• ই-পেপার

জামাইদের গল্প নিয়ে নাটক ‘হাউস হাজবেন্ড’

লর্ড অব দ্য রিংসের নতুন সিনেমায় যুক্ত হলেন আনিয়া টেলর-জয়

অনলাইন ডেস্ক
লর্ড অব দ্য রিংসের নতুন সিনেমায় যুক্ত হলেন আনিয়া টেলর-জয়
সংগৃহীত ছবি

হলিউডের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’-এর নতুন সিনেমা ‘দ্য হান্ট ফর গোল্লাম’-এ যোগ দিয়েছেন জনপ্রিয় তারকা আনিয়া টেলর-জয়। নিউ লাইন ও ওয়ার্নার ব্রাদার্স প্রযোজিত এই সিনেমাটিতে তিনি সিন্ডার এলফ ‘সেরেন’ চরিত্রে অভিনয় করবেন, যাকে রাজা থ্রানডুইলের একজন বিশ্বস্ত ও মারাত্মক প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

এই সিনেমাটি পরিচালনা করার পাশাপাশি বিখ্যাত ‘গল্লাম’ চরিত্রে অভিনয় করবেন অ্যান্ডি সার্কিস। তার সঙ্গে পুরনো জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর মধ্যে ফিরছেন ইয়ান ম্যাককেলান (গ্যান্ডালফ), এলাইজা উড (ফ্রোডো) ও লি পেস (রাজা থ্রানডুইল)। নতুন যুক্ত হওয়া কলাকুশলীদের মধ্যে আনিয়া টেলর-জয় ছাড়াও রয়েছেন কেট উইন্সলেট, জেমি ডর্নান, লিও উডাল।

ওয়ার্নার ব্রোস ২০২৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস : দ্য হান্ট ফর গল্লাম’ মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হবে মূল ট্রিলজির প্রথম পর্ব ‘দ্য ফেলোশিপ অব দ্য রিং’য়ের আগের বছরগুলোর ঘটনা নিয়ে, যেখানে নাম ভূমিকায় থাকা হবিটকে (গল্লাম) খুঁজে বের করার কাহিনি তুলে ধরা হবে। অস্কারজয়ী পরিচালক পিটার জ্যাকসন এই সিনেমায় প্রযোজক হিসেবে থাকছেন।

ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সঙ্গে আনিয়া টেলর-জয়ের এটি তৃতীয় বড় কাজ। এর আগে তিনি এই প্রযোজনা সংস্থার অধীনে ‘ফিউরিওসা’ এবং ‘ডুন’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এই সিনেমাটি মুক্তির পাশাপাশি তার আরেকটি বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ডুন : পার্ট থ্রি’ মুক্তি পাবে।

গত দুই দশকে ‘লর্ড অব দ্য রিংস’ এবং ‘দ্য হবিট’ সিরিজের মুক্তি পাওয়া ছয়টি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। নতুন এই চলচ্চিত্রটি সেই গৌরবময় ঐতিহ্যকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন নির্মাতারা। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির পরবর্তী আরেকটি সিনেমা ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস : শ্যাডো অব দ্য পাস্ট’ নিয়েও ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

দিল্লিতে ভাই-বোন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ওটিটিতে নতুন করে আলোচনায়

অনলাইন ডেস্ক
দিল্লিতে ভাই-বোন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ওটিটিতে নতুন করে আলোচনায়

ওটিটি প্ল্যাটফরম প্রাইম ভিডিওর নতুন ড্রামা সিরিজ ‘রাখ’ ভারতের অপরাধ ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর একটি ফৌজদারি মামলাকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। আলি ফজল, সোনালি বেন্দ্রে ও আমির বশির অভিনীত এই সিরিজটি মূলত ১৯৭৮ সালের দিল্লির বিখ্যাত ‘গীতা ও সঞ্জয় চোপড়া’ অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত, যা ‘রাঙ্গা-বিল্লা মামলা’ নামে পরিচিত। যদিও সিরিজে নাম পরিবর্তন এবং ঘটনাগুলোকে কিছুটা নাটকীয় রূপ দেওয়া হয়েছে, তবে এর মূল ভিত্তি প্রায় পাঁচ দশক আগে পুরো ভারতকে কাঁপিয়ে দেওয়া সেই নির্মম অপরাধের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে।

১৯৭৮ সালের দিল্লির প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘রাখ’ সিরিজের গল্প শুরু হয় দুই কিশোর-কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা দিয়ে। পরে তাদের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়ার পর অপরাধীদের ধরতে পুলিশের চিরুনি অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগিয়ে চলে। সিরিজে সাব-ইন্সপেক্টর জয়প্রকাশ জাটভের চরিত্রে আলি ফজল এবং একজন স্কুলশিক্ষিকা ও শোকাহত মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোনালি বেন্দ্রে। তদন্তের পাশাপাশি নিখোঁজ সন্তানদের পরিবারের শোক ও মানসিক ট্রমা এখানে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাস্তবজীবনে গীতা চোপড়া (১৬) ও সঞ্জয় চোপড়া (১৩) ছিল ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মদন মোহন চোপড়ার সন্তান। ১৯৭৮ সালের ২৬ আগস্ট গীতার অল ইন্ডিয়া রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা ছিল, যেখানে ভাই সঞ্জয়ও তার সঙ্গে যাচ্ছিল। প্রবল বৃষ্টির কারণে তারা রাস্তা থেকে এক ব্যক্তির গাড়িতে লিফট নেয়। তিনি তাদের রেডিও স্টেশনের কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়ার পর থেকে ভাই-বোন দুজন নিখোঁজ হয়। পরে তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা সে সময় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে এই ‘রাঙ্গা-বিল্লা’ মামলাটি শহুরে ভীতি এবং শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে এক বড় প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এই ঘটনার পর একা ভ্রমণ করা বা অপরিচিত কারো কাছ থেকে লিফট নেওয়ার মতো সাধারণ বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর আতঙ্ক তৈরি হয়, যা অনেক পরিবারের দৈনন্দিন দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছিল। ‘রাখ’ সিরিজটি একদিকে যেমন তরুণ প্রজন্মের কাছে গীতা ও সঞ্জয়ের সেই মর্মান্তিক কাহিনিকে নতুন করে তুলে ধরেছে, অন্যদিকে যারা ১৯৭৮ সালের সেই ভয়াল দিনগুলো প্রত্যক্ষ করেছেন, তাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে অতীতের এক দুঃসহ স্মৃতি।

মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম

অনলাইন ডেস্ক
মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাজ সংগীতের অন্যতম রূপকার ও কিংবদন্তি পিয়ানোবাদক আবদুল্লাহ ইব্রাহিম ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার পরিবার জানিয়েছে, জার্মানিতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, আবদুল্লাহ ইব্রাহিম তার সংগীত প্রতিভা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার দিয়ে দেশকে সম্মানিত করেছেন।

১৯৩৪ সালে কেপটাউনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম ছিল অ্যাডলফ জোহানেস ব্র্যান্ড। মাত্র সাত বছর বয়স থেকে পিয়ানো বাজানো শুরু করা এই শিল্পীর কর্মজীবন ছিল প্রায় আট দশকের দীর্ঘ। কিশোর বয়সে তিনি বিভিন্ন ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘দ্য জ্যাজ এপিসলস’ নামে একটি দল গঠন করেন, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক জ্যাজ কিংবদন্তি হিউ মাসাকেলাও ছিলেন। মঞ্চে শুরুতে তিনি ‘ডলার ব্র্যান্ড’ নামে পরিচিত হলেও ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ ইব্রাহিম রাখেন।

১৯৪৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন কঠোর বর্ণবৈষম্যবাদ (আইনসম্মত বর্ণবাদ ব্যবস্থা) শুরু হয়, তখন জ্যাজ সংগীতকে অপরাধ বা ভিন্ন সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখা হতো। রাজনৈতিক চাপের মুখে তাদের ব্যান্ডটি ভেঙে যায় এবং ইব্রাহিম সুইজারল্যান্ডে চলে যান। সেখানে আমেরিকান জ্যাজ কিংবদন্তি ডিউক এলিংটনের নজরে পড়েন তিনি। এলিংটন তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে জ্যাজ ছন্দের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী সুরের মিশ্রণ ঘটিয়ে ইব্রাহিম এক অনন্য নিজস্ব ধারা তৈরি করেন। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া তার বিখ্যাত ট্র্যাক ‘ম্যানেনবার্গ’ দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে বসবাস করলেও আবদুল্লাহ ইব্রাহিম কখনোই তার শিকড় ভোলেননি। সুযোগ পেলেই তিনি দেশে ফিরে গান গাইতেন। মাত্র তিন মাস আগেও তিনি কেপটাউন আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসবে তার জীবনের শেষ সরাসরি পারফরম্যান্স করেন। তার সঙ্গী ড. মেরিনা উমারি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বলেন, ‘আবদুল্লাহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও তার দেশের মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করেই শান্তিতে বিদায় নিয়েছেন। বিশ্বের যেখানেই তিনি থাকুন না কেন, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়।’

সূত্র : বিবিসি

থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

বিনোদন ডেস্ক
থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা আদালতে গড়ালেও, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলছে—দুজনের মধ্যে সম্পর্ক সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যদিও বিজয় বা সংগীতা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি, তবু সম্ভাব্য সমঝোতাকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে আরো দাবি করা হয়েছে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর পারিবারিক এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ছেলে জেসন সঞ্জয় ও মেয়ে দিব্য সাশাকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন সংগীতা। সম্প্রতি তিনি চেন্নাইয়ে ফিরেছেন। 

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আলোচনা এবং পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়নের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজয় ও সংগীতার পরিচয়ের গল্পটিও কম চমকপ্রদ নয়। ১৯৯৬ সালে চেন্নাইয়ে একটি শুটিং সেটে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। সে সময় যুক্তরাজ্য থেকে প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে এসেছিলেন সংগীতা। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমে রূপ নেয়।

অবশেষে ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ২০০৫ সালে তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ছেলে জেসন সঞ্জয়। পরে জন্ম হয় কন্যা দিব্য সাশার। দীর্ঘ ২৩ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদের খবর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

জানা গেছে, চেন্নাইয়ের একটি পারিবারিক আদালতে দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই শুনানির আগেই সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিজয় ও সংগীতা বিচ্ছেদের পথেই হাঁটবেন, নাকি নতুন করে সম্পর্ককে আরেকটি সুযোগ দেবেন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

জামাইদের গল্প নিয়ে নাটক ‘হাউস হাজবেন্ড’ | কালের কণ্ঠ