• ই-পেপার

ঢাবিতে যুব কর্মসংস্থান নিয়ে দিনব্যাপী সেমিনার

শিক্ষাছুটির পরও কর্মস্থলে যোগদান না করায়

গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ জন শিক্ষককে এবং সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে আরো একজনসহ ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আজ রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/১০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিকবার পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা হলেন, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার এবং প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জ্বল হুসাইন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন আহরিত সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গোবিপ্রবির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলমের দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোবিপ্রবির শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুতি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোবিপ্রবির শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুতি
চাকরিচ্যুত সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন। সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গৃহীত অর্থও তাকে ফেরত দিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়। পরে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে মত দেন যে, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে তিনি সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এ বিষয়ে ফাতেমা খাতুনের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঢাবিতে তিতুমীর

এবারের বাজেটকে সংখ্যার দৃষ্টিতে না দেখে মূল দর্শন বোঝা জরুরি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
এবারের বাজেটকে সংখ্যার দৃষ্টিতে না দেখে মূল দর্শন বোঝা জরুরি

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, এবারের বাজেটকে শুধু সংখ্যার দৃষ্টিতে না দেখে এর মূল দর্শন, লক্ষ্য এবং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝা জরুরি। এই বাজেট দেশের সর্বস্তরের মানুষের কথা বিবেচনা করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও জনবান্ধব বাজেট।

রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তরুণদের জন্য জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭ : শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক জাতীয় বাজেটবিষয়ক নীতি সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাবির সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির উদ্যোগে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সংলাপটি আয়োজিত হয়।

উপদেষ্টা তিতুমীর বলেন, শিক্ষাকে আরো গবেষণাভিত্তিক করতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে বাজেটের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

ঢাবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে গবেষণানির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে সরকারের সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্বাগত বক্তব্য দেন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. নায়িম সুলতানা। এ ছাড়া সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির পরিচালক অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান এবং সহকারী অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান বক্তব্য দেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষে পাঁচজন শিক্ষার্থী তাদের মতামত তুলে ধরেন।

ঢাবিতে ‘আরবি ভাষা ও সাহিত্যে রাজ্জাক-আলবুরুজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার’ প্রদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে ‘আরবি ভাষা ও সাহিত্যে রাজ্জাক-আলবুরুজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার’ প্রদান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আরবি ভাষা ও সাহিত্যে রাজ্জাক-আলবুরুজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার’ রবিবার প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আরবি ভাষা ও সাহিত্যে রাজ্জাক-আলবুরুজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মাননা প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনশী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং দাতা সদস্য মো. সরওয়ার জাহান ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষকের প্রকৃত সাফল্য তাঁর শিক্ষাদান, গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার সক্ষমতার মধ্যেই নিহিত। এ ধরনের পুরস্কার শিক্ষকদের মধ্যে উৎকর্ষ সাধনের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে এবং শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় আরো নিবেদিত হওয়ার জন্যও তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

এবার পুরস্কার লাভ করেছেন আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক (২০১৬-২০১৭), অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (২০২১-২০২২), অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান (২০২২-২০২৩) এবং প্রভাষক ইমরান হোসাইন (২০২৩-২০২৪)।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী প্রফেসর সুলতানা এন. নাহার ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'S. N. Nahar Teaching Award Trust Fund' প্রতিষ্ঠা করেন।