• ই-পেপার

সাইফুল্লাহ হত্যা : বিচার দাবিতে রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাদের মধ্যে ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী’ মাওরা সোহেলকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মো. শফিকুল ইসলাম সুজন (৩০) ও মো. রাসেল (২৩) নামের আরো দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (২১ জুন) মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‌্যাব-২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘শনিবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-২ মোহাম্মদপুর থানাধীন বেড়িবাঁধ ইউল্যাব ইউনিভার্সিটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির খেলার মাঠের পেছনের আমবাগান থেকে একটি বিদেশি রিভলবারসহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী সোহেল ওরফে মাওরা সোহেলকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। সে মোহাম্মদপুর এলাকার কিশোর গ্যাং এবং ছিনতাইকারী গ্রুপ, মাওরা গ্রুপের প্রধান এবং আবু সাইদ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড।’

তিনি আরো বলেন, একই দিন রাতে র‌্যাব-২-এর আরেকটি অভিযানে মোহাম্মদপুর থানার বসিলা রোডসংলগ্ন মেট্রো হাউজিং এলাকা থেকে অপর দুই ছিনতাইকারী মো. শফিকুল ইসলাম সুজন  ও মো. রাসেলকে দুটি সামুরাই এবং একটি চায়নিজ কুড়ালসহ গ্রেপ্তার করা হয়। মাওরা সোহেলের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের মধুখালী এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন থানায় চুরি, দস্যুতা, হত্যা চেষ্টা, গুরুতর আঘাত, মাদকসহ মোট ১৪টি মামলা এবং দুটি ওয়ারেন্ট পেনডিং রয়েছে। এ ছাড়া সুজনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় এবং রাসেলের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় একটি করে মাদক মামলা রয়েছে।

২০ দিনে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ দিনে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে চলতি মাসের শুরু থেকেই বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। জুনের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১ হাজার ৫৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৫৪ জন চাঁদাবাজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন পুলিশি তালিকাভুক্ত এবং বাকি ৫৩ জন তালিকাবহির্ভূত। এছাড়া নগরের নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের ৪৬৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে একই সময়ে ডিএমপির বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ ১ হাজার ২০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ডিএমপি সূত্রে আরও জানানো হয়, মহানগরবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়ে তুলতে পুলিশের এ বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১৯
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (২০ জুন) দিনব্যাপী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় ওই অভিযান চালায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. মোশারফ হোসেন, মো. রাসেল, মো. খলিল মিয়া, মো. রিশাদ, রুহী আক্তার, তৌসিফ, মো. নাসির, মো. মাসুদ রানা ওরফে রনি, মো. বিল্লাল ভূঁইয়া, মো. শুভ, মো. শাহীন কাউছার, মো. বেলাল হোসেন, ফেরদৌস কামাল, মোসা. রাশেদা বেগম, রোকসানা বেগম, মো. সাদ্দাম, মো. দিদারুল আলম টিপু, মো. ইউসুফ মজুমদার ও মো. শফিউল আলম।

যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা যায়, এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে শনিবার দিনব্যাপী থানা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ওই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। বিশেষ ওই অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিয়মিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি ছাড়াও পরোয়ানাভুক্ত (ওয়ারেন্টভুক্ত) পলাতক অপরাধী রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

‘বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি, দেখার কেউ নেই’

অনলাইন ডেস্ক
‘বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি, দেখার কেউ নেই’
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। এক হাজার ৩৫০ শয্যার সরকারি এ হাসপাতালটিতে সারা দিন রোগীতে উপচে পড়া ভিড় থাকে। টিকিট কাউন্টার, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ এবং চিকিৎসক কক্ষের সামনে সব সময় রোগীদের দীর্ঘ সারি থাকে। তবে এই হাসপাতালকে ঘিরে যেন রোগীদের অভিযোগের কমতি নেই। 

সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের ইউটিউবে এক ভিডিওতে রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগ দিতে দেখা গেছে।

হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে এক রোগী বলেন, ‘রাত ৩টায় এসেছি। একটা ডাক্তারও দেখেনি। ফ্লোরের মধ্যে রেখেছে। বেঁচে আছি, নাকি মারা গেছি, কেউ দেখার নেই। বেড বয় সকালবেলা এসে টাকা চায়। ২০০ টাকা দেওয়াতে খুশি না। ৬০০ টাকা দিতে হবে। একদম ফালতু হসপিটাল।’

ভিডিওতে এক রোগীকে বলতে শোনা যায়, ‘সেবা নেওয়ার জন্য এসেছি, কিন্তু দেখতেছি এখানে যাও, ওইখানে যাও, সিরিয়াল। অথচ অনেকে ঠিকই চিকিৎসা নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণ চিকিৎসা পাচ্ছে না। সকাল ৮টায় এসেছি, শুধু মাথায় এক্স-রে করার জন্য। পাঁচ মিনিটের কাজ, অথচ বেলা বাজে ১২টা।’

সিস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে এক রোগী বলেন, ‘তাদের ব্যবহার এত খারাপ যে বলার মতো না। এ জায়গায় আমরা এসেছি ভালো সার্ভিস নেওয়ার জন্য। প্রত্যেকটা রোগী আসে তাদের সেবা নেওয়ার জন্য। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তারা সিস্টাররা মনে হয় একেকটা ডাক্তার।’

চর্মের সমস্যা নিয়ে আসা এক নারী রোগী বলেন, ‘আমার চর্মের সমস্যা। আমি ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাত দেখাইছি। উনি বলতেছেন যতটুকু দেখাইছি ততটুকুতে ট্রিটমেন্ট পাব না। আমি বলছি আমার আরো শরীরে অনেক জায়গায় আছে, এটা দেখানো যাবে না। তখন তিনি বলেন যে তাহলে ট্রিটমেন্টও হবে না। আউটডোরে এত মানুষের ভেতরে কিভাবে তাকে আমি শরীর দেখাব?’

অপর এক রোগী বলেন, ‘আজকে এক সপ্তাহ ধরে স্লিপ নিয়ে বইয়া রইছি। এই ওয়ার্ডে যান, ওই ওয়ার্ডে যান। আর সত্যি কথা কি, সেবা আমরা ভালো করে পাই না। সকাল ৮টা থেকে নিয়া ১২টা পর্যন্ত সিরিয়ালে দাঁড়াইয়া রইছি। উনি বলতেছে আজকে হবে না, শনিবারে আসেন। সামনের শনিবার থেকে আবার সামনের শনিবার।’