• ই-পেপার

সেন্টমার্টিনে ৬ হাজার কুকুরের রাজত্ব

ঝিনাইগাতী সীমান্তে পাইপগানসহ আটক ১

শেরপুর প্রতিনিধি
ঝিনাইগাতী সীমান্তে পাইপগানসহ আটক ১
সংগৃহীত ছবি

শেরপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি সীমান্ত এলাকা থেকে পাইপগানসহ মো. পিয়ার আলী (৩২) নামে একজনকে আটক করেছে বিজিবি। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দিয়ে উদ্ধার পাইপগানসহ পিয়ার আলীকে ঝিনাইগাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের নিকট পাঠানো ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আটক ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি কুচপাড়া গ্রামের ফজল হকের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার সন্ধ্যায় নকশী বিওপি'র টহলদল ঝিনাইগাতীর নওকুচি সীমান্ত এলাকা থেকে একটি পাইপগানসহ মো. পিয়ার আলীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার অস্ত্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়েরপূর্বক তাকে পুলিশের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঝিনাইগাতি থানার ওসি মো. আমিরুল ইসলাম জানান, একটি দেশীয় পাইপগানসহ পিয়ার আলী নামে একজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে বিজিবি। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ফরিদপুরে ২ নারীর মরদেহ উদ্ধার

সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ফরিদপুরে ২ নারীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় একই দিনে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় উপজেলার পৃথক দুটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের নিজগ্রাম এলাকার ওবায়দুল মুন্সীর স্ত্রী লিপি আক্তার (৪২) ও ভাষানচর ইউনিয়নের ছমির হাজী কান্দি গ্রামের বুলু মুন্সীর মানসিক ভারসাম্যহীন কন্যা নাছরীন আক্তার (১৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিপি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বাড়ির গোয়ালঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

অপরদিকে নিহত নাছরীন আক্তারের পরিবার জানায়, নাছরীন ছোটবেলা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। রবিবার বিকেলে তিনি খাবার না খেয়ে নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে ছিলেন। পরে তার মা নাজমা বেগম ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে নাছরীনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সদরপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামান রিপন জানান, দুটি মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হাটহাজারীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্যসহ গ্রেপ্তার ২

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
হাটহাজারীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্যসহ গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

হাটহাজারীতে প্রায় ৪১ লাখ ৭১ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্যসহ আলমগীর হোসেন (৪২) ও সেলিম (৩৪) নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মডেল থানা পুলিশ। এছাড়া পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার ওয়ালটন শো-রুম এর সামনে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাটহাজারী মডেল থানার উপপরিদর্শক রুপন নাথের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ১ হাজার ২৩৮ পিস অবৈধ শাড়ি ও ২৪৬ থ্রি-পিস এবং পরিবহন কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়। জব্দ ভারতীয় পণ্যের মূল্য প্রায় ৪১ লাখ ৭১ হাজার ৯০০ টাকা। 

এ ঘটনায় মডেল থানার এএসআই মো. এমরান হোসেন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ছাড়া গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তিকে সোমবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাটহাজারী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার নাজমুল হাসান।
 

ফটিকছড়ি

স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক বাঁকের ঝোপঝাড় পরিষ্কার

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক বাঁকের ঝোপঝাড় পরিষ্কার
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার করছেন রবিউল। ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্যস্ত সড়ক দিয়ে দিন-রাত যানবাহন চলে। দুই পাশে কোথাও  বাড়িঘরের সীমানাপ্রাচীর, কোথাও ঝোপঝাড়। ঝোপঝাড়ের কারণে দেখা যেত না সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সাংকেতিক চিহ্ন বা রোড সাইন। এতে দূর থেকে চালকরা মোড় দেখতে না পেয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতেন।

যানবাহনের চালক ও পথচারীদের এই ভোগান্তি দূর করতে এগিয়ে এসেছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির যুবক রবিউল হোসেন। স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কের পাশের বিপজ্জনক ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে চলেছেন তিনি। সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান রবিউলের এই উদ্যোগ এখন পুরো উপজেলাজুড়ে প্রশংসিত।

রবিবার সরেজমিন সংশ্লিষ্ট এলাকা ঘুরে দেখার সময় স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি-রামগড় সড়ক এবং ফটিকছড়ি-বারৈয়ারঢালা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ঝোপঝাড় ছিল। সড়ক দুটির বাঁকগুলো মারণফাঁদে পরিণত হয়েছিল। বড় বড় ঘাস, লতাপাতায় ঢেকে গিয়েছিল সড়কের গুরুত্বপূর্ণ রোড সাইনগুলো।

সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকির বিষয় ভেবে নিজের উদ্যোগেই দা-কাঁচি নিয়ে সড়কে নেমে পড়েন রবিউল। শুরু করেন সড়ক পরিষ্কারের কাজে। সড়কের আঁকাবাঁকা মোড়গুলোর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা দূর করেন। তার এই কাজের ফলে এখন চালকরা দূর থেকেই সড়কের বাঁক ও সাংকেতিক চিহ্নগুলো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটা কমিয়েছে।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক নূরুল আলম বলেন, ‘সড়কের  মোড়গুলোতে আগে কিছু দেখা যেত না। অনেক সময় উল্টো দিক থেকে গাড়ি চলে এলোও ঝোপের কারণে বোঝা যেত না। রবিউল মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য সেই ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার করছেন। তাকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করা যাবে না।’ 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবিউল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি কৃষক পরিবারের সন্তান, সাধারণ মানুষের কষ্ট বুঝি। প্রায়ই দেখতাম এই ঝোপঝাড়ের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। সাইনবোর্ডগুলো ঢাকা পড়ে থাকায় বাইরের চালকরা মোড় বুঝতে পারেন না। তাই নিজের বিবেকের তাড়নায় স্বেচ্ছায় এসব পরিষ্কার করছি। মানুষ নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে, এটাই আমার বড় পাওয়া।’