kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

ঋ'কে যে কারণে অভিনয়ে নেওয়া হয় না

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঋ'কে যে কারণে অভিনয়ে নেওয়া হয় না

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁকে কটাক্ষ সহ্য করতে হয়, তিনি টলিউড অভিনয় জগতের ঋতুপর্ণা। না না ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নন। এই ঋতুপর্ণাকে মানুষ ঋ নামে চেনেন।

একসময়ের প্রেমিক পরিচালক কিউয়ের প্রভাবে এসে ঋ এমনকিছু ছবিতে সাহসী অভিনয় করেন, যার জেরে ইন্ডাস্ট্রি থেকে ডাক পাননি তেমনভাবে, এখনও তেমন ডাক পান না। ২৬ জুলাই জন্মদিন। এর আগেই গণমাধ্যমের নিকট অকপট স্বীকার করলেন ঋ। কিন্তু, তিনি একথাও জানান, ঋ মানেই নুডিটি নয়, বোল্ড সিন নয়।

ঋ একজন অভিনেত্রী। অভিনয়ের স্বার্থে, চরিত্রের তাগিদে যতটা প্রয়োজন, ততটা বোল্ড হতে আপত্তি নেই। কিন্তু, গান্ডু, তাসের দেশ বা কসমিক সেক্সে নিজেকে দেখে এখন আফসোস হয় তাঁর!

দক্ষিণ কলকাতার লেক গার্ডেন্সে লাল রঙের পুরোনো দিনের একটি বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকেন ঋ। ঘরসংসার করতে ভালো লাগে। বাড়ি গুছিয়ে রাখেন পরিপাটি করে। রান্না করতে ভালোবাসেন। কিন্তু,  মায়ের হাতের রান্না তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। বাঙাল-ঘটির লড়াইয়ে বাঙালকেই এগিয়ে রাখেন। কারণ, বাবার দিক থেকে ঋ বাঙাল।

নিজে মুখেই বলেন, আমি সেন! সেনদের মধ্যে একটা ব্যাপার আছে। কতজনের নাম নেব! সুচিত্রা সেন, সুস্মিতা সেন, মুনমুন সেন, রিয়া সেন, রাইমা সেন... আর আমি ঋ সেন। বদ্যি ফ্যাক্টারটা কোথায় রাখব। আমরা আলাদা।

প্রাক্তন প্রেমিক পরিচালক কিউয়ের সঙ্গে ৮ বছরের লিভ ইন সম্পর্ক। কিন্তু সেই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। দু’জনের সহমতিতেই ছাড়াছাড়ি। বললেন, কিউ খুব ইমোশনাল মানুষ। আমাদের মধ্যে খুব ভালো বন্ডিং ছিল। যদিও আমরা একে অপরের চেয়ে অনেকটা আলাদা। কিউ আবেগপ্রবণ। আমি শিশুসুলভ। ছাড়াছাড়ি হওয়ার সময় কিউ একদিন আমাকে বলেছিল, আমি কোনওদিনও তোর সম্পর্কে কাউকে খারাপ কথা বলব না। তাই আমিও সেটা মেনে চলি। কিউ সম্পর্কে আমার মুখ থেকে কেউ একটাও খারাপ কথা বের করতে পারবে না।

কিউয়ের সবক’টা ছবি বিদেশি ফেস্টিভ্যালে গেছে। সেখানকার দর্শক কী বলেছে? ঋয়ের চোখমুখ পলকে জ্বলজ্বল করে ওঠে, খুব ভালো বলেছে ফেস্টিভ্যালে। ওখানে আমাকে এক বিদেশি এসে বলেন, আমাকে নাকি তাঁর দেবীর মতো মনে হয়েছে। এটা আমার কাছে স্বর্গীয় প্রশংসা। কিন্তু এটা আমাদের দেশে হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা