• ই-পেপার

ফরিদপুরে মাদক কারবারি সন্দেহে গণপিটুনি, প্রাইভেট কারে আগুন

টানা ৮ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৮ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ বুধবার (২৪ জুন) খাগড়াছড়ির বেশ কিছু এলাকায় সকাল থেকে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) খাগড়াছড়ি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত 'আলুটিলা ফিডার' আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা—খবংপুড়িয়া, উপালী পাড়া, কলেজ পাড়া, বাস টার্মিনাল, শব্দমিয়া পাড়া, বাঙ্গালকাঠি, গঞ্জপাড়া, জিরোমাইল, মহালছড়া, আলুটিলা।

সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের যে ভোগান্তি হবে, তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

নাশকতা প্রতিরোধে সাভারে ছাত্রদলের মোটরসাইকেল শোডাউন

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
নাশকতা প্রতিরোধে সাভারে ছাত্রদলের মোটরসাইকেল শোডাউন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মোটরসাইকেল শোডাউন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকেই দিনব্যাপী ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের নেতৃত্বে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইসহ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের অধীনস্থ এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ যাতে কোনো ধরনের নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সার্বক্ষণিক মহাসড়কে অবস্থান করছি। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখাসহ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সর্বদা সজাগ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, সহিংসতা ও নাশকতার বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় সোচ্চার। আমরা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে রয়েছি।

সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা জনগণের কাছে যে কোনো ধরনের উসকানি, গুজব ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়িয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া জননিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি। 

আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণকারী বিদেশ সরকার গাইবান্ধা থেকে গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণকারী বিদেশ সরকার গাইবান্ধা থেকে গ্রেপ্তার
বিদেশ সরকার

সাভারের আশুলিয়ায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বিদেশ সরকারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আরমান হোসেন হৃদয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার ভোর রাতে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাহপুর উপজেলার দশুলিয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তারকৃত বিদেশ সরকার ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের মৃত বাবুলাল সরকারের ছেলে। তিনি তামা-কাশার দোকানে কাজ করেন, পাশাপাশি বাংলা মদ বানিয়ে বিক্রি করেন বলে জানান স্থানীয়রা।

র‍্যাব জানায়, আশুলিয়ার লালারটেক এলাকার ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৭ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর প্রতিবেশী বিদেশ সরকারের ছেলের সঙ্গে শিশুটি খেলতে যায়। এসময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে বিদেশ সরকার শিশুটিকে পাশের রণজিৎ সরকারের বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিশুটি তার পরিবারের সদস্যদের ঘটনা জানালে তার বাবা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আরমান হোসেন হৃদয় জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু হয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির অবস্থান সনাক্তের মাধ্যমে র‌্যাব-৪, র‌্যাব-১ এবং র‌্যাব-১৩ এর একটি যৌথ আভিযানে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাহপুর থানাধীন দশুলিয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে শেরপুর সদর থানায় দায়েরকৃত শিশু অপহরণ ও ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলার প্রধান আসামি নাজিম মিয়াকে (২০) র‌্যাব-৪ এর সহযোগিতায় আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। তবে এ ঘটনায় অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তরের পাশাপাশি অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে আবাদি জমির ঘাটতিসহ ৫ চ্যালেঞ্জ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে আবাদি জমির ঘাটতিসহ ৫ চ্যালেঞ্জ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশি অর্থায়ন ও বিদেশি ঋণে পরিচালিত হচ্ছে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প, যার ব্যয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, খাদ্যশস্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করা ও উন্নয়ন এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। 

বর্তমান সরকার বেশ গুরুত্ব দিয়েই এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রূপরেখা অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০২৮-এর জুন নাগাদ।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকে মোট পাঁচটি বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, নতুন আবাদযোগ্য জমির ঘাটতি ও কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাওয়া। এছাড়া রয়েছে, উত্তম কৃষি চর্চায় প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন এর প্রত্যয়ন কার্যক্রম আরম্ভ করা, উত্তম কৃষি চর্চায় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না থাকা, ফিজিক্যাল কার্ডের পরিবর্তে ভার্চ্যুয়াল কার্ড সংক্রান্ত ক্রয় প্যাকেজ পুন:নির্ধারিণের জন্য ডিপিপি সংশোধন, ল্যাবরেটরিতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ এ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা হলরুমে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ পার্টনার কংগ্রেস আয়োজন করে।

সদর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মুনসী তোফায়েল হোসেন, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার আজিজুল হক, সদর উপজেলা বিআরডিবির চোয়ারম্যান আলী আজ্জম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে পার্টনার নানা তথ্য উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সালমা সুলতানা। 

জেলার আখাউড়া উপজেলাতেও মঙ্গলবার দুপুরে পার্টনার কংগ্রেস আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপসী রাবেয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক মো. মোস্তফা এমরান হোসে। আয়ে এ বিষয়ে নানা তথ্য উত্থাপন করা হয়। প্রকল্পের আওতাধীন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশেই একইভাবে পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। ওই বছরের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিবে প্রায় ১১৫ কোটি টাকা ও বাকি প্রায় ৫৭৫ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ থেকে ব্যয় করা হবে। আটটি বিভাগ, ১৪টি কৃষি সম্প্রসারণ অঞ্চলের ৪৯৫টি উপজেলাকে প্রকল্প এলাকার আওতায় আনা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা হলো- উত্তম কৃষি চর্চা প্রত্যয়নসহ ফল ও সবজি আবাদী জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনসহ আবাদ জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা, দানাদার শষ্য (ধান ব্যতীত) ডাল ফসল, তেলবীজ ও উদ্যান ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ আবাদী জমির পরিমাণ বাড়ানো, উন্নত ও দক্ষ সেচ প্রযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন আবাদী জমি সেচের আওতায় আনা, কৃষি স্মার্ট কার্ড এর মাধ্যমে কৃষি পরিসেবা দিয়ে ডিজিটাল কৃষিসেবা সম্প্রসারণসহ আরো কিছু বিষয়। ইতিমধ্যেই উত্তম কৃষি চর্চায় লক্ষ্যমাত্রার ১০ লাখের মধ্যে দুই লাখ কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ২৮ হাজার ৫৯৫টি কৃষি স্কুলের মধ্যে ১৪ হাজার বাস্তবায়িত হয়েছে। ১০টি ল্যাবরেটরি অ্যাক্রিডিটেশন এর মধ্যে দু’টির বাস্তবায়ন হয়েছে। কৃষক স্মার্ট কার্ড পলিসি২০২৫ এর খসড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এক লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত ও দক্ষ সেচ প্রযুক্তির সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সাত হাজার ৩৮ হেক্টরে পূরণ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্র দুই লাখ হেক্টরের মধ্যে ১.৬ লাখ হেক্টর জমিতে নতুন জাত প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ৯০৫০ মেট্রিক টন ধানবীজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৯৮২ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। এছাড়াও আরো কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পার্টনার কংগ্রেসে তুলে ধরা হয়।