• ই-পেপার

নোয়াখালীতে সিএনজি-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে আলিম পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত ৪

তেঁতুলঝোড়া ইউপিতে দালালের ভূমিকায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
তেঁতুলঝোড়া ইউপিতে দালালের ভূমিকায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ এবং ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বহিরাগত হিসেবে স্থানীয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী হস্তক্ষেপ করছেন এবং দালালের ভূমিকায় কাজ করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদে সচিব, গ্রাম পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বে থাকলেও বহিরাগত এসব ব্যক্তি সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই, বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া এবং দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। এতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের পরই কয়েকজন যুবক সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র দেখে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন। সচিবের কক্ষের সামনেও তাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এ সময় নিজেকে ছাত্রদলকর্মী পরিচয় দিয়ে জনি নামের এক যুবক বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শামীম আহমেদকে পরিষদের কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা শামীম আহমেদের পক্ষ থেকে সেবাপ্রার্থীদের সহযোগিতা করছি।’

তবে একাধিক সেবাপ্রার্থী অভিযোগ করেন, ওই যুবকেরা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করেন। তাদের মাধ্যমে কাজ না করলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্সের ফি কমিয়ে দেওয়ার নামে সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় শাপলা হাউজিং এলাকার বাসিন্দা শাহিদা বেগম বলেন, ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র নিতে এসে কয়েকজন যুবক তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তার কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মেইটকা গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সনদ নিতে এসে তিনি নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চাওয়ার অভিযোগের মুখে পড়েন। পরে বিষয়টি ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের জানালে তারাও অর্থ দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন বলে দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘আমরা কারো কাছ থেকে অর্থ নেয়নি। বরং আগে যারা দালালি করতো, তাদের পরিষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও দুর্নীতি রোধে পরিষদে বহিরাগতদের উপস্থিতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকার পরও কীভাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ফাইল পরিচালনা ও খবরদারি করছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে আমিই সবকিছু দেখবো। গ্রাহকদের যেন ভোগান্তি না হয় এবং বহিরাগতরা যেন খবরদারি করতে না পারে সে জন্য আগামীকাল থেকে সবকিছু আমার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’

তবে এরপরই তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি শামীম আহমেদ ও তার সম্পাদককে কাল থেকে তার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

পটিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ জন আহত

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
পটিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ জন আহত
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী, নারী, শিশুসহ একই পরিবারের চারজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি ফৌজদারি অভিযোগ করেছেন আহত গৃহবধূ হালিমা বেগম।

হালিমা বেগম পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের পূর্ব মনসা এলাকার বাসিন্দা। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় অভিযুক্তরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের সঙ্গে বাদীপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

অভিযোগে বলা হয়, হালিমা বেগমের স্বামী মো. নজরুল ইসলামের মালিকানাধীন তিন শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন। এর মধ্যেই গত ৪ জুলাই দুপুরে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী রেশমি আক্তার পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে দেখতে পান, অভিযুক্তরা তাদের দখলীয় জমিতে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করছেন এবং চলাচলের পথে নির্মাণসামগ্রী ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।

এ সময় রেশমি আক্তার প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি মাথায় গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে মা হালিমা বেগম, বাবা নজরুল ইসলাম ও বোন আখি আক্তার এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।

বাদীর অভিযোগ, হামলার সময় তার গলায় থাকা প্রায় ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তাকে এবং তার দুই মেয়েকে শ্লীলতাহানির পাশাপাশি মামলা করলে প্রাণনাশ, বাড়িতে আগুন দেওয়া, এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে না দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নজরুল ইসলাম, রেশমি আক্তার ও আখি আক্তার চিকিৎসা নেন।

বাদী হালিমা বেগম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চলছে। হামলার পর আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমরা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।’

আহত নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আগেও জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এবার অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়েছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এইচএসসি পরীক্ষার্থী রেশমি আক্তার বলেন, ‘পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় হামলার শিকার হই। এখনো শারীরিকভাবে অসুস্থ। সামনে বাকি পরীক্ষাগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, বিষয়টি আদালতে অভিযোগ হিসেবে দায়ের করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।

গোপালগঞ্জ

স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আলামিন পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি তার স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের তানপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মিলি বেগম (৩০) ওই গ্রামের মিজান শেখের মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলি বেগম ও তার স্বামী আলামিন (৩০) একসঙ্গে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামেন। গোসল শেষে আলামিন একাই শ্বশুরবাড়িতে ফিরে এসে নিজের টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় আলামিনের শাশুড়ি মিলি বেগমের খোঁজ জানতে চাইলে তিনি শাশুড়িকে বলেন, মিলি পরে বাড়িতে ফিরবেন।

কিন্তু দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও মিলি বাড়িতে না ফেরায় তার মা পুকুরপাড়ে গিয়ে তাকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি কাশিয়ানী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

কাশিয়ানী-মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধজনিত হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউনিয়ন পরিষদে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা, প্রশাসক বদলের দাবি স্থানীয়দের

পাবনা প্রতিনিধি
ইউনিয়ন পরিষদে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা, প্রশাসক বদলের দাবি স্থানীয়দের
ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজিত কুমার মুন্সির বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম এবং নাগরিক সেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইউনিয়নবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা তাকে প্রত্যাহার করে প্রশাসনের দক্ষ কোনো কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দিনের পর দিন ইউনিয়ন পরিষদে ঘুরতে হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক অধিকাংশ সময় কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন সেবা নিতে আসা মানুষ দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না।

বিলচান্দক এলাকার বাসিন্দা শাহানাজ পারভীন অভিযোগ করেন, ওয়ারিশ সনদ নিতে এসে দীর্ঘ হয়রানির শিকার হয়েছেন। পরে ২০০ টাকা দেওয়ার পর তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আগের প্রশাসকের সময় ছোটখাটো কাজের জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ দিতে হতো না। এখন জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে।’

পাছ পুঙ্গলি এলাকার বাদশা সরদার বলেন, ‘একটি স্বাক্ষরের জন্য সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কাজ করতে পারেননি।’

আরেক ভুক্তভোগী জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসকের একটি স্বাক্ষর নিতে এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তিনি নিয়মিত ইউনিয়ন পরিষদে আসেন না।’

সরেজমিনে আরো দেখা যায়, প্রশাসকের মূল স্বাক্ষর ছাড়াই জন্মনিবন্ধন সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চারিত্রিক সনদ ও ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন কাগজপত্রে স্ক্যান করা স্বাক্ষর ব্যবহার করে প্রিন্ট দেওয়া হচ্ছে। পরে দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশ ওই স্বাক্ষরের নিচে তারিখ লিখে সেবাগ্রহীতাদের কাছে হস্তান্তর করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন কর্মচারী জানান, প্রশাসক নিয়মিত কার্যালয়ে না আসায় জনভোগান্তি কমাতে বাধ্য হয়ে স্ক্যান করা স্বাক্ষর ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসকের দায়িত্ব পালনে উদাসীনতার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ইউনিয়ন পরিষদের পাশের আট পুঙ্গলি পাকা রাস্তা থেকে কবরস্থান পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের ‘কাবিটা-কাবিখা’ প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে। প্রকল্পের নীতিমালা অনুসরণ না করে দুর্বল পাইলিং ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বাইরে থেকে মাটি আনার পরিবর্তে স্থানীয়দের জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। জলঢালাই সড়কের কাজেও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তারা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও পুঙ্গলি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক সুজিত কুমার মুন্সি বলেন, অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কেউ কোথায় অভিযোগ দিয়েছে, তা আমি জানি না।’