• ই-পেপার

দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস’ কারাগার মুন্সীগঞ্জ

গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় সাইফুল্লাহ বারী (২২) নামের এক ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরেক শিবিরকর্মী আহত হয়েছেন। 

রবিবার (২১ জুন) দুপুর ৩টার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ’র সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আশরাফ আলী নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

নিহত সাইফুল্লাহ বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি রংপুর ধাপ সাতদরগা কামিল আলিয়া মাদরাসার অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। 

সাঘাটা থানার ওসি মাহবুব আলম ও বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবদুল কাইয়ুম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোখলেসুর রহমান মুকুলের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ ও সালাউদ্দিন প্রতিবাদ জানান। স্থানীয় নেতাদের সমঝোতায় বিষয়টি মীমাংসা হয় এবং সবাই উপজেলা চত্বর থেকে চলে যায়। 

ঘটনার ১০ মিনিট পর বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ ও শিবিরকর্মী সালাউদ্দিন বোনারপাড়া-সাঘাটা সড়কের উপজেলা সংলগ্ন বোনারপাড়া চৌমাথায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পরিকল্পিতভাবে মুকুল, তার সহোদর পলাশ ও সহযোগী আশরাফ আলী সাইফুল্লাহ ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করলে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাইফুল্লাহকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহত সালাউদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল ও তার ছোট ভাই পলাশ, আশরাফসহ যুবদলের অনেকে জড়িত ছিল।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, ম্যানিজিং কমিটি নিয়েই এই বিরোধ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অন্য কোন রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা আছে কি না তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।

সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইব্রাহিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এই হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি। 

এ ব্যাপারে সাঘাটা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আহমদ কবীর শাহিন বলেন, এই ঘটনাটি একটি স্কুলসংক্রান্ত। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া কারই উচিত নয়। অপরাধী প্রমাণিত হলে দলীয় বিবেচনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তার বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধীদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে।

অনলাইন জুয়ার আসরে অভিযান, আটক ১

আঞ্চ‌লিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
অনলাইন জুয়ার আসরে অভিযান, আটক ১
সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় মুন্না মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের বড় গাবেরতল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

মুন্না মিয়া (৩১) ওই এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উলিপুর থানা পুলিশ বড় গাবেরতল এলাকার মামা-ভাগ্নে ডেকরেটরের দোকানে অভিযান চালায়। এ সময় কয়েকজন যুবক মোবাইল ফোনে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অনলাইন অ্যাপ ব্যবহার করে জুয়া খেলছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও মুন্না মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মোবাইল ফোনে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, মুন্না মিয়াসহ পলাতক ব্যক্তিরা অনলাইন জুয়ার অ্যাপসের সংযোগকারী ও এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করার পর রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সওজের ৬ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সওজের ৬ কোটি টাকার জমি উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি দখলমুক্ত করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, উদ্ধার হওয়া জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।

রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং সওজ বিভাগের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

সওজ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার গঙ্গাবর্দী মৌজার এসএ ২০২৪ ও ২০২৫ দাগভুক্ত অধিগ্রহণকৃত সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে একটি সেমিপাকা মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, শলাকুন্ড গ্রামের হামজা নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে আসছিলেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি নির্দেশনা অমান্য করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও সওজ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়।

অভিযান চলাকালে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইট ও বালু জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিম বলেন, ‘সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ ও রেকর্ড যাচাই শেষে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এতে প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল বা সেখানে স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। একাধিকবার সতর্ক করার পরও নির্দেশনা অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

ডিসি সারোয়ার আলমের বদলি বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
ডিসি সারোয়ার আলমের বদলি বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

সিলেটের জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অবিলম্বে আদেশ বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘অন্যথায় বৃহত্তর সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে বৃহৎ আন্দোলন, গণসমাবেশ ও হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি বিবেচনা করা হবে।’

রবিবার (২১ জুন) বিকেলে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘সর্বস্তরের জনতা’র ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

সামাজিক সংগঠন রেনেসাঁর আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং মাহফুজ বিন আবদুল হাফিজের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শামীমাবাদ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শামীম আহমদ, কাজিরবাজার মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, আম্বরখানা মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি জিয়াউর রহমান, সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, সৈয়দ সালিম কাসিমী, মারকাজুত তালিম ওয়াত তারবিয়ার পরিচালক মুফতি মিনহাজুস সিরাজ, বিশিষ্ট দায়ি আবদুল্লাহ আল মনসুর, আহমাদুল হক উমামা, আদিব আহমদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘সিলেটের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া জনবান্ধব ও কর্মঠ এমন একজন জেলা প্রশাসককে হঠাৎ করে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সিলেটের নাগরিক সমস্যা সমাধান, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।’

তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘ডিসি সারোয়ার আলম শহরের ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করায় একটি দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাভোগী চক্র তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘যারা বছরের পর বছর অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, তারাই আজ একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তাকে সিলেট থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই বদলির আদেশ সেই অপচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ বলে সিলেটবাসী মনে করে।’

মানববন্ধন থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সিলেটবাসীর আবেগ ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে অবিলম্বে এই প্রত্যাহার আদেশ বাতিল করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরো বৃহৎ আন্দোলন, গণসমাবেশ ও হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

বক্তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘সিলেটের স্বার্থে, সিলেটবাসীর দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে জেলা প্রশাসককে সরওয়ার আলমকে বহাল রাখতে হবে। জনমতের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত সিলেটবাসী মেনে নেবে না।’

এর আগে রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।