• ই-পেপার

নাটোর

জুট মিলে ডাকাতির মালামালসহ গ্রেপ্তার ৬

নারায়ণগঞ্জে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার, আ. লীগের ১৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার, আ. লীগের ১৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধ এবং জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।

জানা গেছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকা ছয় জেলার অন্যতম নারায়ণগঞ্জে মঙ্গলবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী ও বিজিবির যৌথ টহল শুরু হয়। একজন লেফটেন্যান্টের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর ছয়টি টিম জেলার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে। পাশাপাশি বিজিবিও পৃথকভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার পাঁচটি উপজেলায় গোয়েন্দা সংস্থার নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে সদর থানায় ২ জন, ফতুল্লা থানায় ৩ জন, রূপগঞ্জ থানায় ৩ জন, সোনারগাঁ থানায় ৪ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৩ জন এবং বন্দর থানায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি প্রতিরোধে আমাদের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম, নাশকতা কিংবা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো যেকোনো তথ্যের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রলি খালে, চালক নিহত

ভোলা প্রতিনিধি
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রলি খালে, চালক নিহত
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভোলার লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি একটি ট্রলি খালে পড়ে মো. নাঈম (২৫) নামের চালক নিহত হয়েছেন। এ সময় ট্রলির হেলপার মো. আল আমিন আহত হয়েছেন। 

সোমবার (২৩ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চর উমেদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত নাঈম উপজেলার ধলীগৌনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ফরিদের ছেলে। 

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরের দিকে ওপর বহু বছর আগে নির্মিত আয়রন ব্রিজটির ওপর দিয়ে ট্রলিতে বালু নিয়ে চর মোল্লাজি গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন চালক ও হেলপার। ট্রলিটি ব্রিজের মাঝামাঝি পৌঁছালে হঠাৎ ভেঙে খালে পড়ে যায়। এ সময় গুরুতর আহত ট্রাকচালক ও হেলপারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ট্রাকচালক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন। আর হেলপার আলামিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর আমিন বলেন, ট্রাক চালককে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন। আর হেলপার আলামিন চিকিৎসাধীন।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিষমডাঙা স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষককের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টায় তাড়াশ উপজেলা পরিষদের সামনে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, সহকারী শিক্ষক জহুরুল ইসলাম খোকনসহ চারজন শিক্ষক ধারবাহিকভাবে যৌন হয়রানি করে আসছে। এ নিয়ে কেউ মুখ খুললে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। সম্প্রতি কয়েকজন ছাত্রী এ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভে পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস, সিরাজগঞ্জ জেলা হিন্দু ছাত্র মহাসংঘের সাবেক সভাপতি অনন্ত কুমার মাহাতো, বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী সৃষ্টি রানী মাহাতো, আম্বিয়া খাতুন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর কাকা অন্তর কুমার মাহাতো ও তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুশীল কুমার মাহাতো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২২ জুন বিষমডাঙা স্কুল এন্ড কলেজে তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন, তাড়াশ থানা পুলিশ ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের নারী তদন্ত টিমের নেতৃত্বে সরেজমিনে একটি গণ শুনানি পরিচালিত হয়। সেখানে ছাত্রীরা সরাসরি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাদের আনা অভিযোগের সত্যতা মৌখিকভাবে প্রকাশ করে।

এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তি মূলক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে প্রধান শিক্ষককে লিখত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখত অভিযোগ দিয়েছি। সেখানে অভিযুক্তদের নাম সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন যদি তদন্তের নামে ঘটনাটি ভিন্নখাতের নেওয়ার চেষ্টা করে অথবা অভিযুক্তদের দায় মুক্তির দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আমরা প্রশাসনের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদে মাঠে নামব।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠান প্রধান আব্দুর আলীম বলেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। এলাকার একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকে দিচ্ছেন।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নেত্রকোণায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
নেত্রকোণায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাশকতার প্রস্তুতিকালে আবু বক্কর সিদ্দিক (৪২) নামের যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ভোরে উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

গ্রেপ্তার আবু বকর সিদ্দিক উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি মেম্বার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে ডিবি পুলিশের অধীন একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।