ঢাকার রূপনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে সংরক্ষণ ও বেচাকেনার জন্য রাখা ১ হাজার ১০৪টি বিদেশি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)। এ সময় কাজী সাজিদ উল্লাহ দস্তগীর (৩৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে ডব্লিউসিসিইউর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরো পড়ুন
প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২ জুলাই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রূপনগরের ‘টি’ ব্লকের ৬ নম্বর সেকশনের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পরিবেশবিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যালায়েন্সের (বিডব্লিউএ) সহায়তা নেয় ডব্লিউসিসিইউ।
গ্রেপ্তার কাজী সাজিদ উল্লাহ দস্তগীরের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০২৬-এর ৩৩ ধারায় রূপনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন
ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ‘উন্মাদ’ ছাড়া কী বলব : দুদু
অভিযানে দুটি কর্ন সাপ, একটি মেক্সিকান ব্ল্যাক কিংস্নেক, একটি গোল্ডেন চাকুনি ট্যারান্টুলা, একটি ব্লাড লেগ ট্যারান্টুলা, একটি ডাম্পি ব্যাঙ, একটি লেপার্ড গেকো, একটি রাউন্ড-টেইল লেপার্ড গেকো, ৮৪৬টি রেড-ইয়ার্ড স্লাইডার কচ্ছপ, ১৮টি পিংক-বেলিড সাইডনেক কচ্ছপ, ১৩৮টি রিভস কচ্ছপ, ৫৬টি কমন স্ন্যাপিং কচ্ছপ এবং ৩৮টি ইয়েলো-ইয়ার্ড স্লাইডার কচ্ছপসহ মোট ১ হাজার ১০৪টি প্রাণী উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ২১টি প্রাণী মৃত ছিল।
ডব্লিউসিসিইউ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের সঙ্গে আরো কয়েকজনের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।
আরো পড়ুন
চালু হয়নি তিন বছরেও, ইজারায় যাচ্ছে কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা
বন বিভাগ জানায়, দেশের প্রচলিত আইনে বন্যপ্রাণী অবৈধভাবে আমদানি, রপ্তানি, কেনাবেচা ও পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অভিযানে সহযোগিতার জন্য রূপনগর থানা ও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বন বিভাগ।