূ শাফিয়া বেগমকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুটের মামলায় প্রধান আসামি মো. রুবেল মিয়া ওরফে রুবেল প্রধানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং ডাকাতির অভিযোগে পৃথক ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।

মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. লিটন মুন্সির ছেলে। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানায়। তিনি বর্তমানে ঢাকার শাহজাদপুর খিলবাড়ীরটেক এলাকায় বসবাস করতেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি দুপুরে রূপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গীর এলাকায় নিজবাড়িতে রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মামলার বাদী ফেরদৌসি বেগম মায়া। ওই সময় তার বাবা জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যান।

পরে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে তার মা শাফিয়া বেগমের গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনটি আঘাত করে হত্যা করে। এসময় তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন এবং কানে থাকা স্বর্ণের দুল লুট করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর নিহতের মেয়ে ফেরদৌসি বেগম মায়া রূপগঞ্জ থানায় হত্যা ও ডাকাতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৩ সালের ১৭ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় প্রদান করেছেন।’

‘সবকিছু গাঙে নিয়া গেছে, শেষ ঘরডাও নিবো’

ইবাদ হোসেন, নেত্রকোনা
‘সবকিছু গাঙে নিয়া গেছে, শেষ ঘরডাও নিবো’
মগড়া নদীর ভাঙনে বসতভিটা বিলীন হয়েছে। একটি মাত্র ছোট ঘর টিকে আছে, তাও হারানো শঙ্কায় নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের গাভুরকাছ গ্রামের সুফিয়া বেগম। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

‘সবকিছু গাঙে নিয়া গেছে গা। অহন আর কিছুই করার নাই। এই যে ঘরডা আছে, পানিডা বাড়লেই এই শেষ  ঘরডাও নিবো। আমগোর জায়গা নাই, জমিন নাই। কিছু জমিন ছিল, তাও গাঙে ভাইঙ্গা নিয়া গেছে।’ 

বিলাপ করতে করতে কথাগুলো বলছিলেন সুফিয়া বেগম। নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের গাভুরকাছ গ্রামের একলাছ মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া মগড়া নদীর ভাঙনে বসতভিটা হারিয়েছেন। পাশে একটি মাত্র ঘর বাকি আছে। দ্রুত সেটিও নদীগর্ভে চলে যাবে বলে আশঙ্কা তার। 

সুফিয়া বলেন, ‘এই চালার নিচে বাচ্চা-কাচ্চা লইয়া কোনোমতে দিন পার করতেছি। অহন এইটুকুও যদি গাঙে ভাইঙ্গা নেয়, কই যামু, কী করমু-এই চিন্তাই কইরা দিন কাটে।’ 

সুফিয়া জানান, কয়েক দশক আগে বিয়ের পর পরিবারের সঙ্গে গাভুরকাছ গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তিনি। একসময় ছিল বসতভিটা, আবাদি জমিও ছিল। কিন্তু মগড়া নদীর অব্যাহত ভাঙনে হারিয়েছেন জমি ও ঘরবাড়ির বড় অংশ। 

শুধু সুফিয়া বেগম নন, মগড়া নদীর ভাঙনে একই আতঙ্কে দিন কাটছে আটপাড়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষের। বর্ষা শুরু হওয়ার পর নদীর প্রবল স্রোতে গাভুরকাছ, গোয়াতলা, কালিয়াখালী, বাখরপুর ও জয়নগর এলাকায় তীব্র হয়েছে ভাঙন। স্থানীয়দের হিসাবে, এসব এলাকার প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি পরিবার কমবেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, নদীর স্বাভাবিক স্রোতের পাশাপাশি ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে ভাঙনের মাত্রা বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় নদীর তলদেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এতে দুর্বল হয়ে পড়ছে নদীর পাড়। তাই সামান্য স্রোতেই দেখা দিচ্ছে ভাঙন।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মগড়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় কোথাও কোথাও মাটিতে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। নদীপারের বসতঘরগুলো রয়েছে ঝুঁকিতে। কেউ ঘর সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, কেউ শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় অপেক্ষা করছেন।

গাভুরকাছ গ্রামের বাসিন্দা ওমর হাসান রুপন বলেন, ‘মগড়ার স্রোত দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। চোখের সামনে জমি ও বসতভিটা নদীতে চলে যাচ্ছে। বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে লিখিত আবেদন দিয়েছি। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’ 

ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর কোনো উদ্যোগ আমরা দেখছি না। এমনকি জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘মগড়া নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে মগড়া নদীর ভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে নদীপারের মানুষের মধ্যে বাড়ছে ঘর হারানোর আতঙ্ক। তাদের দাবি, শুধু সাময়িক উদ্যোগ নয়, মগড়ার ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা। তা না হলে সুফিয়া বেগমদের মতো আরো অনেক পরিবারকে হারাতে হবে বসতভিটাসহ বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকু।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বর্ষায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো জরিপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলা বন্ধে প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। জড়িতদের ড্রেজার ধ্বংসের পাশাপাশি নিয়মিত জেল ও জরিমানা করা হচ্ছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে আরো কঠোর অবস্থান নেবে।

জয়নালের মাথায় টুকরিতে বসা বৃদ্ধ চাচা, পায়ে হেঁটে যেতে হবে দেড় কিমি পথ... | কালের কণ্ঠ