• ই-পেপার

জন্মদিন পালন নিয়ে আগ্রহ নেই শাকিল খানের

‘ইউফোরিয়া’র পর নতুন ছবিতে সিডনি সুইনি

বিনোদন ডেস্ক
‘ইউফোরিয়া’র পর নতুন ছবিতে সিডনি সুইনি
সংগৃহীত ছবি

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সিডনি সুইনি নতুন চলচ্চিত্র ‘হলো’-তে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। এটি লেখক ও পরিচালক লিন্ডসে অ্যান্ডারসন বিয়ারের প্রথম উপন্যাসের চলচ্চিত্র রূপ, যা ওয়াশিংটন আরভিংয়ের বিখ্যাত গল্প ‘দ্য লেজেন্ড অব স্লিপি হলো’-এর আধুনিক পুনর্কথন।

ছবিটিতে সুইনি ক্যাটরিনা ভ্যান ট্যাসেলের চরিত্রে অভিনয় করবেন। গল্পে তাকে এক রহস্যময় ও অতিপ্রাকৃত প্রেমের ত্রিভুজে জড়িয়ে পড়তে দেখা যাবে। লিন্ডসে অ্যান্ডারসন বিয়ার ছবিটির চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি পরিচালনার দায়িত্বও পালন করবেন। এর আগে তিনি ‘পেট সেমাটারি : ব্লাডলাইনস’ পরিচালনা করেছিলেন।

বইটি প্রকাশের আগেই এর স্বত্ব কিনে নেয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পুটনাম, যা পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউসের একটি ইমপ্রিন্ট। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় রয়েছে বিয়ারের প্রতিষ্ঠান ল্যাব ব্রু, মার্গট রবির প্রযোজনা সংস্থা লাকিচ্যাপ এবং সিডনি সুইনির ব্যানার হানি ট্র্যাপ। সম্প্রতি যাত্রা শুরু করা হানি ট্র্যাপের এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা হতে যাচ্ছে।

‘হলো’ মূলত ‘দ্য লেজেন্ড অব স্লিপি হলো’ গল্পের নতুন রূপ। মূল গল্পে স্কুলশিক্ষক ইচাবড ক্রেন, রহস্যময় শিরোবিহীন অশ্বারোহী এবং ক্যাটরিনা ভ্যান ট্যাসেলকে ঘিরে কাহিনি আবর্তিত হয়। নতুন সংস্করণে সেই গল্পকে সমসাময়িকভাবে উপস্থাপন করা হবে।

সাহিত্যভিত্তিক চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা সুইনির জন্য নতুন নয়। এর আগে তিনি ‘দ্য হাউসমেইড’ ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং এর সিক্যুয়েল ‘দ্য হাউসমেইড’স সিক্রেট’-এও দেখা যাবে তাকে। এছাড়া এডিথ হোয়ার্টনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘কাস্টম অব দ্য কান্ট্রি’ চলচ্চিত্রের কাজও শেষ করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন
শুরু করতে অধীর আগ্রহে আছি : নিকো পাজ

শুরু করতে অধীর আগ্রহে আছি : নিকো পাজ

 

‘দ্য হোয়াইট লোটাস’ ও ‘ইউফোরিয়া’ সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পান সিডনি সুইনি। দুটি কাজের জন্যই তিনি এমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় নেটফ্লিক্স ও লেজেন্ডারির ‘গান্ডাম’ চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। পাশাপাশি ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন’ নামের আরেকটি প্রকল্পের সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি।

অতিপ্রাকৃত রহস্য, প্রেম এবং গথিক আবহে নির্মিত ‘হলো’ ইতোমধ্যেই হলিউডে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। ছবিটি নিয়ে দর্শক ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রত্যাশাও বাড়ছে।

সূত্র : এনডিটিভি

দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

অনলাইন ডেস্ক
দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিছু ছবি বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে সময়ের সাক্ষী হয়ে আছে। সেই তালিকায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম ‘লগান’। মুক্তির প্রায় ২৫ বছর পরও ছবিটির জনপ্রিয়তা কমেনি, বরং নতুন প্রজন্মের কাছেও এটি সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। এবার সেই কালজয়ী ছবিকে আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনছে ‘আমির খান প্রোডাকশন্স’। ১২ থেকে ১৪ জুন বিশেষ প্রদর্শনীতে পুনরায় মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।

এই পুনর্মুক্তিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে ছবির নতুন ট্রেলার। মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই তা দর্শকমহলে নস্ট্যালজিয়ার আবহ তৈরি করেছে। ট্রেলারটি যেন এক সময়ের সেতু, যা দর্শককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় দুই দশকেরও বেশি আগের সেই সিনেমাটিক অভিজ্ঞতার কাছে, যখন ‘লগান’ প্রথমবার বড়পর্দায় আলোড়ন তুলেছিল।

নতুন ট্রেলারে উঠে এসেছে ছবির মূল আবেগ ও গল্পের সারাংশ। দেখা যায় গ্রামীণ ভারতের এক শুষ্ক বাস্তবতা, ব্রিটিশ শাসনের চাপ, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই এবং তার মাঝেই জন্ম নেওয়া এক অদ্ভুত চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি ফুটে উঠেছে ঐক্য, বিশ্বাস, প্রেম এবং অসম্ভবকে জয় করার মানসিক শক্তি, যা ছবিটিকে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের মনে আগলে রেখেছে।

ছবির সংগীত, বিশেষ করে লগান (সাউন্ডট্র্যাক), ট্রেলারের আবহকে আরো আবেগপূর্ণ করে তুলেছে। এ আর রহমানের সুরে তৈরি গানগুলো আজও সমানভাবে জনপ্রিয়, যা নতুন ট্রেলারে আবারও একই অনুভূতি ফিরিয়ে এনেছে।

২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবির পরিচালনা করেছিলেন আশুতোষ গোয়ারিকর। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন আমির খান। তার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন গ্রেসি সিং, র‍্যাচেল শেলি, রঘুবীর যাদব, যশপাল শর্মাসহ আরো অনেকে।

গল্পের প্রেক্ষাপট ১৮৯৩ সালের ব্রিটিশশাসিত ভারত। মধ্য ভারতের একটি গ্রামের মানুষ যখন খরা ও অতিরিক্ত করের চাপে বিপর্যস্ত, তখন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর এক অফিসার তাদের সামনে এক অদ্ভুত শর্ত রাখে ক্রিকেট ম্যাচে জিততে পারলে কর মওকুফ করা হবে। যে খেলা সম্পর্কে গ্রামের মানুষের কোনো ধারণাই নেই, সেই খেলাকে শিখে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাই ছবির মূল সংঘর্ষ।

এই অসম্ভবকে সম্ভব করার লড়াইই ‘লগান’-এর মূল শক্তি। গ্রামবাসীদের ঐক্য, আত্মবিশ্বাস এবং লড়াইয়ের মনোভাব ছবিটিকে একটি সাধারণ কাহিনির বাইরে নিয়ে গিয়ে একটি আবেগঘন মহাকাব্যে পরিণত করেছে।

আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছিল। একাধিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পাশাপাশি এটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে মনোনয়ন পায়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই বিভাগে মনোনীত হওয়া শেষ ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে ‘লগান’ একটি ঐতিহাসিক অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি ৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আটটি সম্মান অর্জন করে ছবিটি।

২৫ বছর পর বড় পর্দায় ফিরে আসার এই উদ্যোগকে ঘিরে দর্শকমহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুরনো স্মৃতি ও নতুন প্রজন্মের কৌতূহল মিলিয়ে ‘লগান’-এর পুনর্মুক্তি এখন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বলিউডের বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব পহলাজ নিহালানি মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
বলিউডের বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব পহলাজ নিহালানি মারা গেছেন

বলিউডের পরিচিত প্রযোজক এবং প্রাক্তন সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) চেয়ারম্যান পহলাজ নিহালানি আর নেই। ৭৬ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন নিহালানি। চিকিৎসাধীন ছিলেন মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যুর খবর প্রথম নিশ্চিত করেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু শশী রঞ্জন। পরে বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট মহলও বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৪ জুন ২০২৬ তারিখে তিনি মারা যান এবং সেদিন বিকেল ৩টেয় মুম্বইয়ের সান্তাক্রুজ হিন্দু শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

১৯৫০ সালের ১০ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের একটি সিন্ধি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নিহালানি। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্র ব্যবসা ও দর্শকের রুচি সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট ধারণা ছিল। এই বাণিজ্যিক বোধই পরবর্তীতে তাঁকে হিন্দি চলচ্চিত্র প্রযোজনার জগতে প্রতিষ্ঠিত করে।

১৯৮২ সালে শত্রুঘ্ন সিনহা অভিনীত ছবি 'হাথকড়ি' দিয়ে প্রযোজক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর দ্রুতই তিনি বাণিজ্যিক হিন্দি সিনেমার পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

১৯৮৬ সালে নির্মিত 'ইলজাম' ছবির মাধ্যমে অভিনেতা গোবিন্দা-কে প্রথম বড় সুযোগ দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এই ছবিই গোবিন্দার কর্মজীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। একইভাবে ১৯৮৭ সালের 'আগ হি আগ'-এর মাধ্যমে চাঙ্কি পান্ডে-কেও বলিউডে পরিচিত করে তোলেন তিনি।

এরপর একের পর এক বাণিজ্যিক সফল ছবির মাধ্যমে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন নিহালানি। 'শোলা অউর শবনম', 'আঁখে', 'দিল তেরা দিওয়ানা, 'তলাশ' এবং 'রঙ্গিলা রাজা'- সহ তাঁর প্রযোজিত ছবির তালিকায় রয়েছে বহু জনপ্রিয় নাম। বলিউডের একাধিক বড় তারকার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্র প্রযোজনার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন সংগঠনিক দায়িত্বও সামলেছেন। প্রায় তিন দশক ধরে তিনি অ্যাসোসিয়েশন অব মোশন পিকচারস অ্যান্ড টিভি প্রোগ্রাম প্রডিউসার্স-এর সভাপতিও ছিলেন।

তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায় শুরু হয় ২০১৫ সালে, যখন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক তাঁকে সিবিএফসি- এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করে। ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। এই সময়কালে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ব্যাপক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।

চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর সময়ে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে কাটের সংখ্যা, সংলাপ পরিবর্তন এবং দৃশ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়। বিশেষ করে 'উড়তা পাঞ্জাব' ছবিতে ৮৯টি কাটের প্রস্তাব ঘিরে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়, যা পরে আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

এছাড়া 'লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরখা', 'আলিগড়', 'স্পেক্টর' এবং 'আনফ্রিডম'-এর মতো ছবির সার্টিফিকেশন নিয়েও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

চলচ্চিত্র মহলের একাংশ তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও, তিনি বারবার দাবি করেছেন যে তিনি বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

২০১৭ সালে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন গীতিকার প্রসুন জোশী। তবে সিবিএফসি থেকে বিদায় নেওয়ার পরও তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বর্তমান সিবিএফসি চেয়ারম্যান শশী শেখর ভেম্পতি শোক প্রকাশ করেছেন। চলচ্চিত্র জগৎজুড়ে বিভিন্ন মহল থেকেও শোকবার্তা আসছে।

স্ত্রী নীতা নিহালানি ও তিন পুত্রকে রেখে পহলাজ নিহালানির প্রয়াণে বলিউড হারাল এমন এক ব্যক্তিত্বকে, যিনি একদিকে সফল প্রযোজক, অন্যদিকে ছিলেন তীব্র বিতর্কের কেন্দ্র। তাঁর কাজ ও সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ থাকলেও, হিন্দি চলচ্চিত্র ইতিহাসে তাঁর উপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রয়ে যাবে।
 

যেভাবে ‘সিরিয়াল কিসার’ হলেন ইমরান হাশমি

বিনোদন ডেস্ক
যেভাবে ‘সিরিয়াল কিসার’ হলেন ইমরান হাশমি
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি তার ক্যারিয়ারের দীর্ঘ একটা সময়জুড়ে ‘সিরিয়াল কিসার’ তকমাটি বয়ে বেড়িয়েছেন। পর্দায় তার এই ইমেজ নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা হলেও, এবার জানা গেল এক চমকপ্রদ তথ্য। ইমরান হাশমির এই রোমান্টিক ও সাহসী ইমেজটি আসলে কোনো কাকতালীয় বিষয় ছিল না, বরং ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডে তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি বা জনসংযোগ কৌশল। 

সম্প্রতি অভিনেত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্ট ‘অল অ্যাবাউট হার’-এ হাজির হয়ে এই বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন প্রখ্যাত পিআর প্রফেশনাল পারুল গোসাই।

তিনি জানান, ইমরান হাশমি নিজে এই ইমেজটি নিয়ে এতটাই বিরক্ত যে তিনি নিজেই এই সত্যটি সবার সামনে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। সেই সময়কার স্মৃতিচারণ করে পারুল বলেন, শুরুতে ইমরানের পিআর বা প্রচারণার প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তখন মহেশ ভাট তাকে বলেন যে ইমরানের জন্য একটা জোরদার প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। পারুল লক্ষ করেন যে সংবাদমাধ্যমগুলোতে ইমরানের চুম্বনের দৃশ্য-সংবলিত খবরগুলো পাঠক লুফে নিচ্ছে। তখনই তিনি মহেশ ভাটকে বুদ্ধি দেন, ইমরানের এমন একটা ইমেজ তৈরি করা হোক যাতে মনে হয় তিনি প্রতিটি সিনেমায় সব নায়িকাকেই চুম্বন করেন। মহেশ ভাটও এই আইডিয়াটি লুফে নেন। তবে এই পরিকল্পনার কথা শুনে ইমরান শুরুতে বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলেন এবং তার স্ত্রী পারভীন রেগে যাবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। পরে পারুল নিজে ইমরানের স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলেন যে এটি বাস্তব কিছু নয়, কেবলই একটি মার্কেটিং ক্যাম্পেইন। মূলত মহেশ ভাটের কথার বাইরে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় ইমরান এতে রাজি হন এবং এই কৌশলটি ভারতের মফস্বল অঞ্চলের দর্শকদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়।

আরো পড়ুন

সোশাল মিডিয়ায় সুখবর দিলেন প্রসেনজিৎ

সোশাল মিডিয়ায় সুখবর দিলেন প্রসেনজিৎ

 

২০০৩ সালে ‘ফুটপাত’ সিনেমার মাধ্যমে ডেবিউ করলেও ২০০৪ সালে ‘মার্ডার’ সিনেমার মাধ্যমে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান ইমরান হাশমি। এই ছবিতে মল্লিকা শেরাওয়াতের সঙ্গে তার অনস্ক্রিন রসায়ন এবং চুম্বন দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়, যা পরবর্তীতে তাকে ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিত করে তোলে। 

ইমরান নিজেও এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছিলেন যে তারা জেনেশুনে এই ইমেজটিকে ব্যবসার স্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। তবে এক দশক পর নতুন প্রজন্মের দর্শকদের রুচির কথা মাথায় রেখে এবং একই চরিত্রে একঘেয়েমি এড়াতে তিনি ‘জান্নাত’, ‘আওয়ারাপন’ ও ‘সাংহাই’-এর মতো সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন। ইমরান হাশমি হেসে জানান, ভারতের মতো রক্ষণশীল সমাজে একবার এমন জোরালো ইমেজ তৈরি হয়ে গেলে মানুষ তা সহজে ভোলে না, তাই আজও যেকোনো সংবাদ সম্মেলনে তাকে এই পুরোনো ইমেজ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

সূত্র: এনডিটিভি

জন্মদিন পালন নিয়ে আগ্রহ নেই শাকিল খানের | কালের কণ্ঠ