• ই-পেপার

ময়মনসিংহ

নগরেই বিদ্যুৎ ঘাটতি ২৫ শতাংশ, গ্রামে আরো বেশি

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চল

কারখানার সামনে মোটরসাইকেল মহড়া, ‘সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না’ বলে হুঁশিয়ারি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
কারখানার সামনে মোটরসাইকেল মহড়া, ‘সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না’ বলে হুঁশিয়ারি
ছবি : সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে একটি কারখানার সামনে কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেলের মহড়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মহড়ায় অংশ নেওয়া কয়েকজন কারখানায় ঢুকে নিজেদের ‘বড় নেতার লোক’ পরিচয় দিয়ে কারখানার ঝুট (বর্জ্য) ব্যবসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া অন্য কাউকে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে টঙ্গী শিল্পনগরীর পাগার এলাকায় অবস্থিত ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেল কারখানার সামনে জড়ো হয়। এতে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে আশপাশের অনেক দোকানপাটও বন্ধ হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহড়ায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ ব্যক্তি কারখানার ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেন। পরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে তারা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া কারখানার ঝুটের ব্যবসা অন্য কাউকে না দেওয়ার কথা বলে চলে যান।

ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল আমিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তারা একজন বড় নেতার লোক পরিচয় দিয়ে এসেছিলেন। বলে গেছেন, তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না।’

তিনি আরো জানান, ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে বিদেশি ক্রেতা (বায়ার) অবস্থান করছিলেন, ফলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

কারখানার বর্তমান ঝুট ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনেই ঝুটের ব্যবসা পরিচালনা করছি। এখানে অন্য কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।’

কারখানার সামনের কয়েকজন দোকানি জানান, শত শত মোটরসাইকেলের বহর দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে কারখানাটির ঝুটের ব্যবসা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম নিয়ন্ত্রণ করতেন। পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কারখানাটি কিছু সময় বন্ধ থাকলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ঝুটের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গাজীপুর মহানগর বিএনপির দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এটা তাদের ইন্টারনাল বিষয়। তবে মহড়ার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগৈলঝাড়ায় সড়ক সংস্কারে অনিয়ম, হাতেই উঠানো যাচ্ছে কার্পেটিং

এসএম ওমর আলী সানি, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
আগৈলঝাড়ায় সড়ক সংস্কারে অনিয়ম, হাতেই উঠানো যাচ্ছে কার্পেটিং
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়কের সংস্কারকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় মানুষের হাতের স্পর্শেই সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং বৃষ্টির পর কার্পেটিং করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার মাহিলাড়া-আম্বুলা-ছয়গ্রাম-পয়সারহাট সড়কের বাগধা ইউনিয়নের তালবাড়ি এলাকার ৫৪০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের মাধ্যমে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার মো.আসাদুজ্জামানের মালিকানাধীন মেসার্স সরদার ট্রেডিং কাজটি পায়। পরবর্তীতে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয়ভাবে কাজটি অন্য একজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টরা প্রকৌশলগত নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির পরপরই সড়কে কার্পেটিং করা হয় এবং এ সময় এলাকাবাসী আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই পিচ ও পাথরের আস্তরণ উঠে আসছে। এতে করে সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের আগে রাস্তা যথাযথভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। এমনকি কোথাও কোথাও ময়লা ও ধুলাবালির ওপরই কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন ব্যবহারের কারণে সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়েছে বলে আভিযোগ করেছে। 

ওই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ভ্যানচালক আহসান  ইসলাম, বরকত আলী ও আবুল কালাম সরদার বলেন, ‘সরকার উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তার কারণে সেই উন্নয়নের সুফল মানুষ পাচ্ছে না। রাস্তার কাজ যদি সঠিকভাবে হতো, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই এভাবে কার্পেটিং উঠে যেত না।’

তারা আরো বলেন, ‘জনগণের করের টাকায় উন্নয়নকাজ হলেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে  নিম্নমানের কাজ হয়েছে।’  দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাকির মোল্লা বলেন, ‘বৃষ্টির সময় এক গাড়ি মালামাল আনা হয়েছিল। তখন আমি কাজ না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। তাদের নির্দেশেই কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি কাজ শুরু করিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছি। পরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই। যেখানে কার্পেটিং উঠে গেছে, সেখানে পুনরায় কাজ করে সমস্যার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, ‘কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য বরিশাল এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে আসবেন। এখন পর্যন্ত কাজের কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং ত্রুটি সংশোধন না করা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজ অপসারণ করে নতুন করে মানসম্মত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

৩৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) জেলা পরিষদের জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সাধারণ সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের সভাপতিত্বে সভায় বাজেট উপস্থাপন ও এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের এই বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি ময়মনসিংহ জেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং টেকসই অগ্রগতির একটি সুপরিকল্পিত রূপরেখা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, জনগণের অর্থের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প সময়মতো এবং মানসম্মতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এই বাজেটের আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাজেট সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রাজু আহমেদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু ইউসুফ খান, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজনীন সুলতানা এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।

এছাড়াও ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, ফুলবাড়ীয়া, ত্রিশাল, ভালুকা, গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল, গৌরীপুর, তারাকান্দা, ফুলপুর, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) উপস্থিত থেকে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনা শেষে উপস্থিত সবার সর্বসম্মতিক্রমে ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার এই বাজেট পাস হয়। কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই বাজেটের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনসেবার মান আরও উন্নত হবে।

দোহারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
দোহারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকার দোহার উপজেলায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে দোহার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, তাদের অনেকের বাড়িতে এসি, ফ্রিজসহ উচ্চ বিদ্যুৎ খরচকারী কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র না থাকলেও অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিল এসেছে। তারা ‘ভুতুড়ে বিল’ এবং গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়ে অতিরিক্ত বিল সংশোধনের দাবি জানান।

প্রতিবাদকারীরা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ, অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএমের পদত্যাগও দাবি করেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি সংশোধনের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তবে দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।