• ই-পেপার

সূর্যবংশীকে বসিয়ে রেখে ভারতের পরাজয়ে সমালোচনার ঝড়

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামা অনিশ্চিত লিটনের

ক্রীড়া ডেস্ক
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামা অনিশ্চিত লিটনের

চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারেননি লিটন কুমার দাস। একই কারণে নেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট সিরিজেও। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে থাকলেও চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না উঠায় একাদশে থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

গেল রবিবার অভিজ্ঞ ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে ছাড়াই মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন ওডিআই দলটি হারারের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। 

ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানতেও মিস করতে যাচ্ছেন উইকেট কিপার এই ব্যাটার। 

সম্প্রতি চোট পাওয়া স্থানে স্ক্যান করিয়েছেন লিটন। ফল আশাব্যঞ্জক না হওয়ায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে তার না খেলার সম্ভাবনাই বেশি।

সাদা বলের সিরিজের দল জিম্বাবুয়ে গেলেও দেশেই রয়ে গেছেন লিটন। জানা গেছে, ১ জুলাই জিম্বাবুয়ে যাবেন উইকেট কিপার এই ব্যাটার। আর ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে আগামী ৬ জুলাই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সময় বাঁ পায়ে চোট পান লিটন। যার কারণে মাঠ থেকে উঠে যান তিনি। পরে অবশ্য দলের প্রয়োজনে আবারও নামেন এবং মিরপুরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন এলকেডি। তবে চোট রয়ে গেছে তার। যেটি এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

স্টোকসের অবসরে যা বললেন সাবেক সতীর্থরা

ক্রীড়া ডেস্ক
স্টোকসের অবসরে যা বললেন সাবেক সতীর্থরা

আকস্মিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থেকে ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের অবসরের ঘোষণা হতবাক ক্রিকেটাঙ্গনে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। স্টোকসের অবদান স্মরণ করে তাকে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকাররা।
 
ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার চলমান সিরিজ নির্ধারণী টেস্ট ম্যাচের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে চা বিরতির মাত্র ১৫ মিনিট আগে হঠাৎ করেই এই ঘোষণা দেন ১২২ টেস্ট খেলা এই ইংলিশ অলরাউন্ডার

বিবিসি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন বলেন, 'আমি সত্যিই হতবাক। এমন সিদ্ধান্ত একেবারেই কল্পনা করিনি। কেন সে (বেন স্টোকস) এই সিদ্ধান্ত নিলো, সেটি তার মুখ থেকেই শুনতে হবে।'

অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই নিজের প্রথম বলেই জাক ফোকসের উইকেট তুলে নেন স্টোকস। সেই মুহূর্তে ভন বলেন, 'ইংল্যান্ড যে কী হারাতে যাচ্ছে, এই উইকেটই তার প্রমাণ। দলে যখনই তার প্রয়োজন হয়েছে, তিনি সাড়া দিয়েছেন।'

আরেক সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক বলেন, 'সময়টা অবাক করার মতো। তবে স্টোকস সব সময়ই নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেয়। আমার বিশ্বাস, গত কয়েক মাস ধরেই বিষয়টি তার মাথায় ছিল।'

অবসরের ঘোষণার পর স্টোকসের দীর্ঘদিনের সতীর্থ ক্রিস ওকস বলেন, 'স্টোকস সব সময় মাঠে নিজের শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য সে অসাধারণ একজন নিবেদিতপ্রাণ ক্রিকেটার।'

সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড অবশ্য মজা করে বলেছেন, 'আমার তো মনে হচ্ছে, শেষ ইনিংসে ওপেন করতে নেমে সে শতরানও করে ফেলবে।'
 
টকস্পোর্টে সাবেক উইকেটরক্ষক ম্যাট প্রাইর বলেন, 'স্টোকস এমন একজন অধিনায়ক, যার জন্য সতীর্থরা সবকিছু উজাড় করে দিতে প্রস্তুত থাকে। তার নেতৃত্বকে কখনোই ছোট করে দেখা উচিত নয়।'

ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের ‘সেরা’ তারকাকে পাচ্ছে না জাপান

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের ‘সেরা’ তারকাকে পাচ্ছে না জাপান
তাকেফুসা কুবো। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে জাপান। তবে ম্যাচটির আগে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে সামুরাই ব্লুরা। হাঁটুর চোটের কারণে দলের অন্যতম সেরা তারকা তাকেফুসা কুবোকে পাচ্ছে না জাপান।

সোমবার (২৯ জুন) হিউস্টনে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাপানের প্রধান কোচ হাজিমে মরিয়াসু। তিনি জানান, কুবো এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি, তাই ব্রাজিলের বিপক্ষে তাকে মাঠে নামানো হবে না।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে বাঁ হাঁটুর মেনিস্কাসে চোট পান ২৫ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। এরপর তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষেও মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। রোববার দলের সঙ্গে অনুশীলন না করে আলাদাভাবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে গেলেও নকআউট ম্যাচের জন্য তাকে ঝুঁকি নিতে চায় না জাপান।

মরিয়াসু বলেন, ‘কুবো এখনো ব্যক্তিগতভাবে দৌড় ও ফিটনেস অনুশীলন করছে। তাই ব্রাজিলের বিপক্ষে সে খেলতে পারবে না। আমরা সবাই চাই সে দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরুক।’

কুবোকে ছাড়াই গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ হয়ে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে জাপান। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছেন মরিয়াসু।

তিনি বলেন, ‘ব্রাজিল সবসময়ই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। অনেকেই আমাদের আন্ডারডগ বলবে। কিন্তু আমরা ভয় পাচ্ছি না। গত বছরও কেউ আমাদের জয়ের সম্ভাবনা দেখেনি, তবু আমরা তাদের হারিয়েছিলাম। এবারও ইতিহাস বদলানোর বিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামব।’

বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ভিনিসিয়ুসের

ক্রীড়া ডেস্ক
বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ভিনিসিয়ুসের
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ছবি : রয়টার্স

ব্রাজিলের হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে একমাত্র গোল করার পর হাইতির বিপক্ষেও জালের দেখা পান তিনি। এরপর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা উইঙ্গার।

বিশ্বকাপে তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর রিয়াল মাদ্রিদও তার চুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

তবে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান নিয়েও কথা বলেছেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘মাঠের বাইরের এই অর্জনগুলো আমার ফুটবল অর্জনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে আমি আরো অনেক মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি।’

ব্রাজিলিয়ান এই তারকা মনে করেন, বর্ণবাদ পুরোপুরি দূর করতে এখনো অনেক পথ বাকি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই পরিবর্তন ধীরে হচ্ছে। তবে আমি আশা করি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেন এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমার সাত বছরের ছোট ভাই আছে, আমি চাই না সেও বর্ণবাদের শিকার হোক।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি মাঠে বড় সাফল্য অর্জন করতে চাই, একই দসঙ্গে সেই তরুণ কৃষ্ণাঙ্গদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাদের কণ্ঠস্বর আমার মতো জোরালো নয়।’

ব্রাজিলের বর্তমান দল নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভিনিসিয়ুস। তার ভাষায়, ‘এটি এমন একটি প্রজন্ম, যারা ব্রাজিলকে আবারও শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে লড়াই করছে। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার অপেক্ষা অনেক দীর্ঘ হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।’

তিনি মনে করেন, কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দল আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। ‘আনচেলত্তি আমাদের স্বাধীনতা, মানসিক স্বস্তি এবং বিশ্বাস দিয়েছেন যে আমরা আবারও সেরাদের কাতারে ফিরতে পারি।’

নেইমার, কাসেমিরো, মারকিনিওস, দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের উপস্থিতিও তরুণদের জন্য বড় সহায়তা বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের আরো স্বাধীনভাবে খেলতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এন্দ্রিক ও রায়ানের মতো তরুণরাও দলে নতুন শক্তি যোগ করছে।’

নিজের দুর্দান্ত ফর্মের রহস্য জানাতে গিয়ে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বলেছিলাম, আমি টেকনিক্যালি, শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থায় আছি। পুরো মৌসুম কঠোর পরিশ্রম করেছি। কোনো ইনজুরিতে পড়িনি, রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ম্যাচও মিস করিনি। যত বেশি পরিশ্রম করবেন, ভাগ্যও তত বেশি আপনার পক্ষে থাকবে।’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেড থেকে গোল করার প্রসঙ্গে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি সাধারণত হেডে গোল করি না। কোচের সঙ্গে এ নিয়ে বাজি ছিল। ক্যারিয়ারে মাত্র দুই-তিনটি হেডে গোল করেছি। এবার বাজি জেতার উপহারটা বেছে নিতে হবে।’