• ই-পেপার

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আল্লুকে নির্দোষ মানতে নারাজ কঙ্গনা!

মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম

অনলাইন ডেস্ক
মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাজ সংগীতের অন্যতম রূপকার ও কিংবদন্তি পিয়ানোবাদক আবদুল্লাহ ইব্রাহিম ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার পরিবার জানিয়েছে, জার্মানিতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, আবদুল্লাহ ইব্রাহিম তার সংগীত প্রতিভা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার দিয়ে দেশকে সম্মানিত করেছেন।

১৯৩৪ সালে কেপটাউনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম ছিল অ্যাডলফ জোহানেস ব্র্যান্ড। মাত্র সাত বছর বয়স থেকে পিয়ানো বাজানো শুরু করা এই শিল্পীর কর্মজীবন ছিল প্রায় আট দশকের দীর্ঘ। কিশোর বয়সে তিনি বিভিন্ন ব্যান্ডের সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ‘দ্য জ্যাজ এপিসলস’ নামে একটি দল গঠন করেন, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক জ্যাজ কিংবদন্তি হিউ মাসাকেলাও ছিলেন। মঞ্চে শুরুতে তিনি ‘ডলার ব্র্যান্ড’ নামে পরিচিত হলেও ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ ইব্রাহিম রাখেন।

১৯৪৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন কঠোর বর্ণবৈষম্যবাদ (আইনসম্মত বর্ণবাদ ব্যবস্থা) শুরু হয়, তখন জ্যাজ সংগীতকে অপরাধ বা ভিন্ন সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখা হতো। রাজনৈতিক চাপের মুখে তাদের ব্যান্ডটি ভেঙে যায় এবং ইব্রাহিম সুইজারল্যান্ডে চলে যান। সেখানে আমেরিকান জ্যাজ কিংবদন্তি ডিউক এলিংটনের নজরে পড়েন তিনি। এলিংটন তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। পরবর্তীতে জ্যাজ ছন্দের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী সুরের মিশ্রণ ঘটিয়ে ইব্রাহিম এক অনন্য নিজস্ব ধারা তৈরি করেন। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া তার বিখ্যাত ট্র্যাক ‘ম্যানেনবার্গ’ দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে বসবাস করলেও আবদুল্লাহ ইব্রাহিম কখনোই তার শিকড় ভোলেননি। সুযোগ পেলেই তিনি দেশে ফিরে গান গাইতেন। মাত্র তিন মাস আগেও তিনি কেপটাউন আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসবে তার জীবনের শেষ সরাসরি পারফরম্যান্স করেন। তার সঙ্গী ডঃ মেরিনা উমারি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বলেন, ‘আবদুল্লাহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও তার দেশের মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করেই শান্তিতে বিদায় নিয়েছেন। বিশ্বের যেখানেই তিনি থাকুন না কেন, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়।’

সূত্র : বিবিসি

থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

বিনোদন ডেস্ক
থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা আদালতে গড়ালেও, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলছে—দুজনের মধ্যে সম্পর্ক সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যদিও বিজয় বা সংগীতা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি, তবু সম্ভাব্য সমঝোতাকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে আরো দাবি করা হয়েছে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর পারিবারিক এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ছেলে জেসন সঞ্জয় ও মেয়ে দিব্য সাশাকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন সংগীতা। সম্প্রতি তিনি চেন্নাইয়ে ফিরেছেন। 

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আলোচনা এবং পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়নের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজয় ও সংগীতার পরিচয়ের গল্পটিও কম চমকপ্রদ নয়। ১৯৯৬ সালে চেন্নাইয়ে একটি শুটিং সেটে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। সে সময় যুক্তরাজ্য থেকে প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে এসেছিলেন সংগীতা। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমে রূপ নেয়।

অবশেষে ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ২০০৫ সালে তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ছেলে জেসন সঞ্জয়। পরে জন্ম হয় কন্যা দিব্য সাশার। দীর্ঘ ২৩ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদের খবর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

জানা গেছে, চেন্নাইয়ের একটি পারিবারিক আদালতে দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই শুনানির আগেই সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিজয় ও সংগীতা বিচ্ছেদের পথেই হাঁটবেন, নাকি নতুন করে সম্পর্ককে আরেকটি সুযোগ দেবেন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এবার বলিউড থেকে অবসর নিচ্ছেন প্রীতম!

বিনোদন ডেস্ক
এবার বলিউড থেকে অবসর নিচ্ছেন প্রীতম!
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও সুরকার প্রীতমকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি পোস্ট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকের ধারণা, তিনি হয়তো প্লেব্যাক ও বাণিজ্যিক সংগীতজগত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উদযাপন করেন প্রীতম। ১৪ জুন দিনভর সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি। তবে দিন শেষে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট অনেককেই বিস্মিত করেছে।

পোস্টে প্রীতম লিখেছেন, ‘আজ আমি নিজেকে কয়েক বছর উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবার থেকে জীবনটাকে একেবারে অন্যভাবে বাঁচব। যেসব বিষয় এতদিন মিস করেছি, সেগুলোর স্বাদ নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। এখন নতুন সফরে পা রাখার সময় এসেছে, যে কাজগুলোকে এতদিন অপেক্ষা করিয়ে রেখেছিলাম, সেটাই করব।’

এই বক্তব্যের পর থেকেই তার অবসর নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। যদিও পোস্টে সরাসরি সংগীতজগৎ বা প্লেব্যাক থেকে সরে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেননি তিনি।

পোস্টের পরবর্তী অংশে প্রীতম আরো লেখেন, ‘বাণিজ্যিক কাজের অভিজ্ঞতা আমার দারুণ। তবে বরাবরই অজানা-অচেনা পথের প্রতি আমার কৌতূহল বেশি। আপনাদের সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সবসময় ধন্যবাদ।’

পোস্টটি প্রকাশের পর ভক্তরা মন্তব্যের ঘরে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘আপনিও বিরতি নিচ্ছেন! প্রীতমের নতুন গানগুলো মিস করব। বিশেষ করে অরিজিৎ-প্রীতমের জুটিটাকে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এতে বলিউডের ক্ষতি হলেও প্রকৃত সংগীতপ্রেমীদের জন্য হয়তো আশীর্বাদ হয়ে আসবে।’

তবে ভক্তদের এমন মন্তব্যের কোনো জবাব দেননি প্রীতম। ফলে তিনি সত্যিই অবসরের পথে হাঁটছেন, নাকি জীবনের নতুন কোনো অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন—সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের অবসরসংক্রান্ত ঘোষণাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এবার একই ধরনের রহস্যময় বার্তায় আলোচনার কেন্দ্রে এলেন প্রীতম।

কবে আসছে ‘ব্যাডস অব বলিউড’-এর দ্বিতীয় সিজন?

বিনোদন ডেস্ক
কবে আসছে ‘ব্যাডস অব বলিউড’-এর দ্বিতীয় সিজন?
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের অন্দরমহলের অজানা গল্প, তারকাদের গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতা এবং ইন্ডাস্ট্রির নানা দিক তুলে ধরে দর্শকদের দারুণ সাড়া পেয়েছিল ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’। প্রথম সিজনের সাফল্যের পর এবার দ্বিতীয় সিজন নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিজটির দ্বিতীয় সিজনের কাজ ইতোমধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান আবারও পরিচালকের দায়িত্বে ফিরতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সূত্রের দাবি, দ্বিতীয় সিজনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন গল্প নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম সিজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেও নতুন প্লট ও ভিন্ন উপস্থাপনায় দর্শকদের সামনে আসতে চান নির্মাতারা। 

বর্তমানে চিত্রনাট্যকার বিলাল সিদ্দিকি মৌলিক গল্প ও স্ক্রিপ্ট তৈরির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে শুটিং শুরু হতে পারে।

প্রথম সিজনের তুলনায় আরও বড় পরিসরে এবং নতুন চমক নিয়ে সিরিজটি নির্মাণের লক্ষ্য রয়েছে বলে জানা গেছে। আর সেই কারণেই চিত্রনাট্য তৈরিতে সময় নিচ্ছেন নির্মাতারা।

দ্বিতীয় সিজন নিয়ে জল্পনা আরও উসকে দিয়েছেন সিরিজের অভিনেতা রজত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রথম সিজন তো শুধুমাত্র একটা ঝলক ছিল। জারাজ চরিত্রের এখনও অনেক কিছু দেখার বাকি রয়েছে। দ্বিতীয় সিজন আসবে, কাজ চলছে। আমি আশা করছি দর্শক দ্বিতীয় সিজনে আমার আরও শক্তিশালী উপস্থিতি দেখতে পাবেন।’

যদিও এখন পর্যন্ত নেটফ্লিক্স কিংবা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সিজনের মুক্তির সময় বা নির্মাণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। 

তবু বিভিন্ন সূত্রের তথ্য এবং সংশ্লিষ্টদের মন্তব্যে স্পষ্ট, ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’-এর নতুন সিজন নিয়ে কাজ চলছে। ফলে দর্শকদের অপেক্ষাও দিন দিন আরও বাড়ছে।

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আল্লুকে নির্দোষ মানতে নারাজ কঙ্গনা! | কালের কণ্ঠ