• ই-পেপার

ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবির সাবেক শিক্ষার্থী জিহাদ

ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?

অনলাইন ডেস্ক
ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?
ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্তমানে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ—সব কিছুই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করা হচ্ছে। তবে তাড়াহুড়া বা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা না জানায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ প্রাপক টাকা তুলে ফেলার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট না হলে

যে নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে সেটিতে যদি বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা না থাকে, তাহলে টাকা ফেরত পাওয়া তুলনামূলক সহজ।

বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের পাশে ‘ক্যানসেল’ অপশন দেখা গেলে সেটিতে ক্লিক করে টাকা ফেরত নেওয়া যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাতিল না করলেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট হলে

যদি নম্বরটিতে আগে থেকেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডিতে ট্রানজেকশন আইডি, তারিখ, সময় ও টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

এরপর বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করে অথবা লাইভ চ্যাটে বিষয়টি জানাতে হবে। প্রয়োজনে জিডির কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং লেনদেনের তথ্য নিয়ে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রাপককে ফোন করা কি ঠিক?

অনেকে ভুল নম্বরে টাকা পাঠানোর পর সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কারণ প্রাপক বিষয়টি জানার পর দ্রুত টাকা তুলে ফেলতে পারেন বা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতে পারেন। তাই আগে অফিশিয়ালভাবে অভিযোগ করা বেশি নিরাপদ।

টাকা কিভাবে ফেরত পাওয়া যায়?

বিকাশ সরাসরি কারও অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে অন্যকে দিতে পারে না। তাই প্রাপকের সম্মতি প্রয়োজন হয়।

প্রাপক যদি ভুল লেনদেনের বিষয়টি স্বীকার করে টাকা ফেরত দিতে রাজি হন, তাহলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় টাকা ফেরত পাওয়া যায়। আর প্রাপক রাজি না হলে আইনি প্রক্রিয়ার সহায়তা নিতে হতে পারে।

সতর্ক থাকুন

ভুল নম্বরে টাকা পাঠানো এড়াতে টাকা পাঠানোর আগে নম্বর দুই-তিনবার মিলিয়ে নিন। প্রাপকের নাম দেখে নিশ্চিত হয়ে তারপর পিন নম্বর দিন। বড় অঙ্কের টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্ক থাকা উচিত।

উল্লেখ্য, সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপই ভুল লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সবচেয়ে বড় উপায়।

২৯৯ ডলারে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আনছে মেটা

অনলাইন ডেস্ক
২৯৯ ডলারে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আনছে মেটা
ছবিঃ রয়টার্স

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা নতুন একটি স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে মঙ্গলবার। এর দাম রাখা হয়েছে ২৯৯ ডলার (প্রায় ৩৬,৭৮০ বাংলাদেশি টাকা)। এটি কম্পানির আগের প্রজন্মের স্মার্ট চশমার তুলনায় অন্তত ৮০ ডলার (প্রায় ৯,৮৩২ বাংলাদেশী টাকা) কম।

 মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়।

নতুন মেটা গ্লাস তৈরি করা হয়েছে চশমা নির্মাতা  এসিলরলুক্সোটিকা-এর সহযোগিতায়। তবে এতে  রে-ব্যান বা ওকলি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করা হয়নি।
 
চশমাটিতে কোনো ডিসপ্লে বা স্ক্রিন নেই। তবে এতে ক্যামেরা, স্পিকার এবং মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এআইকে প্রশ্ন করতে পারবেন, আশপাশের কোনো লেখা অনুবাদ করতে পারবেন, কোনো বস্তু সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন এবং ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।

বর্তমানে স্মার্ট চশমার বাজার এখনো ছোট হলেও এই খাতে মেটা ও এসিলরলুক্সোটিকা শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২১ সালে প্রথম স্মার্ট চশমা উন্মোচনের পর থেকে তারা কয়েক মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করেছে এবং বাজারের ৮০ শতাংশের বেশি অংশ দখল করে আছে।

মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ মনে করেন, এ ধরনের হালকা স্মার্ট চশমা ভবিষ্যতের আরো উন্নত পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করবে। ভবিষ্যতে এমন চশমা তৈরি করা হবে, যার লেন্সেই স্ক্রিন ও কম্পিউটিং সুবিধা থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের তুলনায় স্মার্ট চশমা সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে মেটা। কম্পানিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে নিজস্ব হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়।

হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

অনলাইন ডেস্ক
হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের সেবা ব্যাহত হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা স্বাভাবিকভাবে অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত ৪টার দিকে এ সমস্যা দেখা দেয়।

এসময় ইনস্টাগ্রামে নতুন ছবি লোড না হওয়া, প্রোফাইল না দেখানোসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা গেছে। তবে অ্যাপের সব অংশ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা ত্রুটির বার্তা পাচ্ছেন।

বিভিন্ন প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ সাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম বর্তমানে কিছু অঞ্চলে বা ব্যবহারকারীদের জন্য কারিগরি সমস্যার কারণে কাজ করছে না। সার্ভারে সমস্যার কারণে অ্যাপ লোড হতে সমস্যা (ফিড বা টাইমলাইন রিফ্রেশ না হওয়া), সার্ভার সংযোগ ত্রুটি লগইন দেখাচ্ছে।

প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়) এবং যুক্তরাজ্যে রাত ১০টার দিকে সমস্যার শুরু হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবহারকারীরা একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন। তবে বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এর আগে, গত ১২ জুন বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফেসবুকে বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। তখন মোবাইল ও কম্পিউটারে একসঙ্গে ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। প্ল্যাটফর্মটিতে ঢোকার চেষ্টা করলে উইন্ডোতে ‘সরি, সামথিং ওয়েন্ট রং’ লেখা দেখা যাচ্ছিল। পরে কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর সচল হয় বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। দেশটির শেনজেনের জাতীয় সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন নামের সুপারকম্পিউটার তালিকা টপ৫০০ -এর সর্বশেষ তালিকায় প্রথম হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে রয়টার্স এ তথ্য দেয়।

তিন বছর পর চীন আবার এই তালিকায় অংশ নেয়। লাইনশাইন সম্পূর্ণভাবে চীনে তৈরি চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। এটি দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার হওয়ার অর্থ এই নয় এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে সবচেয়ে শক্তিশালী। কারণ টপ৫০০-এর র‌্যাংকিং মূলত বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কম্পিউটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে করা হয়। এআই সক্ষমতার ওপর নয়।

নতুন তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে। এল ক্যাপিটান যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগল ও এক্সএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-ভিত্তিক আরো শক্তিশালী কম্পিউটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত টপ৫০০ তালিকায় অংশ নেয় না।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের এই সাফল্য মূলত দেশটির নিজস্ব চিপ প্রযুক্তির অগ্রগতি তুলে ধরার প্রচেষ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরি করতে সক্ষম, সেটিই তারা বিশ্বকে দেখাতে চায়।

উল্লেখ্য, লাইনশাইনে উন্নত এআই চিপ ব্যবহার করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও বেসরকারি প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর সঙ্গে চীনের প্রতিযোগিতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবির সাবেক শিক্ষার্থী জিহাদ | কালের কণ্ঠ