• ই-পেপার

১ কোটি টাকার ওষুধ কিনে ৪ কোটির বিল করেন সিভিল সার্জন!

লালপুরে মাদকসহ আটক ১

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
লালপুরে মাদকসহ আটক ১
সংগৃহীত ছবি

নাটোরের লালপুরে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত (১ জুলাই) রাত ১টা ৩০ মিনিটে উপজেলার দূড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালপুর থানার এসআই (নি.) মো. মনিরুল ইসলাম, এসআই (নি.) মো. শাহিনুর রহমান এবং এএসআই (নি.) মো. আনছার আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানকালে নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাকিল সরদারকে (৩৫) নিজ বসতবাড়ি থেকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন প্রায় ২.৫০ গ্রাম।

পুলিশ আরো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শাকিল সরদার এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে নজরদারিতে রাখা হয় এবং অবশেষে অভিযানের মাধ্যমে তাকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় লালপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যেই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বাগেরহাটে মোটরসাইকেল-মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে মোটরসাইকেল-মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাগেরহাট সদর উপজেলার রণবিজয়পুর এলাকায় মোটরসাইকেল ও মাহেন্দ্রর মুখোমুখি সংঘর্ষে শেখ তানজিম ইসলাম রাজ (১৬) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে বাগেরহাট-ফকিরহাট আন্তঃজেলা সড়কের সদর উপজেলা পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, একটি মোটরসাইকেলে করে রাজ বাগেরহাট থেকে ফকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রণবিজয়পুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাহেন্দ্রর সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

নিহত রাজ বাগেরহাট জেলার সুন্দরঘোনা এলাকার সুলতান শেখের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে। তবে সংঘর্ষের পর মাহেন্দ্রর চালক যানবাহনটি নিয়ে পালিয়ে যান।

পুলিশ নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামসুল আরেফিন বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক মাহেন্দ্রর চালককে শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।

চুরি ঠেকাতে পুকুরের চারপাশে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগ, ভ্যানচালকের মৃত্যু

ফরিদপুর প্রতিনিধি
চুরি ঠেকাতে পুকুরের চারপাশে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগ, ভ্যানচালকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাছের পুকুরের মাছ চুরি ঠেকাতে অরক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগের জিআই তারে জড়িয়ে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত মামুন বিশ্বাস রাজাপুর গ্রামের লাকু বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক হলেও কৃষিকাজও করতেন। তার দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের একটি পুকুরে মাছ চাষ করয় চুরি ঠেকাতে আলোর ব্যবস্থা করতে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়। খুঁটি স্থির রাখতে চারপাশে জিআই তার টাঙানো ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই জিআই তার বিদ্যুতায়িত অবস্থায় ছিল জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার ভোরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বের হন মামুন বিশ্বাস। ঘাস কেটে ফেরার পথে পুকুরপাড়ে মাটিতে থাকা বিদ্যুতায়িত জিআই তার তার পায়ে লেগে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা দাবি, একই বিদ্যুতায়িত জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তারে গত এক মাসে তিনটি কুকুর মারা গেলেও দায়িত্বশীলরা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এবার প্রাণ গেল মানুষের।

নিহতের বড় ভাই রুবেল বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিল। পুকুরপাড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতায়িত জিআই তার পায়ে জড়িয়ে সে মারা গেছে। আগেও একই তারে তিনটি কুকুর মারা গেছে। তারপরও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। এ মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিচার চাই।’

পুকুরের মালিক জাহিদুল শিকদার বলেন,‘ পুকুরটি লিজ দেওয়া ছিল। লিজগ্রহীতারা কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন, তা জানা ছিল না। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এ ঘটনায় পুকুর লিজগ্রহীতার দাবি, রাতে আলো জ্বালানোর জন্য বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং সকালে তা খুলে ফেলার কথা। হয়তো অসাবধানতাবশত সেদিন সংযোগ খোলা হয়নি, অথবা অন্য কোনো কারণে তারে বিদ্যুৎ চলে এসেছে।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনা

তিস্তাপারে আলোর মিছিল, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত

পাঁচ জেলায় পালিত হলো কর্মসূচি  দ্রুত একনেকে অনুমোদন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
তিস্তাপারে আলোর মিছিল, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত
ছবি: কালের কণ্ঠ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে অনুমোদন, অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে তিস্তা নদীর দুই তীরের পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ ও আলোর মিছিল করা  হয়েছে। 

জাতীয় সংসদে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রত্যয়ের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং ঘোষণার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বুধবার (১জুলাই) রাতে এ কর্মসূচির আয়োজন করে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে-রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশ শেষে মশাল প্রজ্বালনের মাধ্যমে আলোর মিছিল বের করা হয়।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাবাজারের আলীবাবা থিম পার্কসংলগ্ন তিস্তাপারে আয়োজিত কেন্দ্রীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী। 

তিনি বলেন, ‘চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরেই এই সরকার যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। আমরা এ ঘোষণাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। তবে তিস্তাপারের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রতিশ্রুতি শুনেছে। এখন তারা নতুন আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চায়।

অধ্যক্ষ নজরুল বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি নদীভাঙন রোধ, তিস্তার দুই তীর সংরক্ষণ, নদী খনন, শাখা-উপনদী পুনরুজ্জীবন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, কৃষি উৎপাদন ও সেচ সম্প্রসারণ, নৌযোগাযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার একটি সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ।

পরিষদ সভাপতি বলেন, ‘জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়নই হবে তিস্তাপাড়ের মানুষের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।’ তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষ আজ আলোর মিছিলে অংশ নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত একনেকে  অনুমোদন এবং পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়বদ্ধ বাস্তবায়নে রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে।’

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন প্রকৌশলী শেখ রেজওয়ান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর কবির, বাবুল আক্তার, আশিকুর রহমান,ববিউল ইসলাম,স্থানীয় সংগঠক আব্দুস ছাত্তার, জিয়াউর কামরুজ্জামান ও রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন,  আমরা আশা করেছিলাম মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা এবং একনেকে অনুমোদন দেওয়া হবে। যদিও সেটি এখনো হয়নি, তবু চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা তিস্তাপারের মানুষের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।

পদ্মা হলে তিস্তা নয় কেন-এই স্লোগানকে সামনে রেখে পুরো জুন মাসজুড়ে নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, হাটসভা, উঠান বৈঠক, বিক্ষোভ ও মশাল প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে জানান  বক্তারা।

এদিকে, একই দাবিতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আউলিয়ার বাজার পয়েন্টে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুন নুর দুলাল ও মাহমুদ আলম এবং কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল ইসলাম, পারভিন আক্তার, ওমর ফারুক ও মোনায়েম সরকার।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৈলমারী ও বানপাড়া তিস্তাপারের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছাদেকুল ইসলাম, শৈলমারী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান এবং কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম পাশা এলিচ ও জাহাঙ্গীর রহমান। 

এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট তিস্তা তীর এবং উলিপুর উপজেলার হোকোডাঙার তিস্তাপারেও পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়। সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান বলেন, ‘জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিস্তা অববাহিকার মানুষের মধ্যে নতুন আশা সঞ্চার করেছে। সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে দ্রুত একনেকে অনুমোদন, অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা এখন সময়ের দাবি।’

শফিয়ার রহমান বলেন, আগামী দিনে রংপুর অঞ্চলের রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেক অনুমোদন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা; অভিজ্ঞ নদী প্রকৌশলী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও তিস্তা আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন এবং দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ।  

এ ছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিস্তা বন্ড চালু ও বালু-পাথর বিক্রির আয় প্রকল্পে বিনিয়োগ; ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের আওতায় পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল, কৃষি অঞ্চল, সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র, কৃষিভিত্তিক সমবায় ও কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলার দাবি করা হয় সমাবেশে।