• ই-পেপার

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের, আহত ২

তাড়াশে গৃহবধূ হত্যা মামলার ৪ আসামি গ্রেপ্তার

তাড়াশ -রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
তাড়াশে গৃহবধূ হত্যা মামলার ৪ আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

পারিবারিক কলহের জেরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ছুরিকাঘাতে তিন সন্তানের জননী মোছা. আতিকা খাতুনকে (২৮) হত্যা মামলার এক মাস পর এজাহারভুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ মামলার প্রধান আসামি আতিকার স্বামী মো. আলাউদ্দিন (৪০) এখনো পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) ভোরে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামে তাড়াশ থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. আলাউদ্দিন, মো. আল আমিন (৩২), তাদের বাবা মো. এন্তাজ আলী ও মা শিউলী খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, গত ২৮ মে গভীর রাতে মোছা. আতিকার স্বামী আব্দুল্লাহ আল মামুন পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে প্রথমে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে গভীর রাতে ঘরে রাখা ধারালো ছুরি দিয়ে তার বুকের বাঁ পাশে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ভোরের দিকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনেন। পরে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামীসহ মামলার অন্য আসামিরা পালিয়ে যান। প্রায় এক মাস পর পুলিশ মামলার প্রধান আসামি ছাড়া অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করল।

তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের পর দুপুরে সিরাজগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে আইয়ুব আলী (৬০) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলার ৬ নম্বর আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বারমারা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আইয়ুব আলী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. ঝরু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পাশের একটি গাছে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

স্থানীয়দের দাবি, আইয়ুব আলী দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ও ঋণের চাপের মধ্যে ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সঙ্গে এসব বিষয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্তের আগে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ভুল্লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের পাচুড়িয়া এলাকায় সদর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, বিএনপি নেতা জিয়াউল কবির পলাশ, অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা এবং যুবদল সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটন।

বক্তারা মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম

গ্রেপ্তারের পরের দিন যুবলীগ নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
গ্রেপ্তারের পরের দিন যুবলীগ নেতার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আলমের। তার মৃত্যুর সনদে কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। এর আগের দিন মঙ্গলবার (২৩ জুন) তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিহতের বড় ভাই নূর মোহাম্মদের অভিযোগ, জায়গা জমি নিয়ে স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে বিরোধের জেরে ‘যুবলীগ ট্যাগ’ দিয়ে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করানো হয়। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না।

তিনি আরো জানান, কেরানীহাটে আমাদের একটি জমি নিয়ে কিছু লোকের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করানো হয়। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে আমার ভাইকে সাতকানিয়া থানার সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তড়িঘড়ি করে তাকে থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় তাকে কারাগারে নেওয়ার সময়ও সে সুস্থ স্বাভাবিক ছিল। আজ সকালে আমাকে কারাগার থেকে মৃত্যুর খবর জানিয়ে হাসপাতালে যেতে বলা হয়।

নূর মোহাম্মদ দাবি করেন, নুরুল আলমকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে আনার পর সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা রাতেই তাকে হাসপাতালে পাঠাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’